অক্টোবর ১৯, ২০১৭ ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ

Home / slide / বন্ধ থাকছে ৩৪ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন

বন্ধ থাকছে ৩৪ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : দেশের ২০টি কোম্পানির সকল ধরনের ওষুধ উৎপাদন বন্ধই থাকছে। মানসম্মত ওষুধ উৎপন্ন না করায় এ সকল কোম্পানির লাইসেন্সও বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ১৪টি কোম্পানির সকল ধরনের এন্টিবায়োটিক উৎপাদনও বন্ধ থাকবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এ রায় দেন।

উৎপাদন বাতিল হওয়া ২০টি ওষুধ কোম্পানি হলো- এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল, এভার্ট ফার্মা, বিকল্প ফার্মাসিউটিক্যাল, ডলফিন ফার্মাসিউটিক্যাল, ড্রাগল্যান্ড, গ্লোব ল্যাবরেটরিজ, জলপা ল্যাবরেটরিজ, কাফমা ফার্মাসিউটিক্যাল, মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ন্যাশনাল ড্রাগ, নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যাল, রিমো কেমিক্যাল, রিদ ফার্মাসিউটিক্যাল, স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যাল, স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টার ফার্মাসিউটিক্যাল, সুনিপুণ ফার্মাসিউটিক্যাল, টুডে ফার্মাসিউটিক্যাল, ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল এবং ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড।

অ্যান্টিবায়েটিক ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি বাতিল করা ১৪টি কোম্পানি হলো- আদ-দ্বীন ফার্মাসিউটিক্যাল, আলকাদ ল্যাবরেটরিজ, বেলসেন ফার্মাসিউটিক্যাল, বেঙ্গল ড্রাগস, ব্রিস্টল ফার্মা, ক্রিস্ট্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যাল, মিল্লাত ফার্মাসিউটিক্যাল, এমএসটি ফার্মা, অরবিট ফার্মাসিউটিক্যাল, ফার্মিক ল্যাবরেটরিজ, পনিক্স কেমিক্যাল, রাসা ফার্মাসিউটিক্যাল এবং সেভ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড।

রায়ে আদালত ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। এসব ওষুধ কোম্পানি জিএমপি (গুড ম্যানুফ্যাকচার প্রাক্টিসেস) নীতিমালা অনুসরণ করে ওষুধ উৎপাদন করছে কি-না, সে বিষয়টি এ কমিটিকে দেখভাল করতে বলা হয়েছে। কমিটির প্রধান হবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন প্রতিনিধি।

গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে রুলের রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তার পরিবর্তে সোমবার নতুন দিন ধার্য করে দেন আদালত। এর আগে ২০১৬ সালের ৭ জুন ২০টি কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অপর ১৪টি প্রতিষ্ঠানের অ্যান্টিবায়েটিক (ননপেনিসিলিন, পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন) ওষুধ উৎপাদনও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় সেসময়।

গত ৩১ জানুয়ারি এসব ওষুধ কোম্পানির উৎপাদন বন্ধে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনে বলা ছিল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করতে ২০১৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই কমিটি দেশের ৮৪টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সরেজমিন পরিদর্শন শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হওয়া ২০টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় রিট আবেদনটি করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

পদ্মাসেতুর ৪৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : মেগা প্রকল্প পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শতকরা ৪৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এ বছরের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *