রোগ নিরাময়ে দারুচিনির আশ্চর্য উপকারিতা


সাহেব-বাজার ডেস্ক : রান্নায় দারুচিনির ব্যবহার বহুদিনের। খাবারের স্বাদ, গন্ধ বাড়ায় এই মসলা। একাধিক গুণ রয়েছে দারুচিনির। তাই রান্নায় অবশ্যই রাখুন এই মশলা।

দারুচিনি রক্তে খারাপ কোলস্টেরল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। হৃদরোগের সমস্যা সমাধানেও দারুচিনির জুরি মেলা ভার।

ব্যথানাশক হিসাবে দারুচিনি অতুলনীয়। অনেকেই হাড়ের সমস্যায় ভোগেন। এ ক্ষেত্রে দারুচিনি হতে পারে আপনার ব্যথার নিরামক। জয়েন্টের ব্যথা কমানোর জন্য গরম পানির মধ্যে এক চামচ মধু ও দারুচিনিগুড়া মিশিয়ে ব্যথার জায়গায় মালিশ করা যায়।

অ্যাসিডিটি কমাতেও দারুচিনি দারুণ উপকারী। দারুচিনি অ্যাসিডিটি দূর করে ও পেটের ব্যথা উপশম করে।

অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল হিসাবে দারুচিনি ব্যবহার করা যেতে পারে। কাটা স্থানে দারুচিনির পেস্ট ব্যবহার করলে ছত্রাক ও ব্যাক্টেরিয়া জনিত সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে না।

দারুচিনি অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে দারুচিনি ও আদা পানিতে ফুটিয়ে কুসুম গরম অবস্থায় মধু মিশিয়ে খেলে উপকার মিলবে। অ্যালজাইমার এর সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে।

ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে দারুচিনি সাহায্য করে। দারুচিনির প্রলেপ ত্বকের অতিরিক্ত তেলভাব দূর করে।

দারুচিনিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ইনসুলিনের নিঃসরণকে বাড়িয়ে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

দারুচিনিতে রয়েছে ওজন কমানোর ক্ষমতা। খাবারের মধ্যে পরিমিত দারুচিনির ব্যবহার ওজন কমাতে সাহায্য করে।

দারুচিনির ব্যবহারে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। ৪/৫ টা দারুচিনি পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি মুখে রাখলে দুর্গন্ধ থাকে না এবং সতেজ একটা অনুভূতি আসে।

গর্ভবতীদের জন্য দারুচিনি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত দারুচিনি খেলে সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

এসবি/এআইআর