সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৭ ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

Home / জীবনশৈলী / নিয়মিত বডি স্প্রে ব্যবহারে ডেকে আনছে বিপদ

নিয়মিত বডি স্প্রে ব্যবহারে ডেকে আনছে বিপদ

সাহেব-বাজার ডেস্ক : গরমে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেতে প্রায় প্রত্যেকেই বডি স্প্রে বা ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন। আম আদমির এ নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে উঠেছে। কিন্তু প্রতিদিন এই কাজ করার ফলেই কি একটু একটু করে বেড়ে চলেছে ক্যানসারের সম্ভাবনা? অন্তত সাম্প্রতিক সমীক্ষা সে ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

ব্রেস্ট ক্যানসারের কারণ খুঁজতে গিয়েই কাঠগড়ায় উঠেছে বডি স্প্রে বা ডিওডোরেন্ট। দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ ক্যানসারই ধরা পড়ছে স্তনের উপরিভাগে। বা বাঁ-দিকের আর্মপিটে। ২০টির মধ্যে আঠেরোটি ক্ষেত্রেই এই জিনিস ধরা পড়েছে। এবং সেই টিউমারের নমুনা সমীক্ষা করে মিলেছে ‘প্যারাবেন’ নামে এক ধরনের রাসায়নিকের। এই রাসায়নিকই ক্যানসারের জন্য দায়ী। যা যথেচ্ছভাবে পাওয়া যায় ডিওডোরেন্টে। মলিকিউলার বায়োলজিস্ট ডঃ ফিলিপ্পি দরব্রে এই নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করেছেন। আর তাতেই উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

জানা যাচ্ছে, বেশিরভাগ বডি স্প্রে ও ডিওডোরেন্টে প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই রাসায়নিক। যা শরীরের কোষ শোষণ করে নেয়। দিনে দিনে তা ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। ব্রেস্ট ক্যানসারের কেস স্টাডি করতে গিয়েই এ জিনিস নজরে আসে। কেন স্তনের উপরিভাগেই ক্যানসার থাবা বসায়? কেনই বা বাম আর্মপিটে আক্রমণ বেশি হয়? উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এর নেপথ্যে আছে বডি স্প্রে-র ব্যবহার। যেহেতু বেশিরভাগ মানুষই ডানহাতি, সে কারণে বাঁদিকে বডি স্প্রে-র প্রয়োগ হয় বেশি। এছাড়া বুকের উপরিভাগেও অনেকে ডিওডোরেন্ট প্রয়োগ করেন। তাই শরীরের ওই অংশের কোষই এই রাসায়নিক শোষণ করে। তাই ওই অংশেই ক্যানসারের প্রকোপ বেশি। এছাড়া ডিওডোরেন্টে অ্যালুমিনিয়াম থাকে, যা ক্যানসারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নারীদের ব্যবহৃত যে কোনও প্রসাধনী দ্রব্যেই এমন সব রাসায়নিক থাকে যা ক্যানসারের কারণ হয়ে ওঠে। ক্রমাগত এই ধরনের কসমেটিকসের ব্যবহারে ত্বক ক্যানসার হতে পারে। তাই প্রাকৃতিক জিনিস দিয়েই রূপচর্চার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

মনের জোড় বাড়ে চুড়ি-বালায়

সাহেব-বাজার ডেস্ক : নারীদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কালের নিয়মে নানা অলঙ্কার জায়গা করে নিয়েছে তাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *