১১০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়


সাহেব-বাজার ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি এরই মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে অচিরেই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। তবে আপাতত এটি ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীন জাতিসংঘের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগরতীরের ১৩ দেশের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা ‘এস্কেপ’ ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়ে থাকে। নামের ক্রমানুযায়ী এবার ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার নাম হবে ‘সিত্রাং’। থাইল্যান্ডের দেওয়া এই নামের বাংলা অর্থ পাতা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। গতকাল এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে বলা হয়েছে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

ধফাবৎঃরংবসবহঃ ৪
এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, আজ রবিবারের মধ্যে নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। মঙ্গলবারের মধ্যেই এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে পৌঁছে যেতে পারে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে। এটি স্থলভাগে প্রবেশের সময় বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার।