Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • এমপি এনামুল সংসদের প্যানেল স্পিকার নির্বাচিত, মোহাম্মদ আলীর অভিনন্দন– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীর মুসা রাজাকার আটক– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে নবজাতক চুরি : মাঠকর্মী রিমান্ডে, তদন্ত কমিটি গঠন– বিস্তারিত....
  • রাবি উপাচার্যের সঙ্গে জাপানী অধ্যাপকের সৌজন্য সাক্ষাৎ– বিস্তারিত....
  • চারঘাটে সিগারেট চুরির অভিযোগে গণধোলাই– বিস্তারিত....

এস এম সুলতান : শিল্প ভাবনা ও জীবনবোধ | ইমরুল কায়েস তপন

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট বৃহত্তর যশোরের নড়াইল জেলার মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ‘শিল্পের জন্য শিল্প নয়, শিল্প জীবনের জন্য’ এই বোধকে হৃদয়ে ধারণ করে তিনি শিল্পচর্চা করে গেছেন আজীবন। শিল্পী এস এম সুলতানের ছবির প্রধান চরিত্র এদেশের শ্রমজীবী মানুষ। শিল্পীর তুলির বলিষ্ঠ আঁচড়ে তারা সুঠাম দেহের অধিকারী এবং বিস্তারিত…

পদ্মানগর ও অন্যান্য কবিতা । নুসরাত নুসিন

পদ্মানগর দেহের সামনে পদ্মানগর। এই জল, এই দেহ, আচঞ্চল জমিন চর। সন্ধ্যা নামলেই প্রায়ান্ধ অন্তঃপুরে গৃহবাসনার মতো জ্বলে ওঠে। সন্ধ্যা পেরুলেই অদৃশ্য ধু ধু। ক্রমাগত অনাগত দিক ও উলম্ব ইশারাপথে একাগ্র নিবেদনে ডেকে ওঠে, জলে চরে খাদে এই যে অন্তঃপুরের দরিয়ানগর, মধ্যরাতের দুর্বিনীত বিনয়ের মতো চকচকে চোখের প্রান্তরে যুক্ত হয়েছে নরম মোমের মতো অনুক্ত আগুনপাঠ, বিস্তারিত…

অরুণিমা মন্ডল দাসের তিনটি কবিতা

পুজো দেবী না মানবীর–২   কাদার পিণ্ডে দুর্গামা কম্পিউটারের হার্ডওয়ার। সফটওয়ার প্রোগ্রাম লাগাতে ব্রহ্মাণ্ড তোলপাড়।   মা, দেবী না মানবী? না মূর্তি? লাখ লাখ টাকার প্যান্ডেলে পঞ্চাশ টাকার ফুটপাতের জামায় ভিখারির বাচ্চা? মার কোলে অস্ত্র তবু সন্তান খুন ধর্ষণ শ্লীলতাহানি রাজনীতিতে এসে মন্ত্রী এখনও কি কাঁচা?   প্রসাদ, পাঞ্জাবি পরিহিত মধ্যবিত্ত বাঙালি অষ্টমীর অঞ্জলীতে হাত বিস্তারিত…

তিনি অগ্রগণ্যদের একজন । হাসান আজিজুল হক

সৈয়দ শামসুল হক কবিতা লিখেছেন সাহিত্য জীবনের শুরু থেকে। পাশাপাশি লিখেছেন ছোটগল্প। প্রাচুর্যে ভরা তাঁর এই সম্পদ। লিখেছেন উপন্যাস এবং আমাদের কথাসাহিত্যের ধারায় এখানেও তিনি অগ্রগণ্যদের একজন। তিনি লিখেছেন কাব্যনাটক, মঞ্চনাটক এবং এই শাখায় তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী, একমাত্রই। আমার মতে পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরুল দীনের সারাজীবন এবং এ রকম আরও কিছু কাব্যনাটক আমাদের গোটা বাংলা বিস্তারিত…

আনিফ রুবেদের গল্প । টেলিফোন, তেলাপোকা ও পিপাসা

কলম থামিয়ে ফোন রিসিভ করে পুলিশ অফিসারটি। ফোন রেখে দিয়ে বিরক্ত ভঙ্গিতে তার অধস্তন অফিসারটিকে ডাকে আর বলে ‘ছাত্রনেতাটিকে এখানে নিয়ে এসো’। সে চলে গেলে যে কলমটি দিয়ে লিখছিল সে কলমটি আনমনে মুখের ভেতর ঢোকায়। দাঁত দিয়ে মৃদু মৃদু চাপ দেয়। একবার সম্ভবত একটু জোরে চাপ দেয় আর দুর্বল কলমটি ক্কড়্ক্ শব্দে ভেঙে যায়। এসময়ে বিস্তারিত…

রিজোয়ান মাহমুদের পাঁচটি কবিতা

কমার সোহাগ   কমাগুলো দৌড়ে গিয়ে থামাতে গিয়েছে দাড়িগুলো ডেয়ো পিপড়ের মতো কমাগুলো পৃথিবীর বয়স কমছে বলে সারারাত কেঁদেছিল শোক প্রস্তাবের গোপন নথিতে সই করেছিল সেমিকোলন;   আমরা দাড়িতে দাঁড়াতে পারি না কমায় সোহাগ চন্দ্রবিন্দুর শরীর ছুঁয়ে মরা চাঁদ ভেসে গেলে আরো একবার নজরে এসেছে তোমার প্রীণন মুখ সে সব কথারা আজ ক্লান্ত ডায়েরির পাতায় বিস্তারিত…

বিধান সাহার মুক্তগদ্য । তুলসীগঙ্গা

১. নগরে, গ্রাম্যবৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে ঘরে ফেরা হলো। শিস বাজাতে বাজাতে, ‘আমি অল্প নিয়ে থাকতে পারি যদি পাই একটু ভালোবাসা’ গাইতে গাইতে, রিকশা, দ্রুতগতির গাড়ি, ছাতাবৃত মানুষ, এসব পাশ কাটিয়ে কাটিয়ে— আমি ছুটছি— হাওয়ায়— বৃষ্টিতে। এই বৃষ্টি জানে না, একদিন আমিও রাজশাহী গিয়ে ভিজতে চেয়েছিলাম। এই বৃষ্টি জানে না, একদিন আমি আর তারেক উদোম রাস্তায় বিস্তারিত…

নিরমিন শিমেলের গল্প । বেইচ্ছা

`ও বাফো! চিক্টা মাটি দি পাও কেমন ন্যালপা ন্যালপা নাগেছে। বাঁশের পুলত মুই পিছলি যাওছো বাহে।’ প্রায় পনের কিলো ওজনের মাটির ডালা মাথায় নিয়ে বাঁশের সরু সাঁকো দিয়ে খানিকটা এগিয়েই থমকে যায় উলপন। এখনও অনেকটা পথ বাকি। প্রশস্ত খালের ওপর দুটো বাঁশ পাশাপাশি পেতে সাময়িকভাবে তৈরি পারাপারের অস্থায়ী ব্যবস্থা। উলপনের ভীত দৃষ্টি নিচে থমকে যায়। বিস্তারিত…

শহীদ কাদরীর জন্যে… । টোকন ঠাকুর

যা দোষ, তাই তার অহঙ্কার। কবিতার। কবি দোষী এবং অহঙ্কারী। খুব অল্প কিছু মানুষ সেই দোষ মেনে নিয়ে কবির অহঙ্কারকে স্বীকৃতি দিতে ভালোবাসে। যারা বাসে, তারাও কিছুটা দোষী, অহঙ্কারী। দোষ, ভাষাভিত্তিক মুখের কয়েকটা শব্দ এসে রচিত হলো যেই একটা বাক্য, সেই বাক্য ক্ষুরধার, সেই বাক্য ইন্দ্রধনুর মেঘডম্বুরু। সেই বাক্যে অনুভূতির মাইল-মাইল লম্বা কোনো রাস্তা, সেই বিস্তারিত…

সেলিনা শেলীর কবিতা

প্রত্ননারী   দিগন্তের দীর্ঘরেখা ধরে উড়ে যেতে যেতে ভাবছিলাম– তোমার আকাশে এখন শাদাভাত ভোর। তুমি ওমবালিশে মুখ গুঁজে অজন্তা ইলোরার মতো কোনও এক ধোঁয়াশায় হেঁটে যেতে যেতে ভাবছো জীবনের প্রবহমানতা। মুগ্ধতার আঙুলে লাগা টেরাকোটার লালচে ধুলোয় কপালের টিপ রাঙিয়েছো। মূলত তুমিও ধোঁয়াশা– প্রাগৈতিহাসিক চিহ্নের মতো। তোমার দরোজাগুলো, জানালাগুলো খোলা না বন্ধ– আলো না অন্ধকার পর্দা বিস্তারিত…