ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭ ৮:০০ অপরাহ্ণ

Home / slide / শিক্ষামন্ত্রণালয় জঙ্গিবাদের চাপাতির তলায় পড়েছে । ফজলে হোসেন বাদশা

শিক্ষামন্ত্রণালয় জঙ্গিবাদের চাপাতির তলায় পড়েছে । ফজলে হোসেন বাদশা

মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমৃদ্ধ এক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন; যা শুধু আমাদেরকে না, সমগ্র জাতিকে আলোকিত করেছে। সে কারণে আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তার এই বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি দলিলের মতো আমাদের চলার পথের পাথেয় আকারে কাজ করবে বলে আমি মনে করি।

আমি ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দৃঢ়তা শুধু দেশকে এগিয়ে নিয়েই যায় নি, দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ জঙ্গিবাদকে পরাস্ত করতে যেমন আমাদের সহায়তা করেছে, উন্নয়নের পথ সৃষ্টিতেও তার ভূমিকা অনন্য এবং তার দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতেই এই অগ্রগতি ঘটেছে। সে কারণে আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থাশীল।

এটা মার্চ মাস। স্বাধীনতার মাস। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। মাত্র একদিন পর ৭ মার্চ। এই দিনে বঙ্গবন্ধু গোটা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে নিয়েছেন।

আজ খবরের কাগজ খুলে দেখলাম প্রধানমন্ত্রী আমাদের অর্থমন্ত্রীকে তীব্র সমালোচনা করেছেন। প্রফেসর ইউনূসের প্রশংসা করার জন্য। আমরা অবাক হয়ে গেলাম যে অর্থমন্ত্রী কেনই বা প্রফেসর ইউনূসের প্রশংসা করতে গেলেন! কি কারণ খুঁজে পেলেন? আমরা এই পার্লামেন্টে এই প্রফেসর ইউনূস সম্পর্কে কতো কথাই না বলেছি! তিনি ষড়যন্ত্র করেছেন। তিনি শুধু ষড়যন্ত্রই করেন নি, তার ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি সুদখোরের চেয়ে আর বেশি কিছু নয়। অতএব, আজ সেই প্রফেসর ইউনূসকে কেন আমরা প্রশংসা করতে গেলাম, আমি জানি না। আমি অর্থমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই— এটা মনে রাখতে হবে যে প্রফেসর ইউনূস মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেন কিনা, তাও আমাদের জানা নেই। আমি কোনোদিন তাকে একবারও শহিদ মিনারে যেতে দেখি নি। অতএব তিনি যদি পাঁচটা নোবেল পুরস্কারও ক্রয় করে নিয়ে আসেন, তাতেও আমাদের কিছু যায় আসে না। কারণ বাঙালি জাতির প্রতি আমি আস্থাশীল। অতএব প্রফেসর ইউনূসকে আমরা কখনো সম্মান জানাতে যাবো না। আমরা ৮ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংগ্রাম করছি, তখন যে ব্যক্তি সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, তার প্রশংসা কেউ করতে পারে আমি বিশ্বাস করতে পারি নি। কিন্তু অর্থমন্ত্রী করেছেন, আমার মনে হয়, তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই করে ফেলেছেন। এটা আবেগপ্রসূতভাবে করে ফেলেছেন। এটা মন থেকে, অন্তর থেকে করেছেন বলে আমার বিশ্বাস হয় না। সেজন্য আমি মনে করি, এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই তিনি একটা পরিষ্কার বক্তব্য দেবেন।

আজ একটা কথা আমার মনে পড়ছে। যখন বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ এবং পদ্মাসেতুতে বিনিয়োগ নেওয়ার কথা উঠেছিলো, তখন এখানে বসে আমি অর্থমন্ত্রীর কাছে একটা প্রশ্ন করেছিলাম— বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে কেন অর্থ নিচ্ছি? তিনি বলেছিলেন— আমার কথাটা এখনও স্পষ্ট মনে আছে— বিশ্বব্যাংক উন্নয়নবান্ধব ও কম সুদে তারা ঋণ দেয়। তারা কোনো শর্ত আরোপ করে না। কিন্তু প্রশ্নের পর মন্ত্রী উত্তর যদি দিয়ে ফেলেন এরপর আর কোনো প্রশ্ন করা যায় না, বিধিমালায় তাই রয়েছে। সে কারণে সেদিন আমি আর কোনো প্রশ্ন করতে পারি নি। কিন্তু আজ যদি আমরা আবার প্রশ্ন করি কি— বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে আমরা কি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি? একতরফাভাবে ঋণের চুক্তি বাতিল করে দেয়ার পিছনে কি কারণ ছিলো? কি যুক্তি ছিলো? আর বিশ্বব্যাংকের কালোবিড়াল যে দুর্নীতির গন্ধ শুকে বেড়াচ্ছিলো, সেই কালোবিড়াল কি করতে চেয়েছিলো? সেই কালোবিড়াল আমাদের পদ্মাসেতুটাকে খেতে চেয়েছিলো। বিড়াল যেমন হাঁড়ি খুলে কিছু খেয়ে ফেলে, তেমনি আমাদের দেশে পদ্মাসেতুর সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিতে চেয়েছিলো সেই কালোবিড়াল। সেই কালোবিড়ালের মৃত্যু ঘটেছে— আমাদের দেশে নয়, কানাডার কোর্টে। সে শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশে আমাদের এই পার্লামেন্টে সেদিন পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক সংশয়ের কথা উঠে এসেছিলো— পদ্মাসেতু কিভাবে হবে? আমার মনে আছে, আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী উঠে দাঁড়িয়ে সেদিন এই সংসদে বলেছিলেন যে, সংশয়ের কোনো কারণ নেই, বাংলাদেশের জনগণ ত্রিশ লক্ষ রক্তের বিনিময়ে মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করতে পারে, তবে এই দেশের মানুষ নিজের অর্থে পদ্মাসেতু করতে পারবে। সেই কথা বলে সারাজাতিকে তিনি সেদিন আশ্বস্ত করেছিলেন। পৃথিবীর অনেক দেশ এগিয়ে এসেছিলো আমাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। কিন্তু আমরা আজ সেই স্বপ্ন— পদ্মাসেতু যে হবেই সেই স্বপ্ন— আজ বাস্তবায়নের পথে। আমরা এখন স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশ নিজেই পদ্মাসেতু করতে পারে।

বিশ্বব্যাংক সম্পর্কে একটু অভিজ্ঞতা নিতে হলে একটা বই পড়া দরকার। আমার মনে হয়, অর্থমন্ত্রী নিজে যেহেতু একজন অর্থনীতিবিদ, তিনি নিশ্চয়ই এই বইটা পড়েছেন। আশা করি, অনেক সংসদ সদস্যও এই বইটা পড়েছেন। বইটা অন্য কারো লেখা না, বিশ্বব্যাংকেরই এককালীন প্রধান, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিৎজ এর লেখা। তার নাম আমরা সবাই জানি। তিনি একটি বই লিখেছিলেন। বইটির নাম ‘গ্লোবালাইজেশন এন্ড ইটস ডিসকনটেন্ট’। এই বইটি লিখে তিনি বিশ্বব্যাংকের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। স্টিগলিৎজ শুধু বিশ্বব্যাংকের প্রধান ছিলেন না, ক্লিনটন সরকারের প্রধান অর্থনীতিবিদ ছিলেন। তারপরও তিনি এই বই লিখেছিলেন। এই বইটাতে আমরা দেখতে পাবো যে বিশ্বব্যাংকের ভিতরে কি ধরনের দুর্নীতি লুকিয়ে আছে, কি ধরনের পক্ষপাতিত্ব লুকিয়ে আছে, কি ধরনের ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে, এই বইয়ে তিনি তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তার ফলশ্রুতিতে স্টিগলিৎজের কি হয়েছিলো? তার মেয়াদ পূর্ণ হবার আগেই তাকে বিশ্বব্যাংকের প্রধান দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়েছিলো। এই বিষয়গুলোকে আজ আমাদেরকে ভেবে দেখতে হবে। তিনি তার বইয়ে অনেক কথা লিখেছিলেন, আমি সব কথা সম্পর্কে বলবো না। কিন্তু তিনি একটি মন্তব্য করেছিলেন— বিশ্বব্যাংক উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের সাথে রাজনীতি মিশ্রিত করে এবং পরবর্তীতে এর ফল বিপরীত হয়। এটা ওই বইয়ে তারই লেখার মধ্যে আছে। তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন যে সমস্ত উন্নয়নশীল দেশে, দরিদ্র দেশে বিশ্বব্যাংক ঋণ দিয়েছে, সেই ঋণের সাথে কিছু শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে। যে শর্তটা হচ্ছে পশ্চিমা দুনিয়ার রাজনীতি। আমাদের দেশেও নিশ্চয় পদ্মাসেতুর ঋণের সাথে কিছু শর্ত ছিলো, সেই শর্তটাও আজ খুঁজে বের করার সময় এসেছে। এখন আমরা সহজেই খুঁজে বের করতে পারি।

আমি আরেকটি বিষয়ে বলবো। আমি স্টিগলিৎজের বইয়ে পেয়েছি। আপনারা মিন্দানাও দ্বীপের নাম শুনেছেন। ফিলিপাইনের একটি দ্বীপ। সেই দ্বীপে গেরিলা যুদ্ধ চলছিলো, মিন্দানাওকে একটি আলাদা রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য। সেই মিন্দানাওয়ের গেরিলা যুদ্ধকে থামানোর জন্য এবং পশ্চিমা দুনিয়ার অতি আনুগত্যশীল রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য বিশ্বব্যাংক প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করেছিলো। তার মাধ্যমে সেই গেরিলাদেরকে কৃষকে পরিণত করে দেশটাকে তারা রক্ষা করেছিলো। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক ঠিক এটার উল্টোটা করেছে। উল্টো হলো এই— আমাদের দেশে ঋণ বাতিল করে দিয়ে এখানে একটি যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছিলো সেদিন বিশ্বব্যাংক। আমরা জানি, যে মুহূর্তে পদ্মা সেতুর কথা এখানে আলোচনা হচ্ছিলো, সেদিন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি-জামাত এবং জঙ্গিবাদীরা বাংলাদেশের এই সরকারের বিরুদ্ধে সহিংসতায় লিপ্ত ছিলো। সেই মুহূর্তে বিশ্বব্যাংক আমাদের এই ঋণচুক্তি বাতিল করেছিলো, যাতে এই সরকার একটা বিপদের মধ্যে পতিত হয়। আজ সেই জিনিসটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। অতএব অর্থমন্ত্রী সেদিন যা বলেছিলেন— বিশ্বব্যাংক আমাদেরকে সবসময় শর্তহীন ঋণ দেয়— এই কথা ঠিক নয়। বিনাশুল্কে গাড়ি এনে বিক্রি করার দুর্নীতি যে বিদেশি সংস্থাগুলো বাংলাদেশে করেছে, সেই দুর্নীতিতে বিশ্বব্যাংক প্রথম হয়েছে। অতএব বিশ্বব্যাংককে আমাদের অভিনন্দন জানানো উচিত। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে দুর্নীতিতে এক্ষেত্রে প্রথম হয়েছে।

আজ আমি আরেকটি কথা উত্থাপন করতে চাই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে পথ নিয়েছেন— উন্নয়নের, আত্মনির্ভরশীলতার পথ এবং কারো শর্ত মেনে না নিয়ে, কারো শর্ত আমাদের উপর চাপিয়ে দিলে তা প্রত্যাখ্যান করে নিজ ধারায় জাতিকে গড়ে তোলার এই ধারাতেই আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর সমস্ত দেশে একটা মডেল হিসেবে পরিণত হয়েছে।

আমি আরেকটি বিষয়ে একটি কথা না বলে পারছি না। সেটা হলো আমার সবাই জানি— আমাদের দেশের মুক্তমনা সাহিত্যিক, লেখক অনেকেই জঙ্গিবাদের দ্বারা তাদের চাপাতির নিচে মৃত্যুবরণ করেছেন। হুমায়ূন আজাদের কথা জানি, অভিজিতের কথা জানি, এমনকি তাদের প্রকাশককেও কিন্তু চাপাতির তলায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। এখন আমার প্রশ্ন— শিক্ষামন্ত্রী আজকের হাউজে নেই— আমি জানতে চাই— শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি সেই জঙ্গিবাদের চাপাতির তলায় পড়েছে? যে কারণে সেই ১৩ দফা দাবি করেছিলো যারা শাপলা চত্বরে, সেই হেফাজতের ২৯টি দাবি মেনে সেই পুরো পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করা হলো। এটার কী কারণ থাকতে পারে? এনসিটিবি তাদের পাঠ্যপুস্তক রচনা করবে জাতীয় শিক্ষানীতির ভিত্তিতে। কিন্তু সেখানে এই পরিবর্তন করে কীভাবে তাদের সন্তুষ্ট করা হয়েছে সেটা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। আমি আরো উদ্বিগ্ন হয়েছি— শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন— সকল মহলের সাথে আলোচনা করতে হবে, সেই ভিত্তিতেই পাঠ্যপুস্তক বানানো হবে। আমি বলতে চাই— যারা জাতীয় শিক্ষানীতি মানে না, যাদের ১৩ দফার মধ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিলের দাবি আছে, তাদের সাথে আলোচনা করে যে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন হয়, সেই পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন তাদের পক্ষেই যায়। অতএব এই পরিবর্তনটাকে বাতিল করা হোক। গত বছরের পুস্তক অনুসারে বর্তমান শিক্ষাবর্ষ চালানো হোক। এনসিটিবিকেই দায়িত্ব দেওয়া হোক, জাতীয় শিক্ষানীতির ভিত্তিতে আমাদের পাঠ্যপুস্তককে যেন তারা দেখে এবং সেইভাবেই যেন সেটা কার্যকর করে।

আরেকটি বিপদ আসছে। অনেকেই আজ হাইকোর্টে যে ন্যায়বিচারের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে সেই ভাস্কর্য ভাঙ্গার জন্য হুমকি দিচ্ছে। আজ এটা যদি আমরা প্রতিরোধ করতে না পারি, তাহলে একদিন অপরাজেয় বাংলাকেও মূর্তি বলে সেটাকে ভাঙ্গার জন্য এগিয়ে আসবে। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আপোস করলে তারা সুযোগ বেশি পায়। আমরা যদি তাদের সাথে সমঝোতা করি, তাহলে আঘাত হানতে আসবে। অতএব তাদের সাথে আপোস না করে তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।

আমি আমার এলাকার একটি কথা বলতে চাই। রাজশাহীকে আন্তর্জাতিকভাবে সিল্কসিটি বলা হয়। অথচ রাজশাহীর সিল্ক ইন্ডাস্ট্রি কোনোমতেই খোলার ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না। আমি আজ এই পার্লামেন্টে রাজশাহীর সিল্ক ইন্ডাস্ট্রিকে চালু করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। রাজশাহী সিল্ক ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে ওই এলাকায় ব্যাপক কৃষকরা সম্পৃক্ত রয়েছেন। অতএব তাদের জীবন জীবিকা স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাবার পথ করে দেবার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি। এর সঙ্গে রাজশাহীতে একটি স্পেশাল ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য দাবি জানাচ্ছি। এই স্পেশাল ইকনোমিক জোনে যে ইন্ডাস্ট্রি হবে, তা ভারত, নেপাল এবং ভুটানে আমরা রপ্তানি করতে পারবো।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সদর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা ফজলে হোসেন বাদশা গত ৫ মার্চ ২০১৭ ইং তারিখ মহান জাতীয় সংসদে হেফাজতি ষড়যন্ত্র ও তাদের কাছে আত্মসমর্পণের তিব্র সমালোচনা করেন ও পাশাপাশি জাতীয় বিষয়েও অনেক কথা বলেন- সেই বক্তব্যটি তুলে ধরা হলো।

 

 

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

রাজশাহীতে শহীদ মিনারে মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরেই রাজশাহীতে শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে। রাজশাহী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *