রাজশাহীতে কৃষকের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ

  • 1
    Share

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে এক কৃষকের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কৃষক হাবিবুর রহমান রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন। হাবিবুরের ফসলি জমি জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট দরগাপাড়া এলাকায়।

তিনি দাবি করেন, রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকার নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জাল কাগজপত্র তৈরি করে তার ৬০ শতক ভিটা জমি দখলের চেষ্টা করছেন। কাঁকনহাট দরগাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম রবি ও মামুন হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি তাকে সহায়তা করছেন। এই জমির জন্য তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কাঁকন মৌজার ২৭৫ নম্বর দাগে হাবিবুরের ৬০ শতক জমি রয়েছে। এই জমির জেএল নম্বর- ১৪৮, আরএস খতিয়ান নম্বর-এই জমির জেএল নম্বর- ১৪৮, আরএস খতিয়ান নম্বর- ২৩৪। তিন বছর ধরে নজরুল ইসলাম জমিটি দখলের চেষ্টা করছেন। গত ২৭ জানুয়ারি নজরুল ও মামুনসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জন ব্যক্তি রবির বাড়িতে অবস্থান নেন। এরপর হঠাৎ তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করে তারকাটার বেড়া ও সীমানা পিলার ভেঙে ফেলেন। এরপর তারা ১০টি আমগাছ, ৪৪০টি পেঁপে গাছ এবং একবিঘা জমির টমেটো ফসল নষ্ট করেন। হাবিবুর রহমানের ছেলে লিটন বাদশা ও স্ত্রী সেফালী বেগম বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গে মারমুখি আচরণ করা হয়। তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। এ নিয়ে পরদিন গোদাগাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি ১৯৮৯ সালে আবু হানিফ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমিটি কিনেছেন। আবু হানিফ কিনেছিলেন ঠাকুর মাঝি ও আবদুর রশিদ নামে দুই ব্যক্তির কাছে। এখন নজরুল দাবি করছেন, জমি তার। এ নিয়ে তিনি মামলাও করেছেন। সেই মামলা আদালতে চলমান। এরই মধ্যে তিনি নানা কায়দায় জমিটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করছেন। সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুর রহমানের স্ত্রী সেফালী বেগম এবং ছেলে লিটন বাদশাও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, দলিল জাল করে আবদুর রশিদ জমি নিজের নামে করেছিলেন। ২০০৫ সালে ঠাকুর মাঝি বিষয়টি টের পেয়ে মামলা করেছিলেন। আদালতে এটা প্রমাণিত হয়েছে। তারপর জমিটি তিনি কিনেছেন। জোর করে দখলে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ সত্য নয়।

এসবি/আরআর/জেআর


  • 1
    Share