দুর্নীতির দায় মালেকের ব্যক্তিগত: স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর


সাহেব-বাজার ডেস্ক : দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার গাড়িচালক আবদুল মালেকের দুর্নীতির দায় তার ব্যক্তিগত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। একসময়ের এই গাড়িচালকের দুর্নীতির কোনো দায় নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গাড়িচালক আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ ওঠার পর বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে।

অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোস্তফা খালেদ আহমদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য ‍শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনে গত বছরের ২৪ নভেম্বর স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর গঠিত হয়। বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন সে বছরের ৩১ ডিসেম্বর মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। গাড়িচালক আব্দুল মালেককে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রেষণে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে ন্যস্ত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আজ পর্যন্ত নবগঠিত স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কোনো প্রকার কেনাকাটা, কর্মচারী নিয়োগ, পদায়ন বা পদোন্নতির কাজ করা হয়নি। কাজেই গাড়িচালক মো. আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর বা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের দায় তার ব্যক্তিগত।

গত রবিবার রাজধানীর তুরাগ থানাধীন কামারপাড়ার ৪২ নম্বর বামনেরটেক হাজী কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলার বাসা থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার মালেককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও কয়েক রাউন্ড গুলি এবং দেড় লাখ জাল টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তুরাগ থানায় দুটি মামলা করা হয়।

সোমবার অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবদুল মালেকের ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। তার বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যমে আসছে।

এসবি/এআইআর