অক্টোবর ১৭, ২০১৭ ৫:২৭ অপরাহ্ণ

Home / জাতীয় / ময়মনসিংহে খুঁটিতে বেঁধে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

ময়মনসিংহে খুঁটিতে বেঁধে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

সাহেব-বাজার ডেস্ক :  ময়মনসিংহের গৌরীপুরে খুঁটিতে বেঁধে সাগর মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুরের গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারির কাশবন থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ময়মনসিংহ শহরের নাটঘরলেন সংলগ্ন রেলওয়েবস্তি বাসিন্দা মো. শিপন মিয়ার ছেলে। সোমবার মৎস্য কেন্দ্রের পাম্প চুরির অভিযোগে তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ভোরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলাধীন চরশিরামপুর এলাকার গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারিতে চোর সন্দেহে সাগর নামের ওই কিশোরকে আটক করা হয়। এরপর হ্যাচারির মালিক আক্কাস আলী ও কর্মচারী কাইয়ুমসহ তার লোকজন ওই কিশোরকে টেলিফোনের খুঁটির সাথে বেঁধে নৃশংসভাবে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এক র্যায়ে সাগর অজ্ঞান হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে চরশ্রীরামপুরের হামেদ আলীর ছেলে আহাম্মদ আলীর (৩৫) অটোরিকসাযোগে ময়মনসিংহের দিকে রওনা হয়। অটোরিকসাটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলার সাহেবকাচারি এলাকায় পৌঁছতেই সাগর মারা যায়। এরপর ওই কিশোরের লাশ নিয়ে গুম করে ফেললে সোমবার সারাদিন লাশ নিয়ে ধুম্র্রজালের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর আক্কাছ আলী ও তার স্বজনরা পালিয়ে যায়।

বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরের কোনো সন্ধান পায়নি। ঘটনার পর থেকে গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারির অফিসে তালা ঝুলছে। হ্যাচারির মালিক আক্কাছ আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আক্কাছ আলীর স্ত্রী শিউলী আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তাদের মৎস্য খামারে এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা তিনি শোনেননি।

ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে অপরিচিত এক ব্যক্তি পরিচয় গোপন রেখে ওই কিশোরের লাশ হ্যাচারির কাশবনে ফেলে রাখা হয়েছে বলে জানায়। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

নিহত কিশোরের বাবা মো. শিপন মিয়া জানান, ত্রিশ বছর ধরে ময়মনসিংহ শহরের নাটকঘর লেন সংলগ্ন রেললাইন এলাকার বস্তিতে বসবাস করছেন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে মধ্যে সাগর দ্বিতীয়। সংসারের অভাব অনটনের জন্য তিনি ফেরিওয়ালা ও ছেলে সাগর ভাঙ্গারির ব্যবসা করে। দু’জনের আয় দিয়ে তাদের সংসার চলে। সাগর গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে বাসায় ফিরেনি। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ তাদের বাসায় খবর দেয় ছেলে মারা গেছে।

গৌরীপুর থানার এসআই আসাদ জানান, নিহত কিশোরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হ্যাচারির মালিক ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন।

গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ জানান, এ ব্যাপারে আক্কাস আলীসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ১২/১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন সাগরের বাবা শিপন মিয়া। আসামীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান চলছে।ময়মনসিংহের গৌরীপুরে খুঁটিতে বেঁধে সাগর মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুরের গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারির কাশবন থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ময়মনসিংহ শহরের নাটঘরলেন সংলগ্ন রেলওয়েবস্তি বাসিন্দা মো. শিপন মিয়ার ছেলে। সোমবার মৎস্য কেন্দ্রের পাম্প চুরির অভিযোগে তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ভোরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলাধীন চরশিরামপুর এলাকার গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারিতে চোর সন্দেহে সাগর নামের ওই কিশোরকে আটক করা হয়। এরপর হ্যাচারির মালিক আক্কাস আলী ও কর্মচারী কাইয়ুমসহ তার লোকজন ওই কিশোরকে টেলিফোনের খুঁটির সাথে বেঁধে নৃশংসভাবে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এক র্যায়ে সাগর অজ্ঞান হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে চরশ্রীরামপুরের হামেদ আলীর ছেলে আহাম্মদ আলীর (৩৫) অটোরিকসাযোগে ময়মনসিংহের দিকে রওনা হয়। অটোরিকসাটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলার সাহেবকাচারি এলাকায় পৌঁছতেই সাগর মারা যায়। এরপর ওই কিশোরের লাশ নিয়ে গুম করে ফেললে সোমবার সারাদিন লাশ নিয়ে ধুম্র্রজালের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর আক্কাছ আলী ও তার স্বজনরা পালিয়ে যায়।

বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরের কোনো সন্ধান পায়নি। ঘটনার পর থেকে গাউছিয়া মৎস্য হ্যাচারির অফিসে তালা ঝুলছে। হ্যাচারির মালিক আক্কাছ আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আক্কাছ আলীর স্ত্রী শিউলী আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তাদের মৎস্য খামারে এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা তিনি শোনেননি।

ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে অপরিচিত এক ব্যক্তি পরিচয় গোপন রেখে ওই কিশোরের লাশ হ্যাচারির কাশবনে ফেলে রাখা হয়েছে বলে জানায়। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

নিহত কিশোরের বাবা মো. শিপন মিয়া জানান, ত্রিশ বছর ধরে ময়মনসিংহ শহরের নাটকঘর লেন সংলগ্ন রেললাইন এলাকার বস্তিতে বসবাস করছেন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে মধ্যে সাগর দ্বিতীয়। সংসারের অভাব অনটনের জন্য তিনি ফেরিওয়ালা ও ছেলে সাগর ভাঙ্গারির ব্যবসা করে। দু’জনের আয় দিয়ে তাদের সংসার চলে। সাগর গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে বাসায় ফিরেনি। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ তাদের বাসায় খবর দেয় ছেলে মারা গেছে।

গৌরীপুর থানার এসআই আসাদ জানান, নিহত কিশোরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হ্যাচারির মালিক ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন।

গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ জানান, এ ব্যাপারে আক্কাস আলীসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ১২/১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন সাগরের বাবা শিপন মিয়া। আসামীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান চলছে।

এসবি/এসএস

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণের ফলে বিশ্ব গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘নিউ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *