রাজশাহীতে শিশু বিষয়ে যোগাযোগের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার


নিজস্ব প্রতিতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সেন্টার ফর সোশ্যাল ইনোভেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবলিটির (সিএসআইএস) উদ্যোগে ‘শিশু বিষয়ে যোগাযোগের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজশাহীর একটি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব কমিনিউকেশন ইয়ানি গ্যামিং।

সেমিনারে তিনি বলেন, ‘শিশু সুরক্ষা, শিশু অধিকার নষ্ট করতে পারে এমন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে যোগাযোগ বড় ভূমিকা পালন করে। যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে মিডিয়া সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে। জাতীয় গণমাধ্যমকে এই জাতীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি স্থানীয় গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও ব্যবহার করা জরুরী।’

ইউনিসেফ বাংলাদেশ এই সেমিনার আয়োজনে সহায়তা করে। এর আগে ইউনিসেফের সহযোগিতায় নর্থ বেঙ্গল ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে করোনা সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন এবং এ বছরের জানুয়ারীতে দুই বিভাগের ৮টি জেলায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়।

এছাড়া উত্তরাঞ্চলে নর্থ বেঙ্গল কোভিড-১৯ ফোরাম নামে সাংবাদিকদের একটি গ্রুপ করে করোনা সচেতনতামূলক রিপোর্ট করা হয়। মূলত এসব কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিয়মের জন্য এই সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। সেমিনারে ইউনিসেফ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অফিস ইনচার্জ সোনিয়া আফরিন, সোশাল অ্যান্ড বিহাইভিয়ার চেইঞ্জ অফিসার মনজুর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাজিয়াত হোসাইন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সেমিনারে সিএসআইএসের ডিরেক্টর ও রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে কোভিডকালীন ও কোভিড পরবর্তীতে গবেষক, সাংবাদিক এবং ইয়ুথ ফোরামের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।

এরপর ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা সেমিনারে ক্যাম্পেইনের সময়ের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জগুলো শেয়ার করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক বকুল, ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম মাহমুদুল হক, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীসহ রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

এসবি/আরআর/এআইআর