২০২৫ সালে দেশে প্রবীণের সংখ্যা হবে দুই কোটি


সাহেব-বাজার ডেস্ক: আজ বিশ্ব প্রবীণ দিবস। প্রবীণদের অধিকার সুরক্ষায় ১৯৯০ সাল থেকে প্রতিবছর ১ অক্টোবর জাতিসংঘ আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। ৩২তম প্রবীণ দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা’। দিবসটি পালনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর নানা কর্মসূচি নিয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ৫৭ লাখ ১ হাজার প্রবীণ ব্যক্তিকে বয়স্ক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আশ্রয় ও স্বজনহীন প্রবীণদের জন্য আটটি প্রবীণ নিবাস স্থাপনের কাজ চলমান। সরকারের গৃহীত এসব পদক্ষেপ প্রবীণদের কল্যাণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে দেশে মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশের অধিক প্রবীণ। ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলস্বরূপ ইতিমধ্যে ২৬২টি উপজেলার শতভাগ বয়স্ক ব্যক্তিকে ভাতার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলার শতভাগ প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিকল্পিতভাবে বয়স্ক ভাতার আওতায় নিয়ে আসার জন্য আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে খুদেবার্তা পাঠানো, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্ক্রল প্রচার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের তথ্য মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে দেড় কোটির বেশি প্রবীণ আছেন। এটা ২০২৫ সালে হয়ে যাবে ২ কোটি। ২০৫০ সালে এই সংখ্যাটা দাঁড়াবে সাড়ে ৪ কোটিতে। তখন দেশে শিশুদের চেয়ে প্রবীণদের সংখ্যা বেড়ে যাবে। ২০১৩ সালে সরকার জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা তৈরি করলেও পরিবার বা সমাজে এই নীতিমালা এখনো তেমন কার্যকর হয়নি। জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা অনুসারে, বাংলাদেশে ৬০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের প্রবীণ বলে অভিহিত করা হয়। তবে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশসমূহে ৫৬ বছর বয়সী ব্যক্তিদের প্রবীণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এসবি/এআইআর