Ad Space

তাৎক্ষণিক

মাহী ফ্লোরা । পাতাসিরিজ

১. তুমি আসো, দেখে যাও। পড়ে আছে কাচে মানুষের মুখ– ছিন্ন ভিন্ন পাতার বেদনা! ২. পাতাকে বলি, ওহে পতনশীল, লুকোচুরি খেলা কতটা শিখেছো? ৩. দুচোখের চেয়ে শ্রেষ্ঠ পাতার বিন্যাস, আমার দুখী চোখ দেখবে বলে তাকাই– অথচ শুধু চলে যাওয়া দেখি, পড়ে থাকা পাতা, ছিন্ন ভিন্ন চাকাই। ৪. আমাদের এই পাতার জীবনে রহস্যটা শিরায় শিরায়! ৫. বিস্তারিত…

বীরেন মুখার্জীর কবিতা

হাঁটছি আমরা   সকাল হেঁটে যাচ্ছে– কাঁধে কুয়াশাজর্জর শীতবস্ত্র; হাঁটছি আমরা নগরীর বাহুল্যবাগান পেরিয়ে রাত্রি অভিমুখী; নিখিলবিশ্বে নেচে ওঠা সেলফি উৎসব আরও রঙিন দিকে দিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে শান্তিতামাশা, সুরক্ষিত ভেতরমহল, রক্তআলোকে উজ্জ্বল! আমরা হাঁটছি, পদশব্দে ভুলফুল; দেখি– শাস্ত্রীয় উঠোন যেন পৃথিবীর সমস্ত আর্তচিৎকার উপমিত হাসি আর মানবভস্মে গম্ভীর! ভেতর-বাহির পোড়াগন্ধ, হাঁটছি আমরা– হেঁটে চলেছে শীতবস্ত্র, বিস্তারিত…

অন্য ভূগোল । বিধান সাহা

এভাবে কাঁদতে নেই, প্রজাপতি! আকাশে অবাক করা রোদ। মেঘমালা। অশান্তির পূর্বাভাষ। ধরো, নদীমাতৃক পৃথিবীতে আমিই একমাত্র ঢেউ। শৈবালের নিকটে আমিই একমাত্র স্রোতস্বিনী ব্যথা। তুমি হাসো। পৃথিবীতে আজ এতো যে ক্লাসিক উৎসব, তুমি জানো, আমার সুর কোথা থেকে ওঠে আর কোথায় মিলায়? এই যে বটগাছ থেকে চলে যাওয়া নিরুদ্দেশের পথ, তুমি জানো কোন ধ্বনি আজ তাবৎ বিস্তারিত…

বাবলু জোয়ারদারের পাঁচটি কবিতা

ভালবাসা হোক নদীর গহীন ভেতরে চর জেগেছে বুকের গহীন ভেতরে চর জেগেছে জলবনত মেঘ পালিয়েছে অভিমানে জলহীন চরাচরে কেবলই খরার আগুন ধূসর প্রান্তর ধূসর আকাশ, রাশি রাশি দুঃস্বপ্নের ভেতর মানুষ খোঁজে মানবিক আশ্রয় সবুজ সজীবতা আর ফুলেল ভালবাসা মানুষ খোঁজে শ্রাবণ দিনের জল সম্ভার খোঁজে বৃষ্টিপাত গাংচিল গহীন গাঙের জোয়ার অনিদ্রায় কেটে গেলে রাত ভালবাসাহীন বিস্তারিত…

সৃজনে-মননে মানুষের সত্য অধিকারের গান

নুসরাত নুসিন : ৫ ডিসেম্বর, বিকেল ৩টা। হেলে পড়া সূর্যটার তেজ কমেনি তখনো। শীতের কুয়াশা পারের পদ্মাকে পাতলা চাদরে ছুঁয়ে রেখেছে। নদীর বুক চিরে হালকা হাওয়া উঁকি দিচ্ছে কখনও কখনও। হেলে পড়া সূর্যের তেজ, শীতের কুয়াশা আর হাওয়ার চলাচল তৈরি করেছে যেনো এক মিষ্টি বিকেলবেলা। পদ্মাপারে মুন্নুজান স্কুলের পাশে রবীন্দ্র-নজরুল মঞ্চে দেশের গান বাজছে। ক্রান্তিকালের বিস্তারিত…

ইকবাল হাসানের কবিতা

ফেসবুক ফেসবুকের আড়ালে আমি কিন্তু এতোদিন নিছক সাইবার চরিত্র বলে ভেবেছি তোমাকে। কী হল সহসা আজ, দেখি, ধোঁয়া ও কুয়াশা থেকে তুমি বেশ নিজেকে নিস্ক্রান্ত করেছো। সাইবার চরিত্রগুলো টেলিফোনে কথা বলে নাকি? ঘোর সন্ধ্যাবেলা? যতদূর জানি, তারা শুধু ইতিউতি দ্যায়, নিজেদের ঢেকে রাখে অলিক কুয়াশায়। কেউ কেউ মাকড়সার জালের মতো পরাবাস্তব জাল পেতে অপেক্ষায় থাকে। বিস্তারিত…

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কবিতাপাঠ ও দাগ সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রবীন্দ্র জার্নাল আয়োজিত ও ছোটকাগজ দাগের সহযোগিতায় আগামী ৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ১০০ কবির কণ্ঠে কবিতা পাঠ, আলোচনা ও দাগ সাহিত্য পুরস্কার-২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. শামসুজ্জামান খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের বিস্তারিত…

হুমায়ূন আহমেদ : কয়েকটি জিজ্ঞাসা । চন্দন আনোয়ার

বহুকাল আগে তারাশঙ্কর তাঁর ‘কবি’ উপন্যাসে প্রশ্ন তুলেছিলেন, মানুষ জন্মায় কেনো এবং জন্মিলে আবার মরতেই বা হবে কেন? আরো একটি জিজ্ঞাসা ছিল, জীবন এতো ছোটো কেন? মানুষ যত বড়োই হোক, এত ছোট একটি জীবন নিয়ে যত বড়ো আকাশেরই স্রষ্টা হোক না কেনো, তাঁর খেদ তাঁর অসম্পূর্ণতা তাঁর নিয়তি। হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণের পাঁচ বছর আজ। যে বিস্তারিত…

৬২ বছর পর বিড়াল ছানার খোঁজে । আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ

‘বাসায় বিড়ালের পাঁচটা বাচ্চা হয়েছে। ওদের চোখ ফোটেনি। দেশ ভাগ হয়ে গেছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে আামাদের বাসা ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমার ওই বিড়ালের বাচ্চাগুলোকে ফেলে কিছুতেই যেতে ইচ্ছে করছিল না। মনে হচ্ছিল ওদের চোখ ফুটবে তো! নাকি একলা বাসায় কেউ ওদের মেরে ফেলবে– এই চিন্তায় আমি খুব অস্থির ছিলাম। আজ বাংলাদেশে এসে আমার মনে হচ্ছে বিস্তারিত…

দ্বিত্ব শুভ্রার কবিতা

মার্বেল   ঝুরঝুর করে নুড়ো হয়ে পড়লো চোখ, মার্বেলের মত মণি দুটো লাফ দিল টং! টং! মানুষে মানুষে ক্রসিঙে জাস্ট এইমাত্র একটা ধাক্কা খেলেন। আপনার গুড়োগুড়ো দৃষ্টি ঝাড়ুদাররা আচ্ছামত ঝেঁটিয়ে দিল।   ইয়েস! ইয়েস! আপনাকে হেঁটে যেতেই হবে চোখ উল্টানো লোকের মধ্য দিয়ে।   ফুলকি   অন্ধকার নেমে আসছে–   অন্ধকার ধেয়ে আসছে মাথার ভেতরে– বিস্তারিত…