Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিডিও কনফারেন্স– বিস্তারিত....
  • তানোরের আলু বিদেশে রপ্তানী, কৃষকের মুখে খুশির ঝিলিক– বিস্তারিত....
  • নাটোরে টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন– বিস্তারিত....
  • কলেজে ছাত্রীকে বখাটে সহপাঠির প্রকাশ্যে চড়– বিস্তারিত....
  • চারঘাটে বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ন্ত্রন করে ৩০ চোরাকারবারী গডফাদার– বিস্তারিত....

শিবির সন্দেহে রাবি শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৭

রাবি প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের এক শিক্ষার্থীকে শিবির সন্দেহে পুলিশে দিয়েছে রাবি শাখা ছাত্রলীগ ও হল প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম আবু সালেহ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হল সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১১টার দিকে হলের ১০৫ নম্বর কক্ষে সন্দেহমূলকভাবে তল্লাশি চালায় হল শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। হলের লকার থেকে শিবির সমর্থিত কিছু কাগজপত্র এবং তার কম্পিউটারে দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর তাফসীর পাওয়া যায়। ওই রাতে আবু সালেহকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা। পরেরদিন সকালে ছাত্রলীগ ও হল প্রশাসন সভা ডেকে তার কম্পিউটার ও লকারে পাওয়া কাগজপত্রগুলো জব্দ করে পুলিশে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষক দিলিপ কুমার সরকার বলেন, ‘বুধবার রাতে আমাকে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী ফোন দেয়। তারা বলে আপনার হলের ১০৫ নম্বর কক্ষে এক শিক্ষার্থী ওয়াজ শুনছিল, এমন সময় তার কম্পিউটার খুলে দেখে সেখানে অনেক ইসলামিক গান, জলসা পাওয়া গেছে। তখন আমি বললাম, ওর জিনিসগুলা তালা দিয়ে রাখ আমি বৃহস্পতিবার এসে দেখব।’

‘যথারীতি আমি আজ এসে তার কাছে থাকা জিনিসপত্রগুলো দেখলাম। দেখে নিজে কোন সিদ্ধান্তে না গিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছি। বলেছি, ওই শিক্ষার্থীর কোন রকম শিবির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না দেখার জন্য’ যোগ করেন দিলিপা কুমার সরকার।

এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা কোনো শিক্ষার্থীকে আটক করিনি, গ্রেফতারও করিনি। হল কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষার্থীকে আমাদের হাতে তুলে দিয়ে বলেছে, দেখেন আপনারা ওর কাছে কোনো কিছু পান কি না। আমরা ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। এখন পর্যন্ত তার কাছে আমরা শিবির সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাইনি।’