Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাবিতে দুর্বৃত্তদের হাতে ছিনতাইয়ের শিকার জবি শিক্ষার্থী– বিস্তারিত....
  • তানোরে তালন্দ কলেজ হোস্টেলে স্থানীয় বখাটেদের হামলা, আহত ৩– বিস্তারিত....
  • দুর্গাপুরে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু– বিস্তারিত....
  • তানোরে এক গাঁজা ব্যবসায়ীসহ মাদক সেবী গ্রেফতার– বিস্তারিত....
  • এবার নিষিদ্ধ হলেন পরিচালক রনি– বিস্তারিত....

পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রলীগের প্রবেশে অনুমতি, সাংবাদিকদের বাধা

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, দুর্গাপুর : দুর্গাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রলীগের অবাধে প্রবেশের অনুমতি থাকলেও সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দিয়েছেন কেন্দ্র সচিব ও দুর্গাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার দুর্গাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর ছবি ও তথ্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা প্রয়োগের ঘটনা ঘটে।

এমন সময় দেখা গেছে, ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মি পরীক্ষার বিভিন্ন কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করছে। এছাড়াও ওই কেন্দ্রে উপজেলা প্রশাসনের এক প্রতিনিধি থাকলেও পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫০ মিনিট আগেই তিনি চলে গেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুল্লাহিল শাফি পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫০মিনিট আগেই পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে চলে গেছেন। এ সুযোগে ছাত্রলীগের নামধারী কয়েকজন নেতাকর্মি প্রবেশ করে কেন্দ্র সচিবের সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করছেন।

দুর্গাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শফিকুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন সাংবাদিকরা প্রবেশ করতে পারবে না। ১০৫ নম্বর কক্ষে একজন প্রতিবন্ধী পরীক্ষা দিচ্ছেন বলে স্বীকার করে সচিব আরো বলেন, আপনাদের কোন তথ্য নিতে হলে ওই প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে নিতে হবে। কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করতে হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার লিখিত কাগজপত্র থাকতে হবে বলে তিনি জানান।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুল্লাহিল শাফির সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে তার অফিসে গিয়ে দেখা যায় তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রের ডিউটি ফেলে এসে এক ব্যক্তির সাথে খোশগল্পে মজে আছেন। এসময় কথা বলতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন।

পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রলীগের প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ছাত্রলীগের নেতাকর্মিরা পরীক্ষা কেন্দ্রে যতবারই প্রবেশ করেছে আমি তাদের বাহির করে দিয়েছি। তাছাড়াও সামনের পরীক্ষাগুলোতে তাদের প্রবেশ একেবারেই বন্ধ করে দিবো বলে জানান শিক্ষা কর্মকর্তা।

উপজেলা নিবাহী কর্মকতা আনোয়ার সাদাত জানান, সাংবাদিকরা পরীক্ষার যাবতীয় তথ্য তুলে ধরবেন এটাই গণমাধ্যমের কাজ। তাছাড়া প্রতিটি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে উপজেলা প্রশাসন থেকে একজন করে প্রতিনিধি দেওয়া হয়েছে। তাদের পরীক্ষা চলাকালীন সময় পর্যন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে তারা কেন্দ্রের বাহিরে থাকলে বা দায়িত্বে অবহেলা করলে খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরে কেন্দ্রের মধ্যে সাংবাদিকের প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি আরো জানান, তাদের প্রবেশে নিষেধ নাই। তবে কিছু সাংবাদিক অবাধে চলাচল করে নকল সরবরাহ করতে পারে। সে জন্য সচিব অথবা আমাকে জানাতে হবে বলেও জানান তিনি। তবে আপনারা যে কোন তথ্যের জন্য যেতে পারেন কোন বাধা নেই।