এই মায়েদের লড়াই কঠিন থেকে কঠিনতর


সাহেব-বাজার ডেস্ক: তোফা এখন স্কুলে যায়। মুঠোফোন কানে নিয়ে সে গড়গড় করে পড়ে—‘অ-আ-ই-ঈ…’। কবিতা বলতে বললে ‘খোকন খোকন ডাক পাড়ি’ শুনিয়ে দেয়। তারপর নিজেই বলে, ‘ও ম্যাডাম, তুমি কেমন আছ?’ তহুরাও ফোনে একই প্রশ্ন করে কুশল জানতে চাইল।

এই তোফা ও তহুরার নাম লিখতে একসময় দুই নামের মধ্যে ‘হাইফেন’ দিলেই চলত। কারণ, তারা জোড়া লাগানো অবস্থায় জন্ম নিয়েছিল। পরে অস্ত্রোপচার করে তাদের আলাদা করেছেন চিকিৎসকেরা। এখন তারা আলাদা দুজন মানুষ।

পিঠ থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে জন্মেছিল তোফা ও তহুরা। জন্মের পর ১০ মাস তারা জোড়া লাগানো অবস্থায় ছিল। ২০১৭ সালের ১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ৯ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাদের আলাদা করেন। এখন তাদের বয়স ছয় বছর।

তোফা ও তহুরাকে আলাদা দুটি মানুষের পরিচয়ে পরিচিত করাতে বিশেষ করে তাদের মা শাহিদা বেগমকে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তাঁর লড়াই এখনো শেষ হয়নি।

শুধু তোফা ও তহুরার মা-ই নন, জোড়া লাগানো অবস্থায় জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুর মায়েরই এমন লড়াই করে যেতে হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জী বলেন, বাচ্চা যদি জোড়া লাগানো হয়, তখন মায়ের সংগ্রামটা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক সাহনূর ইসলাম বলেন, জোড়া লাগানো অবস্থায় জন্ম দেওয়া সন্তানের মায়ের অবদান অতুলনীয়। শারীরিক যন্ত্রণার পাশাপাশি সন্তানের কখন কী হয়, এ চিন্তাসহ ধাপে ধাপে অস্ত্রোপচারের মানসিক যন্ত্রণাও মাকে পোহাতে হয়।

আজ রোববার বিশ্ব মা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে জোড়া লাগানো অবস্থায় সন্তান জন্ম দেওয়া কয়েকজন মায়ের সঙ্গে কথা হয়। পাশাপাশি কথা হয় কয়েকজন বাবা ও অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসকের সঙ্গে।

নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন না শাহিদা

২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্ত শরীর নিয়ে তোফা-তহুরার জন্ম হয় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রাজু মিয়া ও শাহিদা বেগম দম্পতির ঘরে।

জন্মের পর আট দিন বয়সে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক সাহনূর ইসলামের অধীন ভর্তি হয়।

এর পর থেকে মা শাহিদার জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটে এই হাসপাতালে। এই মাকে বিভিন্ন ধাপে দেখতে হয় মেয়েদের শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার।

মেয়েদের জন্মের পর থেকে ১০ মাস বয়স পর্যন্ত, অর্থাৎ যুক্ততা থেকে বিচ্ছেদ হওয়ার আগপর্যন্ত তাদের একসঙ্গে কোলে নিতেন শাহিদা। অস্ত্রোপচারের আগে তাদের দুজনের ওজন ছিল ১০ কেজি।

মুঠোফোনে কথা হয় শাহিদার সঙ্গে। মেয়েদের জন্মের পর কীভাবে তাঁর জীবন পাল্টে যায়, সেই গল্প শোনান তিনি। শাহিদা জানান, মেয়েদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেয়েদের বাবা রাজু মিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাগানে কাজ করেন। জেলা-উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁদের একটি বাড়িসহ সৌরবিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে টিউবওয়েল বসানো হয়েছে। এতে শাহিদার কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়েছে। ১০ বছর বয়সী একমাত্র ছেলেকে তাঁরা মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন।

শাহিদা বলেন, ‘তোফা ভালো আছে। সে স্কুলে যায়। কিন্তু তহুরা ভালো নেই। তার পেটে যে প্রস্রাবের রাস্তা বানানো হয়েছে, সেখান থেকে সব সময় প্রস্রাব ঝরে। ডায়াপার কেটে কেটে পরানো হয়। ডায়াপার পরানো না হলে প্রতিদিন কাপড় নষ্ট হয়। মেয়েদের বাবা বাড়িতে থাকেন না। দুই মেয়েকে একলা সামলানো যায় না। তাই তোফা তার নানির কাছে থাকে। সেখান থেকেই সে স্কুলে যায়।’

শাহিদা জানান, মেয়েদের জন্মের পর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত তিনি কখনো নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেননি। তিনি মেয়েদের পড়াশোনা করিয়ে চিকিৎসক বানানোর স্বপ্ন দেখেন। এ জন্য সবার সহযোগিতা চান।

অধ্যাপক সাহনূর ইসলাম বলেন, তোফা ও তহুরা যেভাবে জোড়া লাগানো ছিল, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় তাকে বলা হয় ‘পাইগোপেগাস’। এ ধরনের শিশু আলাদা করার ঘটনা বিরল। তোফা ও তহুরার প্রতিটি ধাপের চিকিৎসায় মূল সিদ্ধান্ত দেন মা শাহিদা। তাঁর জন্যই মেয়েরা আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছে।

ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন মিতু

ভোলার লালমোহনের একটি ক্লিনিকে গত ১৩ এপ্রিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জোড়া লাগানো দুটি ছেলেশিশুর জন্ম দেন মিতু বেগম। এই মায়ের বয়স ১৮ বছর। শিশুদের বাবা মো. বিল্লাল। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।

জন্মের পর লালমোহন থেকে শিশুদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের অধীন নবজাতক বিভাগে ভর্তি করা হয়।

বাবা বিল্লাল বলেন, দুই বাচ্চা হবে, তা তাঁদের জানা ছিল। কিন্তু জন্মের পর দেখেন, শিশুরা জোড়া লাগানো। শিশুদের পেছনে এখন পর্যন্ত তাঁর অর্ধলক্ষাধিক টাকা খরচ হয়ে গেছে।

মিতু জানান, তাঁর অস্ত্রোপচারের জায়গা এখনো ভালো করে শুকায়নি। জোড়া লাগানো দুই বাচ্চাকে ছয় মাস পার না হলে আলাদা করার জন্য অস্ত্রোপচার করা যাবে না বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এখন আপাতত বুকের দুধ চিপে বের করে বাচ্চাদের খাওয়াচ্ছেন নার্সরা। তবে তিনি বাড়িতে ফিরে নিজে দুজনকে কীভাবে খাওয়াবেন, তা ভেবে অস্থির।

মিতু বলেন, ‘আমি তো মা, কষ্ট তো করতে হইব।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জী  বলেন, ‘২৫ দিন ধরে মিতু বুক থেকে দুধ চিপে বের করে সন্তানদের খাওয়াচ্ছেন। বয়স কম হলেও এই মায়ের ধৈর্য আছে। এ ধরনের বাচ্চাদের বাঁচিয়ে রাখতে মায়ের ধৈর্যের পাশাপাশি পরিবারের সবার সহায়তা খুব বেশি প্রয়োজন।’

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি তাসলিমা

২০১৯ সালের ২ আগস্ট রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৩ বছর ১৫ দিন বয়সী মাথা জোড়া লাগানো রাবেয়া-রোকাইয়াকে আলাদা করতে অস্ত্রোপচার করা হয়। এতে সময় লেগেছিল ৩৩ ঘণ্টা। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ‘যমজ মস্তিষ্ক’ আলাদা করা হয়।

সে সময় আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, এ ধরনের অস্ত্রোপচার সারা বিশ্বেই বিরল ঘটনা।

বিশ্বের ১৭ নম্বর অস্ত্রোপচার ছিল রাবেয়া-রোকাইয়ার অস্ত্রোপচার। এ ধরনের অস্ত্রোপচারে সাফল্যের হারও খুব বেশি নয়। অস্ত্রোপচার–পরবর্তী ঝুঁকি ও জটিলতা অত্যন্ত বেশি।

বিজ্ঞাপন

রাবেয়া ও রোকাইয়ার অস্ত্রোপচারে হাঙ্গেরির বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অংশ নিয়েছিলেন। এর আগে রাবেয়া ও রোকাইয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাঙ্গেরিতে পাঠানো হলে সেখানেই ছোট-বড় সব মিলিয়ে ৪৮টি অস্ত্রোপচার হয়েছিল।

গত বছরের ১৪ মার্চ ‘মুজিব শতবর্ষে’ রাবেয়া ও রোকাইয়ার গৃহে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সিএমএইচ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন।

এই দুই শিশু যাতে বিনা মূল্যে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা নিতে পারে, সে ব্যাপারেও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন। সিএমএইচ থেকে শিশু দুটির জন্য ‘আজীবন চিকিৎসাসেবা কার্ড’ দেওয়া হয়। ২০১৭ সাল থেকে রাবেয়া ও রোকাইয়ার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পাবনার চাটমোহরে ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই শিক্ষক দম্পতি রফিকুল ইসলাম ও তাসলিমা খাতুনের ঘরে রাবেয়া-রোকাইয়ার জন্ম। চিকিৎসকদের ভাষায়, কনজয়েন্ট টুইন অথবা মাথা জোড়া লাগানো যমজ শিশু একটি বিরল সমস্যা। দুই শিশুর জন্মের পর মা-বাবাকে জীবনধারা পাল্টে ফেলতে হয়েছে।

