হেডফোন লাগিয়ে অনলাইন ক্লাস, খেয়াল রাখুন সন্তানের

  • 1
    Share

সাহেব-বাজার ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারি রুখতে বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি ও বেসরকারি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলছে অনলাইনে। ক্লাস-পরীক্ষার জন্য সন্তানরা এখন ব্যস্ত ডিজিটাল ডিভাইসে। অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ দেয়ার জন্য এবং কথা ভালোভাবে শোনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেডফোন ব্যবহার করছে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী।

এক্ষেত্রে হেডফোনের যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমন অপকারিতাও কম নয়। টানা হেডফোন ব্যবহারে আপনার সন্তানের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এ বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে জানা ও সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের বেশিরভাগ সময়ে হেডফোন ব্যবহার অজান্তেই বিপদ ডেকে আনছে শিশু ও কিশোরদের। কানের নানা রোগে ভুগছে তারা, অনেকের শোনার সমস্যা হচ্ছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার

হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার করলে সরাসরি অডিও কানে যায়। ৯০ ডেসিবাল বা তার বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে গেলে শ্রবণে সমস্যা হতে পারে। চিরতরে শ্রবণ শক্তি হারাতে পারেন। দীর্ঘ সময় হেডফোনের ব্যবহার করতে হলে কিছুক্ষণ বিরতি নেয়া জরুরি।

এছাড়া হেডফোন দিয়ে কিছু শোনার সময় এটি অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার না করা উত্তম। কারণ এর মাধ্যমে কানে সংক্রমণ হতে পারে। অন্যের কানের ব্যাকটেরিয়া আপনার কানে চলে আসতে পারে।

করোনা মহামারির শুরু থেকে দৈনন্দিন জীবনে হেডফোনের ব্যবহার বেড়েছে এবং তা অনেকটা কাজের স্বার্থেই। বাড়িতে বসে অফিসের ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেওয়া বলুন, কিংবা ইন্টারভিউ অথবা ছোটদের অনলাইন ক্লাসে পড়া বা পড়ানো – সবকিছুতেই হেডফোনের ব্যবহার সুবিধাজনক।

তবে নির্দিষ্ট সময় পরপর হেডফোনকে দূরে সরিয়ে না দিলে বিপদ হতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, আগে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শ্রবণক্ষমতা কমে যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, অনেক কম বয়স থেকেই কানের একাধিক সমস্যার মুখে পড়ছে মানুষজন, যার অন্যতম কারণ এই হেডফোন ব্যবহার।

শুধু কি শব্দের তীব্রতার কারণে শ্রবণে সমস্যা সেটা কিন্তু নয়। হেডফোন ব্যবহারের হাত ধরে আরও নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, হেডফোন ব্যবহারের পর পরিষ্কার না করে বারবার যদি তা কানে লাগিয়ে কাজ করেন, তাহলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

এসবি/এমই


  • 1
    Share