বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর


সাহেব-বাজার ডেস্ক : দেশের উন্নয়নে বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উন্নয়নে বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণায় জোর দিতে হবে। সরকার গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ রেখেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে নবনির্মিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সের উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

রপ্তানিপণ্য গুণগত মান পরীক্ষায় সরকার পরীক্ষাগার বাড়িয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে চিংড়ি মাছের মধ্যে লোহা ও পেরেক ঢুকিয়ে দিয়ে সেটা ইউরোপে রপ্তানি করার ফলে আমাদের রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে অনেক দেনদরবার করে সেটা ঠিক করি। আমাদের রপ্তানিযোগ্য পণ্যকে যথাযথভাবে পরীক্ষা করে সনদ দেওয়া অপরিহার্য। তাই আমরা পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়িয়েছি। বিভিন্ন এলাকায় পণ্যভিত্তিক টেস্টেং ল্যাবরেটরি করার উদ্যোগ নিয়েছি।

গবেষণা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ প্রদান করছি। আমরা শিক্ষার্থীদের বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। তবে আমরা জোর দিচ্ছি বিজ্ঞানের উপর। এই শিক্ষায় যাতে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসার জন্য আলাদাভাবে ফেলোশিপ দেওয়া হচ্ছে। এই যুগে যেসব দেশ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে, তাঁরাই অর্থনৈতিকভাবে দ্রুত উন্নতি লাভ করছে। কাজেই উন্নতি করতে হলে গবেষণা একান্ত প্রয়োজন।

দেশে স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণা কম হচ্ছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের দেশে গবেষণাটা খুব কম হচ্ছে। আমাদের দেশে খুব কম চিকিৎসক আছে…। আসলে তাঁরা যতটা না রোগী সেবা দিতে আগ্রহী, ঠিক গবেষণার দিকে নেই। হাতেগোনা কয়েকজন নিয়মিত গবেষণা করেন। এক্ষেত্রে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমাদের স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণাটা একান্ত দরকার।

সরকার প্রতিবছরই গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দ রাখছে বলে জনান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, মৌলিক গবেষণার সঙ্গে প্রায়োগিক গবেষণার দিকে জোর দিতে হবে। আমাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই গবেষণা প্রয়োজন। কারণ গবেষণা ছাড়া উৎকর্ষতা লাভ করা যায় না। এসডিজি গোল অর্জন করতে গবেষণার প্রয়োজন। দেশের অনেক সম্পদ রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করতে গবেষণার প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী।

এসবি/এআইআর