দুই শিশুর বয়স এখন প্রায় ছয় বছর হতে চলছে। তাদের মা তাসলিমা খাতুন এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। এ ধরনের সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য মা হিসেবে এখনো তাঁকে নানাজনের কথা শুনতে হয়। এই মা বললেন, ‘মানুষ কত যে বাজে কথা বলে, মাঝে মাঝে খুব কষ্ট পাই।’

তাসলিমা বললেন, ‘সংগ্রামের শেষ নেই। রোকাইয়া এখনো ভালো হয়নি। সে বিছানাতেই প্রস্রাব-পায়খানা করে। চিকিৎসক ইনজেকশন দিয়ে রোকাইয়ার মাসিক বন্ধ রেখেছেন। ১২ বছর পর্যন্ত এটা এভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। আমার নিজের জন্য বলতে গেলে কোনো সময় নেই। কখন হাসপাতালে দৌড়াতে হবে, সব সময় সে চিন্তায় থাকি। সংসার, চাকরি—সব সামাল দিতে খুব কষ্ট হয়ে যায়। মাঝে মাঝে হতাশা চলে আসে। মেয়েদের চিকিৎসায় সরকার পাশে না থাকলে কী হতো, তা চিন্তাই করতে পারি না।’

তাসলিমা বলেন, ‘স্কুলের চাকরিতে সময় কমিয়ে দিতে হয়েছে। রোকাইয়াকে দেখার জন্য মানুষ রাখতে হলে খরচ অনেক বেশি হতো। স্বামী-স্ত্রীর আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। প্রায় দুই বছর ধরে রোকাইয়ার থেরাপি দেওয়া বন্ধ। আমি নিজে যতটুকু পারি, তা–ই করি। রাবেয়া এমনিতে ভালো আছে। তবে কয়েক দিন আগে তার শরীরের চামড়া উঠে রক্ত ঝরা শুরু হলে আবার অপারেশন করতে হয়। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়ে না।’

কষ্ট সয়ে যাচ্ছেন হনুফা

ছবি: সংগৃহীত২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করে লাবিবা ও লামিসা। নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার যদুনাথপাড়া গ্রামের রাজমিস্ত্রির সহকারী লাল মিয়া ও মনুফা আক্তার দম্পতির প্রথম সন্তান তারা। জন্মের ৯ দিন পর তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন মা-বাবা। তারপর বলতে গেলে এটা তাঁদের রুটিন কাজে পরিণত হয়েছে।

চলতি বছরের ২১ মার্চ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের প্রধান আশরাফ-উল-হকের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক অস্ত্রোপচার করে তাদের আলাদা করে। তাদের কোমরের নিচের অংশে জোড়া লাগা ছিল। তাদের আলাদা করতে প্রথম ধাপের অস্ত্রোপচার হয় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর।

অস্ত্রোপচারের পর অধ্যাপক আশরাফ-উল-হক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘এই অপারেশনে আমাদের দুটি চ্যালেঞ্জ ছিল। দুই শিশুর পায়ুপথ ও প্রস্রাবের পথ ছিল একটি, যা পৃথক করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আরেকটি বড় সমস্যা ছিল তাদের মেরুদণ্ড। তবে আমরা সফল।’

লাল মিয়া ও হনুফা এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছেন। মেয়েরা অস্ত্রোপচারের পর থেকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটতে আছে। মেয়েদের বয়স হয়েছে তিন বছর। চিকিৎসকেরা বলেছেন, একা একা হাঁটতে তাদের আরও সময় লাগবে।

লাল মিয়া এইচএসসি প্রথম বর্ষ, আর হনুফা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। হনুফার বয়স ২০ বছর। লাল মিয়া বললেন, ‘আমি যতটুকু পারি সময় দিই। হনুফার সঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করি। তবে আমার চেয়ে হনুফার কষ্ট অনেক বেশি। তাঁকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। এখনো কষ্ট ভোগ করছে।’

স্থানীয় প্রশাসন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান লাল মিয়া। তিনি বলেন, সবার সহযোগিতায় তাঁদের মেয়েরা আলাদা হয়েছে। সুস্থ হয়ে যাতে মেয়েরা বাড়িতে ফিরতে পারে, সে জন্য সবার কাছে দোয়া চান তিনি।

খরচ সামলাতে হিমশিম খান জানিয়ে লাল মিয়া বলেন, কাজ করলে দিনে ৫০০ টাকা আয় করতে পারতেন তিনি। কিন্তু এখন মেয়েদের সময় দিতে গিয়ে কাজ করতে পারছেন না। এখন অনেকেই তাঁদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন। কিন্তু সামনে অনেক পথ বাকি আছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আশরাফ-উল-হক বলেন, দেশে জোড়া লাগানো অবস্থায় জন্ম নেওয়া শিশুদের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, এ ধরনের সন্তান জন্ম দেওয়া থেকে পরবর্তী সময়ে প্রায় পুরো ধকল মাকেই পোহাতে হয়। পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অন্যদেরও এই মায়েদের সংগ্রামে পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।

এসবি/জেআর