পাঠ্যবইয়ের অসঙ্গতি তদন্ত করবে ২ কমিটি


সাহেব-বাজার ডেস্ক : নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধনে দুটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি হবে। আর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেছে কিনা তার তদন্ত করতে আরেকটি কমিটি গঠন করা হবে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এদিকে অপর এক অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য একটা আচরণ বিধিমালার প্রস্তাব পাওয়া গেছে। তা বিবেচনা করা হবে।

চলতি বছরের পাঠ্যবই নিয়ে মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া ব্যাপক আগ্রহকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা দুটি কমিটি তৈরি করব। একটি কমিটি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে। সেখানে স্বাস্থ্য, ধর্মীয়, পেশাগত বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। যে কেউ যে কোনো জায়গা থেকে যে কোনো মতামত দিতে পারবেন। এজন্য অনলাইনে একটি অপশন দেওয়া হবে। এই লিঙ্কে যে কেউ দেশ-বিদেশ

থেকে ভুল, মতামত, পরামর্শ, আপত্তি জানাতে পারবেন। বিশেষজ্ঞ কমিটি তা যাচাই-বাছাই করে পরামর্শ দেবে, সে অনুযায়ী বই পরিমার্জন করা হবে।

পৃথক আরেকটি কমিটির বিষয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, যে প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে গেয়েছি সেখানে অনেক মানুষ জড়িত। পাঠ্যবই তৈরির সঙ্গে জড়িত এনসিটিবির মধ্যে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু করে থাকলে তা তদন্ত করে দেখবে। গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। আগামী রবিবারের মধ্যে কমিটি দুটির বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এদিকে মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য একটা আচরণ বিধিমালার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, আমরা মনে করি এটা একটা ভালো প্রস্তাব। এটা নিয়ে কাজ করব।’

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শতভাগ মূল বেতন সরকার থেকে দেওয়া হয়। সেজন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো আচরণ বিধিমালা করার প্রস্তাব আলোচনা হয়েছে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে। তারা শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের প্রস্তাব করেছেন।

 

এসবি/এমই