শীতে বায়ু দূষণ এড়িয়ে সুস্থ থাকবেন যেভাবে


সাহেব-বাজার ডেস্ক : শীতের শুরুতেই বাতাসে বেড়েছে ধুলার পরিমান। দূষিত হচ্ছে বাতাস। বায়ুদূষণের ফলে শরীরেও নানান ক্ষতিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে। কীভাবে সতর্ক থাকবেন? জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।

বাড়ির বাইরে নয়

শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন বা কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চরম সঙ্কট হয়ে দাঁড়ায় বায়ুদূষণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাজমার সমস্যা থাকলে বাড়ি থেকে না বেরোনোই ভালো। নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি সঙ্গে রাখতে হবে মাস্ক, হিউমিডিফায়ারস। শ্বাসকষ্ট এড়াতে নিয়মিত ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতেও বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাইরে থেকে ঘরে আসলেই এগুলো মেনে চলতে হবে

বাইরে থেকে ঘরে আসা মাত্রই স্টিম ইনহেলেশন করতে হবে। এর ফলে দূষিত কণা শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে থাকলে তা নির্মূল হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত গরম জলে গার্গেল করতেও বলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু বায়ুদূষণই নয়, সিজন চেঞ্জের জন্য গরম জামাকাপড় পরতে হবে। যাতে ঠাণ্ডা লেগে শ্বাসযন্ত্রে দূষিত কণার আঁতুড়ঘর না তৈরি হয়।

ইমিউনিটিতে নজর

প্রাকৃতিক উপায়েই বাড়াতে হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। সুস্থ থাকতে খাদ্যাভাসেও পরিবর্তন আনতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডায়েটে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে রাখতে হবে। সঙ্গে জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম রাখাও জরুরি। সুবজ শাকসবজির পাশাপাশি ডিটক্সিফায়িং চা, সরবত বানিয়েও খেতে হবে।

সকালে বাইরে শরীরচর্চা নয়

সাতসকালে শরীরচর্চা করতে বাইরে বেরোতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবর্তে ঘরে থেকেই শরীরচর্চা করতে হবে অথবা আবহাওয়া পরিষ্কার হলে বাইরে বেরোতে হবে। বিশেষত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ব্যক্তিদের সকালে শরীরচর্চা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখুন

করোনার ভ্যাকসিনের পাশাপাশি সিজন চেঞ্জের সময় ফ্লুয়ের ভ্যাকসিনও নিতে হবে। এর ফলে অসুস্থতা এড়ানো যাবে। বাড়িতেও এয়ার পিউরিফাই লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও বিভিন্ন ইন্ডোর প্ল্যান্টও লাগাতে পারেন। এর ফলে ঘরের বাতাসও পরিশুদ্ধ থাকবে।

 

এসবি/এমই