ডিসেম্বর ১৩, ২০১৭ ৫:২১ অপরাহ্ণ

Home / slide / জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব । মনোজিৎকুমার দাস
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব । মনোজিৎকুমার দাস
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব । মনোজিৎকুমার দাস

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব । মনোজিৎকুমার দাস

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় হুমকি জলবায়ু পরিবর্তন ও তার বিরূপ প্রভাব। এক সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল, জলভাগ, স্থলভাগ প্রাণী ও উদ্ভিদের বসবাসযোগ্য ছিল না।  পৃথিবী প্রাণী ও উদ্ভব  জীবনধারণের  উপযোগী হতে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর কেটে যায়। প্রথমে পৃথিবীতে উদ্ভিদ জগতের সৃষ্টি হয়, পরে এক সময় প্রাণীজগতের উদ্ভব ঘটে। প্রাণীজগতের মধ্যে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম জীব মানুষের আর্বিভাব ঘটে।ক্রমবিবর্তনের ধারায় মানুষ পৃথিবীকে তাদের জন্য বাসযোগ্য করে গড়ে তোলে। কিন্তু পৃথিবীর  জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবী বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়তে থাকে নানা কারণে। এই কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম ভূমণ্ডলের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা- প্রাকৃতিক কারণ ও মনুষ্য সৃষ্ট কারণ। প্রাকৃতিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ সূর্যের শক্তি উৎপাদনে হ্রাস-বৃদ্ধি, মহাসাগরের উত্তাপ শক্তির পরিবর্তন, সমুদ্র ¯্রােতের পরিবর্তন, মহাদেশসমূহের স্থান পরিবর্তন, আগ্নেয়গিরির দূষণ, বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে এলনিনো ও লানিনা এর প্রভাব ইত্যাদি।

মনুষ্য সৃষ্ট কারণÑ শিল্প বিপ্লবের পর উনিশ শতকের সূচনালগ্ন থেকে জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন, কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া, বন উজার, জৈবিক পচন, কৃষিক্ষেত্রে সার ও কীটনাশকের অযাচিত ব্যবহারসহ বহুবিধ কারণে বায়ুমণ্ডলের ওজনের স্তর বিপর্যস্ত হওয়া এবং  বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস বিশেষ করে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস-অক্সাইড, সিএফসি গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় সূর্য থেকে আগত তাপ রশ্মিকে পুনরায় মহাকাশে প্রতিফলিত হওয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে, ফলে পৃথিবী ক্রমাগত উষ্ণ হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করলে পৃথিবীকে কিছুটা হলেও ক্রমাগত উষ্ণতাকে হ্রাস করা যেত।

ইন্টার গভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (আইপিসিসি) তথ্যানুযায়ী জলবায়ুর পরিবর্তনে ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা  বাড়লে  অসম বৃষ্টিপাত ঘটে। আইপিসিসির ৫ম সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির ফলে ফসল উৎপাদন, পানির প্রাপ্যতা, জীববৈচিত্র্য তাপপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি, উপকূলীয় জলোচ্ছ্বাস, বরফগলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি প্রভাব পড়ে। বিশ্ব গড় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন প্রজাতির বিলুপ্তিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশংকা দেখা দেয়। ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা একবিংশ শতাব্দীর শেষে ১.৫ ডিগ্রি  সেলসিয়াস অতিক্রম করবে ও বিশ্ব পানিচক্রে অসমতা পরিলক্ষিত হবে বলে তারা আশংকা করছেন। এই আশংকা থেকে কোনো দেশই মুক্ত নয়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সামগ্রিকভাবে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের কৃষি তথা সার্বিক জীবনযাত্রার ওপর। ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যার আধিক্য, আর্থসামাজিক অবস্থার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বিপদাপন্ন দেশ হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমানে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, আবহাওয়াবিদ, জলবায়ু বিষয়ক বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদরা সবাই পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সম্বন্ধে শংকিত ও ভাবিত। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ বিষয়ে নানা সভাসমিতি, আলোচনা, মতবিনিময় ও পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মুক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সচেতন হচ্ছেন।

এখানে বলে রাখা ভাল, পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে পড়ার কারণ খুঁজতে গেলে আমাদের বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের প্রতি দৃষ্টিপাত করা একান্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থাকার কারণে ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ সব সময়ই বিপদাপন্ন। বাংলাদেশ আসলে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন একটি বদ্বীপ। বাংলাদেশের কৃষি মূলত আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃতি নির্ভর হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মাত্রাও কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি।

ইউএনডিপি এর পর্যবেক্ষণ ও গবেষণালব্ধ জরিপের আলোকে  বাংলাদেশকে চিহ্নিত করেছে বিশ্বের এক নম্বর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সাইক্লোনপ্রবণ এবং ষষ্ঠতম বন্যাপ্রবণ দেশ হিসেবে। বাংলাদেশকে এক সময় নদীমাত্রিক দেশ বলা হতো। আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে অসংখ্য নদী বয়ে গেলেও এখন নদীগুলো পুরোপুরি নাব্য হারিয়েছে। ফলে নদীর জনযান চলাচলের বিপর্যস্ত হয়েছে, মৎস্য সম্পদ হারিয়ে গেছে। সেচের কাজে নদীর পানি ব্যবহার বিপর্যস্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন হওয়ায় সমুদ্রের উষ্ণায়ন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে টর্নেডো, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাসের প্রাদুর্ভাব ও মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় এলাকায় জনগণ প্রতি বছরই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে এবং জানমালের বিপুল ক্ষতি হয়। প্রসঙ্গক্রমে বলতে যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপতার কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ২০০৭ সালের  ১৫  থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় সিডর  এবং  ২০০৯ সালে মে মাসের আইলায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা যেতে পারে।  সিডরের আঘাতে নভেম্বর ১৮ তারিখ রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সরকারি ভাবে ২,২১৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। অন্যদিকে, ২০০৯ সালের আইলার আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের পটুয়াখালি, বরগুনা, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীর হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

বৃষ্টিপাতের অসমতা, বন্যা, ভূমিক্ষয়, জলাবদ্ধতা, শুষ্ক মৌসুমে অনাবৃষ্টি, খরা, টর্নেডো, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাসের প্রাদুর্ভাব ও মাত্রা বৃদ্ধি, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, শীত মৌসুমে হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, আকস্মিক বন্যা ইত্যাদি এ দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে ক্রমাগত বিপর্যস্ত করে তুলছে, যা মানবকল্যাণ ও জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবনযাত্রা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মানুষের মৃত্যু, কৃষিজমি ও পুকুরের পানি লবণাক্ত হওয়ার বিবরণ সংক্ষেপে তুলে ধরলে উপলব্ধি করা যায় জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতাকে। আইলার প্রভাবে নিঝুম দ্বীপ এলাকার সকল পুকুরের পানিও লবণাক্ত হয়ে পড়ে। খুলনা ও সাতক্ষীরায় ৭১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়। ফলে তলিয়ে যায় খুলনার দাকোপ ও কয়রা এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন লোনা পানিতে তলিয়ে যায়। ৭৬ কিলোমিটার বাঁধ পুরোপুরি এবং ৩৬২ কিলোমিটার বাঁধ আংশিকভাবে ধসে পড়ে। আইলা ঘূর্ণিঝড়ের এক বছর পর পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ থেকে জানা যায়, প্রায় ২,০০,০০০ একর কৃষিজমি লোনা পানিতে তলিয়ে যায়। ৯৭ হাজার একরের আমন ক্ষেত সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়। অন্যদিকে, কাজ হারায় প্রায় ৭৩,০০০ কৃষক ও কৃষি-মজুর। পানীয় জলের উৎস সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। খুলনা ও সাতক্ষীরায় প্রাণ হারায় প্রায় ১৯৩ জন মানুষ। জলোচ্ছ্বাস ও লোনা পানির প্রভাবে, গবাদি পশুর মধ্যে কমপক্ষে ৫০০ গরু ও ১,৫০০ ছাগল মারা যায়। আইলার দীর্ঘ মেয়াদি বিরূপ প্রভাব পড়ে আক্রান্ত এলাকায়, ঘূর্ণিঝড়ের কয়েক মাস পর থেকে এলাকাগুলোয় গাছপালা মরতে শুরু করে ও বিরানভূমিতে পরিণত হয়। কমপক্ষে প্রায় ৩,০০,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। ২,৪৩,০০০ ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ষড়ঋতুর বাংলাদেশের ঋতুবৈচিত্র্যতা মাঝে বৈপরিত্য দেখা দিয়েছে। আগের দিনে বাংলাদেশে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত ঋতুর স্ব স্ব বৈশিষ্ঠ্য পরিলক্ষিত হতো। বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য মাসে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি হতো, প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটতো আষাঢ় শ্রাবণ মাসে, শরত, হেমন্ত ও বসন্তকালে আবহাওয়া থাকতো সহনীয় এবং শীতকলে প্রচণ্ড শীতের প্রাদুর্ভাব ঘটতো। বর্তমানে বাংলাদেশকে ষড়ঋতুর দেশ বলা চলে না। এখন আবহাওয়ার মৌসুমী অনুষঙ্গ লক্ষণীয় নয়। সাম্প্রতিককালে আমাদের আবহাওয়া বঙ্গোপসাগর কিংবা ভারত সাগরের নি¯্নচাপ নির্ভর হয়ে পড়েছে। নিম্নচাপ হলেই যেকোনো ঋতুতেই ঘূর্ণিঝড় হচ্ছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ঋতুচক্র ভেঙে পড়েছে। কোনো বছরে অনাবৃষ্টি, কোনো বছরে অতিবৃষ্টি, কোনো বছরে প্রচণ্ড গরম পড়তে দেখা যায়। কোনো বছরে বেশি শীত ও বেশি বৃষ্টি, আবার কোনো বছরে শীতকালে সম্পূর্ণ বৃষ্টিহীনতার ফলে জনজীবন ও কৃষির উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।

প্রসঙ্গক্রমে, সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির কথা বলা যায়।

বৃষ্টিপাতের অসমতা, বন্যা, ভূমিক্ষয়, জলাবদ্ধতা, শুষ্ক মৌসুমে অনাবৃষ্টি, খরা, টর্নেডো, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাসের প্রাদুর্ভাব ও মাত্রা বৃদ্ধি, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, শীত মৌসুমে হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, আকস্মিক বন্যা ইত্যাদি এ দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে ক্রমাগত বিপর্যস্ত করে তুলছে, যা মানবকল্যাণ ও জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবনযাত্রা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিরূপ পরিস্থিতির সাথে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার সামঞ্জস্য বিধান করে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কৃষিকে মুক্ত রাখা বা ঝুঁকি কমানো, দুর্যোগমুক্ত সময়ে শস্য বহুমুখীকরণ ও ফসলের নিবিড়তা বাড়িয়ে দুর্যোগের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া বিশেষভাবে বিবেচ্য। এ রকম অবস্থায় দেশের খাদ্য ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হলে প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য, উপাত্ত  এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন উপযোগী কলাকৌশল ও সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।

মনোজিৎকুমার দাস  : সাহিত্যিক কলামলেখক।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

ঐতিহাসিক তানোর দিবস আজ

সাইদ সাজু, তানোর : আজ ১১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আদায়ের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *