রাজশাহীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহিদ রুপমকে স্মরণ


নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনম্র শ্রদ্ধায় বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা শহিদ দেবাশীষ ভট্টাচার্য রুপমের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে রুপমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

প্রথমে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশার পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন নিবেদন করা হয়। পরে ছাত্রমৈত্রীর মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির নেতারা শহিদ রুপমের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামানিক দেবু, মহানগর ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ওহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি সাকিব আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক বিজয় সরকার, রাবি শাখার আহ্বায়ক আলি অম্বর ফয়েজ, যুগ্ন-আহ্বায়ক মিনহাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষান সরকার, প্রচার সম্পাদক ইফতিক হাসান, বোয়ালিয়া থানার সভাপতি অমিত সরকার, নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের সভাপতি জানে আলম, সাধারণ সম্পাদক সাইফ আহমেদ ইসা, শাহমখদুম থানার সাধারণ সম্পাদক মো: সজিব, সাবেক ছাত্রনেতা সুভাষ চন্দ্র হেমরম, রুবেল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, রুপম বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার একজন উদীয়মান ছাত্রনেতা ছিলেন। ১৯৯৫ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সঙ্গে শিবিরের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। পরে ১৩ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় রুপম তার তিন বন্ধুকে নিয়ে রাজশাহী থেকে পাবনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় পৌছালে সন্ত্রাসীরা বাসটিকে থামিয়ে দেয়। পরে ভেতরে ঢুকে অর্ধ শতাধিক যাত্রীর উপস্থিতিতে চাকু ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে রুপমকে আঘাত করে।

রুপমের বন্ধুরা বাঁধা দিতে এগিয়ে আসলে তারাও পৈশাচিকতার শিকার হয়। এভাবে সন্ত্রাসীরা দশ মিনিটে তাদের অপারেশন শেষ করে কোচ থেকে নেমে যায়। তবে ড্রাইভারকে কোচটিকে কোথাও না থামিয়ে নাটোর পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হুকুম দেয় তারা। নাটোরে বাসটি পৌছালে কয়েকজন যাত্রী রুপম ও তার অপর তিন বন্ধুদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে প্রচুর রক্তক্ষরণে কোচেই রুপমের মৃত্যু ঘটে।

এসবি/জগদীশ রবিদাস