ডিসেম্বর ১৩, ২০১৭ ৫:২৪ অপরাহ্ণ

Home / slide / আইনের শাসন । রাহাত খান
আইনের শাসন । রাহাত খান
আইনের শাসন । রাহাত খান

আইনের শাসন । রাহাত খান

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পিছিয়ে বাংলাদেশ। সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ভূমি আইন ও ব্যবস্থাপনা’ বিভাগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধান বিচারপতি এসকে সিন্হা এই উক্তি করেছেন। তিনি আরও বলেছেন শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল, ভারত আমাদের উপমহাদেশীয় প্রতিবেশী। এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক ওপরে।

প্রধান বিচারপতি কথাগুলো যথার্থই বলেছেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আশপাশের বহু দেশ থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বটে। তবে বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে কেন পিছিয়ে সেটা প্রধান বিচারপতি সঙ্গত কারণেই ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেননি।

সঙ্গত কারণে বলছি এই যুক্তিতে যে, বাংলাদেশ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কেন পিছিয়ে তা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করতে গেলে ভাল-মন্দের রাজনীতি চলে আসে, অপ্রিয় সত্য কথনের দায় এসে পড়ে, ইতিহাস বিকৃতির প্রসঙ্গ চলে আসে। শুধু বাংলাদেশ বলে নয়, কোন গণতান্ত্রিক দেশের প্রধান বিচারপতিই এসব প্রসঙ্গে কথা বলতে চাইবেন না। বিচার বিভাগকে বিতর্ক ও রাজনীতির উর্ধে রাখার কারণেও।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে যেতে না পারেন, তবে কাউকে না কাউকে তো যেতে হবেই। যেতে হবে বলছি কেন, এই বিষয়ে অতীতে ও বর্তমানে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ যথেষ্ট হয়েছে এবং হয়ে চলেছে। আমি আমার অধীত অভিজ্ঞতা, ইতিহাসকে কাছে থেকে দেখার সুবাদে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উত্থাপিত বিষয়টির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করতেই পারি। বক্ষ্যমাণ নিবন্ধে সেই চেষ্টাই আমি করতে চাই।

বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হওয়ার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাড়ে তিন বছরের কাছাকাছি সময় দেশ শাসনের সুযোগ পান। ১৯৭৫ সালের আগে পর্যন্ত সামান্য কিছু সময় ছাড়া সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারায় দেশ পরিচালিত হয়েছিল। এই সময় দেশ পরিচালিত হচ্ছিল আইনের শাসনের ধারায়ই। তবে রাতারাতি তো যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশকে আইনের শাসনের স্বর্গরাজ্য করে তোলা যায় না। বঙ্গবন্ধু এবং তার সরকারের অনিচ্ছাকৃত কারণেও কোন কোন ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটেছে। যেমন সিরাজ শিকদারের হত্যাকা-। সিরাজ শিকদার নিজে ছিলেন উগ্র বামপন্থীর ছদ্মাবরণে নির্মম এক খুনী। তার এক স্ত্রীর নাম ছিল জাহানারা হাকিম। বিপ্লবের টানে সিরাজ শিকদারের দলে যোগ দিয়েছিল এই সুন্দরী বিদুষী নারী। পরে সিরাজ শিকদার তাকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে আমার পরিচয় ও খানিকটা বন্ধুত্ব হয় অবজারভার সংবাদপত্র গোষ্ঠীর অফিসের প্রায় লাগোয়া প্রখ্যাত সাহিত্য-মাসিক সমকালের অফিসে। তিনি সে সময় হতাশ। স্বপ্নভঙ্গের যাতনায় ভুগছিলেন। তিনি ইসমাইল মোহাম্মাদ (উদয়ন ভাই), আইনজীবী সেলিমসহ আমাদের কাউকে কাউকে বলেছেন খুন-নির্যাতনসহ হেন অপরাধ নেই যা সিরাজ শিকদারের দ্বারা সংঘটিত হয়নি। শেষদিকে দলের বেশিরভাগ লোক গোপনে তার বিরুদ্ধে চলে যায়। পুলিশের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা শিকদারের এক ঘনিষ্ঠ সাগরেদই তাকে ধরিয়ে দেয়।

কথাগুলো আমি বলছি সত্য কথনের দায় থেকে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, খুনী-নির্যাতনকারী অপবাদে জাহানারা হাকিম যাকে অভিহিত করেছিলেন, যাকে বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং পরে একটা খোঁড়া অজুহাতে হত্যা করে, সেটা কিছু ন্যায়-কর্ম হয়েছিল। বরং অনেকের সঙ্গে আমারও অভিমত এই যে, সিরাজ শিকদার যা-ই ছিলেনÑ আইনের শাসনের ধারায় যথাযথভাবে তার বিচার করা উচিত ছিল। তবে এই সূত্র ধরে আইনের শাসনের ক্ষেত্রে যারা বঙ্গবন্ধুকে দায়ী করেন তাদের সঙ্গে আমি একমত নই। বঙ্গবন্ধু তাঁর চরম শত্রুর প্রতিও কখনও বিদ্দিষ্ট ছিলেন না। আইনের শাসনের ধারায় তাঁর পরিপূর্ণ আস্থা ছিল। তাঁর সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সাত ছাত্র খুনের একটা নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনার পক্ষ-প্রতিপক্ষ দুই-ই ছিল তাঁর দল আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন, ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য। আসামিদের মধ্যে ছিল ছাত্রলীগের ‘প্রবল পরাক্রান্ত’ সভাপতি থেকে শুরু করে সংগঠনের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ পদধারী ছাত্র।

একুশ বছর বাংলাদেশে আইনের শাসন বলতে কিছুই ছিল না। বেড়ে যাচ্ছিল বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি। খুনী খুন করে রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়ে দিব্যি পার পেয়ে যেত। দুই সমর শাসক খুবই ‘কৃতিত্বের’ সঙ্গে বিচারহীনতার অপসংস্কৃতিকে প্রাণ-দান করে যাচ্ছিল, ভাষা দিয়ে যাচ্ছিল। মাননীয় প্রধান বিচারপতির আইনের শাসনে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকার যে দুঃখ তা অনুধাবন করি বলেই গোটা পরিপ্রেক্ষিত অতি সংক্ষেপে, প্রায় সাঙ্কেতিক ভাষায় বর্ণনা করতে হলো

বঙ্গবন্ধু তাঁর সরকারের হয়ে এই নৃশংস ঘটনায় দ্রুত বিচার চেয়েছিলেন দ্বিধাহীন চিত্তে। এই ঘটনার বিচারও হয়েছিল। অপরাধীদের যাবজ্জীবন থেকে বিভিন্ন মেয়াদের দণ্ড হয়েছিল। যাবজ্জীবন-প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতিও। বঙ্গবন্ধু আইনের প্রতি, আইনের শাসনের প্রতি পরিপূর্ণভাবে আস্থাশীল ছিলেন। হ্যাঁ, তাঁকে তাঁর শাসনামলের শেষের দিকে বাকশাল গঠন করতে হয়েছিল। বাকশাল একদলীয় নয়, বহুদলীয় একক একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা। সেটা আইনের শাসনের মধ্যে পড়ে না। তবে কোন্ অবস্থায়, কোন্ পরিপ্রেক্ষিতে, রাষ্ট্রীয় কোন্ স্বার্থরক্ষায় তাঁকে বাকশাল পত্তন করতে হয়েছিল সেটা যথাসময় ব্যাখ্যার চেষ্টা করব। আজ নয়।

প্রধান বিচারপতি এসকে সিন্হা বলেছেন আইনের শাসন প্রবর্তনে বাংলাদেশ উপমহাদেশীয় প্রায় সব ক’টি দেশ থেকে পিছিয়ে আছে। যথার্থই বলেছেন, এতে সন্দেহ কি! বিরোধীদলীয় সব রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, কলামনিস্ট সবাই দেশে আইনের শাসন চাইছেন। চাইবেন না কেন? এটি তো মানুষের অধিকারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বর্তমান নিবন্ধকারও তাদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে দেশে আইনের শাসন চায়।

তবে এতদিন দেশে আইনের শাসনের ধারা কেন ৪৬ বছরের মধ্যে ৩১ বছর মুখ থুবড়ে পড়েছিল, কেন বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি পরিপুষ্ট হয়েছে দিন কে দিন, সেটাও আমলে নেয়া দরকার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল নাকি বাকশালের ‘একদলীয় ব্যবস্থার’ নাগপাশ থেকে উদ্ধার করে দেশ ও সমাজে গণতন্ত্র, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য! এর চেয়ে নির্মম-নিষ্ঠুর রাজনৈতিক পরিহাস বোধকরি পাকিস্তান ছাড়া বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে আর কোথাও পাওয়া যাবে না।

বঙ্গবন্ধুর নির্মম-নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের পর আট মাসে মেজর থেকে মেজর জেনারেল হয়ে যাওয়া যে কালো চশমাধারী ব্যক্তি যথাসময়ে ক্ষমতার দৃশ্যপটে উদিত হয়েছিলেন, তিনি দেশে গণতন্ত্র হত্যা ও আইনের শাসনকে গলা টিপে হত্যার দীর্ঘমেয়াদী এক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যাপৃত হয়েছিলেন। বাহুবলে ক্ষমতায় এসে প্রথমে দেশকে আবার পাকিস্তানী ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন। সংবিধানে হস্তক্ষেপ করে বাঙালী জাতীয়তাবাদ বা অসাম্প্রদায়িকতা এবং সমাজতন্ত্রের বিধান বাতিল করে দিলেন। দীর্ঘ আঠারো-উনিশ বছরের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং বর্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে রাজনীতিতে আমাদের যা কিছু উজ্জ্বল তা ধ্বংস করে দিলেন এই কালো চশমাধারী জেনারেল।

ক্ষমতায় ছিলেন সাড়ে ছয় বছর। এর মধ্যে সংবিধান লঙ্ঘন থেকে শুরু করে আইনের শাসনকে টুঁটি চেপে ধরার যা কিছু নিন্দিত ও অনাবিষ্কৃত কার্যক্রম আছে সবই তিনি করেন। ইনডেমনিটি বিলকে তার পকেটে থাকা পার্লামেন্ট দিয়ে আইনে পরিণত করলেন। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবার হত্যাকারী আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার করা যাবে না। এই হচ্ছে সেই আইন! এটা কোন আইন হতে পারে? কালো চশমাধারী জেনারেল এই রকম গণতন্ত্র, ন্যায় ও সত্য বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে তার আমল থেকেই শুরু হয় আইনের শাসন সর্বপ্রযত্নে প্রতিহত করা এবং বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি দিনে দিনে পরিপুষ্ট করে তোলার কার্যক্রম। পরবর্তী সামরিক শাসক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আর যা-ই করুন তা বাস্তবায়নে খুব একটা উৎসাহী বা সক্রিয় ছিলেন না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে আটক বাঙালী সেনা ও কর্মকর্তাদের বিশ্ব নেতাদের বহু ধরাধরি করে শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন। তাদেরই একটা বড় অংশ বোধকরি বঙ্গবন্ধুর প্রতি ‘কৃতজ্ঞতা’ জানাতেই একুশ বছর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী দল আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বাইরে রাখার ষড়যন্ত্রে কালো চশমাধারী জেনারেল এবং তার পরবর্তী সমর একনায়ককে ‘আন্তরিক’ সাহায্য-সহযোগিতা করে গিয়েছিলেন।

একুশ বছর বাংলাদেশে আইনের শাসন বলতে কিছুই ছিল না। বেড়ে যাচ্ছিল বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি। খুনী খুন করে রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়ে দিব্যি পার পেয়ে যেত। দুই সমর শাসক খুবই ‘কৃতিত্বের’ সঙ্গে বিচারহীনতার অপসংস্কৃতিকে প্রাণ-দান করে যাচ্ছিল, ভাষা দিয়ে যাচ্ছিল। মাননীয় প্রধান বিচারপতির আইনের শাসনে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকার যে দুঃখ তা অনুধাবন করি বলেই গোটা পরিপ্রেক্ষিত অতি সংক্ষেপে, প্রায় সাঙ্কেতিক ভাষায় বর্ণনা করতে হলো।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দ্বিতীয় সমর একনায়কের পতনের পর সাধারণ নির্বাচনে জিতে বেগম খালেদা জিয়া পাঁচ বছর ক্ষমতাসীন থেকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি সাধন করেছিলেন। তবে তার পরবর্তী সময়ে ২০০১-২০০৬ সালে শাসন ক্ষমতায় থাকার সময়টায় আইনের শাসন কায়েম ও বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি নিরসনে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া তো হয়ইনি, বরং রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ পালন-পোষণে সময়টা ছিল পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়কার মতোই মহাদুঃশাসন ও বিপজ্জনক একটা ঘৃণ্য অধ্যায়। একটা দেশ বোধহয় নেপথ্যে থেকে হাওয়া দিচ্ছিল। দুঃশাসন, আইনের শাসনের টুঁটি চেপে ধরা, বিচারহীনতার কার্যক্রমের সেটা স্বর্ণযুগ।

আইনের শাসন কায়েম এবং বিচারহীনতার কলঙ্ক অপসারণে বলতে গেলে সাহসী পদক্ষেপ নেয়ার কৃতিত্ব স্বাধীনতার পক্ষের রাজনীতিবিদদের। এই দেশটায় আইনের শাসন প্রবর্তন, সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ দমন; বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি নিরসনে তাদের অন্তর এবং বিবেকের একটা অনিবার্য তাগিদ ছিল বৈকি। কারণ মুক্তিকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করে, তাদের পরাজিত, বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত করে তারা বাংলাদেশকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত করার কালজয়ী গৌরবের অংশীদার। আইনের শাসন প্রবর্তন ও বিচারহীনতাসহ অপসংস্কৃতি নিরসনে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলো কখনও মিলিতভাবে, কখনও পরোক্ষে কাজ করে চলেছে। বর্তমান আমলে আমরা আইনের শাসন চাইছি… আইনের শাসন প্রবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে রোম নগরী একদিনে তৈরি হয়নি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাও রাতারাতি হবে না। যদি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার কিংবা স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক দলের কোয়ালিশন সরকার ক্ষমতায় থাকে, যদি পরবর্তীতে আবারও শাসন-ক্ষমতায় আসতে পারে, তাহলে বহুমুখী উন্নয়নের পাশাপাশি আইনের শাসন কায়েমের ধারাও স্থিতি পাবে।

পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কিভাবে যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে দেশে আইনের শাসন প্রবর্তনে প্রাতিষ্ঠানিক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন, সেই প্রসঙ্গে লেখার ইচ্ছে রইল।

রাহাত খান : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।

 

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

ঐতিহাসিক তানোর দিবস আজ

সাইদ সাজু, তানোর : আজ ১১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আদায়ের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *