সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৭ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ

Home / slide / একাদশ নির্বাচনে ১৫ আসন চায় ওয়ার্কার্স পার্টি
একাদশ নির্বাচনে ১৫ আসন চায় ওয়ার্কার্স পার্টি
ফজলে হোসেন বাদশা

একাদশ নির্বাচনে ১৫ আসন চায় ওয়ার্কার্স পার্টি

সাহেব-বাজার ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমপক্ষে ১৫টি আসন চায় ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি। জোটের শরিক হিসেবে এমনটা তাদের প্রত্যাশা। তবে দলীয় প্রতীক, না-কি নৌকা নিয়ে দলের প্রার্থীরা লড়বেন তার সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। জাতীয় একটি দৈনিককে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা একথা জানান।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এখনো এক বছরের বেশি সময় বাকি। তবে আগেভাগেই আলোচনায় আসছে আগামী সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের বৃহৎ শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির অবস্থান কী হবে। ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘আমরা দেশের অত্যন্ত প্রতিকূল মুহূর্তে জোটের একটি অংশীদার হিসেবে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন করেছিলাম। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলে দেশের সংবিধান, দেশের গণতন্ত্র, আজকের সরকারের ক্ষমতায় থাকা কোনো কিছুই বাস্তব রূপ লাভ করত না। সেই প্রতিকূল অবস্থায় আমরা মাঠে থেকে নির্বাচন করেছিলাম বলেই আজকে সংসদে আমরা ৭টি আসন পেয়েছি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দুটি আসন ছিল আমাদের। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এখন ৭টি আসনের নিচে নেমে আসার কি কোনো কারণ আছে?’ তিনি বলেন, ‘ওয়ার্কার্স পার্টি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে যে দায়-দায়িত্ব পালন করেছে, তাতে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে আমাদের ভূমিকা ছিল একেবারে নিরবচ্ছিন্ন। প্রত্যেক এমপি তার নিজ এলাকার কর্মকাণ্ড এবং এই সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছেন। সে কারণে আগামী নির্বাচনে আমরা ১৫টি আসন চাই।’ বিএনপি নির্বাচনে এলে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রত্যাশিত আসনগুলোতে কোনো প্রভাব পড়বে না দাবি করে এই নেতা বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনী লড়াইয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির জন্য কোনো এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ না। বরং কোনো এলাকায় ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী থাকাটা বিএনপির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচনী এলাকায় কাজ করেছি। তবে দলীয় প্রতীক, না-কি নৌকা নিয়ে আগামীর নির্বাচন তা নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় এই নীতি নির্ধারক বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে আমরা নৌকা প্রতীক নিয়েছিলাম, তখন একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নিয়েছিলাম। বলা হয়েছিল জোটের প্রতীক হোক নৌকা, যাতে সবাই একটা প্রতীকে নির্বাচন করে আমরা বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারি। গতবারও সেগুলোতে সমঝোতা হয়েছিল, সেগুলোতে আমাদের নৌকা দেয়া হয়েছিল। তারপরেও আমরা নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করি। দুটি আসনে আমরা নিজস্ব প্রতীকে জিতে আসি। আগামী সংসদ নির্বাচন কী প্রতীকে হবে, তা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা হবে। এক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে এমন কোনো চিন্তা নেই যে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করব না বা হাতুড়ি প্রতীকে নির্বাচন করব। এটা জোটের মূল দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে বেশি দুর্নীতি : দুদক কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেশি দুর্নীতি হয় বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *