অক্টোবর ১৭, ২০১৭ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

Home / slide / মৃতকে জীবিত বলে প্রতিবেদন: ক্ষমা চাইলেন ময়মনসিংহের এসপি

মৃতকে জীবিত বলে প্রতিবেদন: ক্ষমা চাইলেন ময়মনসিংহের এসপি

সাহেব-বাজার ডেস্ক : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত ওয়াজ উদ্দিনকে পলাতক ঘোষণা করে প্রতিবেদন দেওয়ায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নুরুল ইসলাম হাজির হয়ে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বিচারপতি শাহীনূর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যর আন্তার্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালে এ বিষয়ে আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৩১ জানুয়ারি মৃত ওয়াজ উদ্দীনকে পলাতক ঘোষণা করে প্রতিবেদন দেওয়ায় ময়মনসিংহের এসপিকে তলব করেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শককেও (আইজিপি) ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

এর আগে ১১ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের মৃত ওয়াজ উদ্দিনকে পলাতক ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনাল। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রসিকিউশনকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

১০ জানুয়ারি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে ‘মৃত ওয়াজ উদ্দিনকে পলাতক ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নজরে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ৭ মাস আগেই মারা যান ওয়াজ উদ্দিন।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যা, গণহত্যা মামলার আসামি ওয়াজ উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের অক্টোবরে তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা। শুরু থেকেই পলাতক দেখিয়ে তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়।

২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর ওয়াজ উদ্দিনকে পলাতক ঘোষণা করে তার পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেওয়া মৃত্যু সনদে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ৭ মে ওয়াজ উদ্দিন মারা গেছেন।

মৃত্যুর ৯ দিন পর তাকে আদালতে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ আসে ট্রাইব্যুনাল থেকে। পরে তাকে হাজির করতে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এই মামলার অপর আসামি রিয়াজ উদ্দিন ফকির কারাগারে আছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

রোহিঙ্গাদের দুর্দশা শুনতে কক্সবাজারে মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী

সাহেব-বাজার ডেস্ক : মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *