Ad Space

তাৎক্ষণিক

চারঘাটে সরকারী গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালী মহল

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট : রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় সরকারী গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালী একটি মহল। ৩০ হাজার টাকা মুল্যের আম গাছটি মাত্র ৮ হাজার বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী থানায় সংবাদ দিলেও কাজের কাজ কিতছুই হয়নি। উল্টো থানার উপপরিদর্শক সপন কুমার সরকার অবৈধ ভাবে গাছটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার একাধিক ব্যাক্তি। তবে পুলিশ কর্মকর্তা সপনের দাবী সেটি সরকারী গাছ নাকি ব্যাক্তি মালিকার সেটা নিশ্চিত ভাবে কেউই বলতে পারেনি।

হলিদাগাছী এলাকার দিঘলকান্দী গ্রামের আয়নাল হক, শেফালী বেগমসহ একাধিক ব্যাক্তি জানান, সরকারী রাস্তার পাশে এমনিতেই আম গাছটি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই হলিদাগাছী এলাকার আখলিমা বেগম নিজের গাছ দাবী করে ৩০ হাজার টাকা মুল্যের সরকারী গাছ মাত্র ৮ হাজার টাকায় দিঘলকান্দী গ্রামের কাসেম আলীর ছেলে মোস্তফার নিকট বিক্রি করে দিয়েছেন।

বুধবার সকালে মোস্তফা তার লোকজন নিয়ে গাছ সরকারী গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী বাধ সাধে। ফলে গাছ কাটা বন্ধ হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে স্থানীয়রা সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে মোস্তফা জানায়, সরকারী গাছ কিনা আমার জানা নেই। তবে আখলিমা নামের মহিলা দাবী করেছে বিক্রি করা গাছ তার। তাই তিনি আখলিমার নিকট থেকে গাছ কিনেছেন।

আখলিমা জানায়, আমি গরীব মানুষ। গাছ সরকারী জায়গায় হলেও আমি গাছ লাগিয়েছিলাম। এ দিকে সরকারী গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগে চারঘাট মডেল থানার উপপরিদর্শক সপন কুমার সরকার ঘটনাস্থলে গেলেও গাছ কাটার সাথে জড়িতদের আটক না করে গাছ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। এতে করে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তবে উপপরিদর্শক সপনের দাবী সরকারী গাছ নাকি ব্যাক্তি মালিকানার তা মাপঝোপ না করে কি করে বলবো এটি সরকারী গাছ। মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবারন চন্দ্র বর্মন জানান, সরকারী গাছ কাটার খবর আমার জানা নেই। এমনকি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল কিনা সেটাও আমার জানা নেই।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তানজিলা মেহনাজ জানান, গাছ কাটার সংবাদ আমার জানা নেই। সার্ভেয়ার পাঠিয়ে সরকারী সীমানার গাছ হলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান,সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ আমার কাছে নেই। তবে সরকারী গাছ কাটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।