অক্টোবর ২২, ২০১৭ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ

Home / slide / আজ বিশ্ব নদী দিবস পালিত হচ্ছে বাংলাদেশেও

আজ বিশ্ব নদী দিবস পালিত হচ্ছে বাংলাদেশেও

সাহেব-বাজার ডেস্ক : আজ বিশ্ব নদী দিবস। নদী সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার দিবসটি পালন করা হয়। সেই হিসাবে এ বছর আজ ২৪ সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার।

১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার বিশ্ব নদী দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে ব্রিটিশ কলম্বিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। এরপর ২০০৫ সাল থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা দিবসটি পালন করছে।

বিশ্ব নদী দিবসের প্রতিপাদ্য দেশ অনুযায়ী ঠিক করা হয়। বাংলাদেশে এ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে ‘রিভারাইন পিপল’ নামের একটি সংগঠন। বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে সংস্থাটি এ দিবস পালন করে আসছে।

বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে নদী, পানি ও পরিবেশ নিয়ে সক্রিয় বিভিম্ন সংগঠন ২০১৪ সাল থেকে ‘নদীর জন্য পদযাত্রা’ আয়োজন করে আসছে। এ ছাড়াও নদী দিবসে বিভিম্ন সংগঠনের একক আয়োজনও থাকে।

এখন অনেকে জানেন, নদীকর্মী মার্ক অ্যাঞ্জেলোর উদ্যোগে কানাডায় ১৯৮০ সালে প্রথম দিবসটি পালিত হয়। ক্রমে বিশ্বের অন্যান্য অংশে দিবসটি সম্প্রসারিত হয়।

জাতিসংঘ ২০০৫ সালে দিবসটি ‘এনডোর্স’ বা অনুসমর্থন করে। বাংলাদেশে প্রথম দিবসটি পালিত হয় ২০১০ সালে ‘রিভারাইন পিপল’-এর উদ্যোগে। ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা ও বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার এবং পরবর্তীকালে অন্যান্য সংগঠন দিবসটি পালনে যোগ দেয়।২০১৭ সালে গঠিত হয় ‘বিশ্ব নদী দিবস সমল্প্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ’।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলো আজ নানামুখী অত্যাচারে চরম বিপর্যয়ের শিকার। যেন নদীর জন্য এ দেশে কেউ নেই। বরং নদী নিয়ে ব্যবসা করা, নদী দখল ও হত্যা করে তা থেকে আর্থিক ফায়দা লোটা, অপ্রয়োজনীয়, বিজ্ঞানবিরোধী, ভুল ও ধ্বংসাত্মক নীতি গ্রহণ করে ও প্রকল্প বানিয়ে তার সুবিধা ভোগ করা হয়েছে। মৃত নদীর ওপর চলছে বাড়িঘর নির্মাণ। ফলে বাংলাদেশের অনেক নদী ইতিমধ্যেই দখল-দূষণ ও প্রকল্পজনিত কারণে বিনষ্ট হয়েছে, এমনকি কোথাও কোথাও নিশ্চিহ্ন হয়েছে।

নদী আমাদের ব্যক্তিগত, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য-উম্নয়ন-চলাচল-পরিবহন-অর্থনীতি-রাজনীতি-শিল্প-সাহিত্য-গান-সংস্কৃতির মূল চালিকাশক্তি। তাই নদী যদি বিনষ্ট হয়, তাহলে আমরাও ধ্বংসাত্মক পরিণতির দিকে ধাবিত হবো। সারাবিশ্বের সব দেশই নদীর অভাবে বিপদাপম্ন হবে। নদীমাতৃক বাংলাদেশ আরও বেশি হবে।

নদী রক্ষা আমাদের বেঁচে থাকার ও ভালো থাকার প্রধান চাবিকাঠি। অতএব, নদী রক্ষার কাজ আমাদের সাময়িক কোনো কাজ নয়, প্রতিদিনের কাজ ও অবশ্যকরণীয়। স্বাধীনতা আন্দোলনে জনপ্রিয় শ্লোগান ছিল “তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা-মেঘনা যমুনা”। স্বাধীন বাংলাদেশে সেই ঠিকানা হারিয়ে  যেতে পারে না।

এসবি/ আরএ

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

ঢাকায় এসেছেন সুষমা স্বরাজ

সাহেব-বাজার ডেস্ক : দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। রোববার দুপুর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *