Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিডিও কনফারেন্স– বিস্তারিত....
  • তানোরের আলু বিদেশে রপ্তানী, কৃষকের মুখে খুশির ঝিলিক– বিস্তারিত....
  • নাটোরে টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন– বিস্তারিত....
  • কলেজে ছাত্রীকে বখাটে সহপাঠির প্রকাশ্যে চড়– বিস্তারিত....
  • চারঘাটে বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ন্ত্রন করে ৩০ চোরাকারবারী গডফাদার– বিস্তারিত....

গ্যাংয়ের পাল্টাপাল্টি হামলায় প্রাণ যায় আদনানের: র‍্যাব

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৭

সাহেব-বাজার ডেস্ক : আধিপত্য বিস্তারের বিরোধের শিকার হয়ে আদনান প্রাণ হারায় বলে জানিয়েছে র‍্যাব। উত্তরায় স্কুলছাত্র আদনান কবীর খুনের ঘটনায় ‘ডিসকো বয়েজ’ ও ‘বিগ বস’ নামের গ্যাংয়ের দলনেতাসহ আটজনকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত মঙ্গলবার ৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) রাতে রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১-এর একটি দল। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে আজ ৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দুপুরের দিকে সংবাদ ব্রিফিং করে র‍্যাব।

গ্রেফতার হওয়া আটজনের মধ্যে দুজন কিশোর। অন্য ছয়জন হলেন শাহরিয়ার বিন সাত্তার ওরফে সেতু (২২), আকতারুজ্জামান ওরফে ছোটন (১৯), সেলিম খান (২৩), ইব্রাহিম হোসেন (২৮), সিজানুর রহমান (২২) ও জাহিদুল ইসলাম (২১)।

র‍্যাবের ভাষ্য, গ্রেফতার হওয়া সেতু ‘ডিসকো গ্যাং’ দলের নেতা। আর আকতারুজ্জামান ‘বিগ বস গ্যাং’ দলের নেতা। সেতুর নেতৃত্বে ২০০৯ সালে উত্তরায় ‘ডিসকো বয়েজ’ গ্রুপের উত্থান ঘটে। এই গ্রুপের সহযোগী হিসেবে ২০১৬ সালে আকতারুজ্জামানের নেতৃত্বে ‘বিগ বস’ গ্রুপের আবির্ভাব ঘটে। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রাজু নামের এক তরুণের নেতৃত্বে ২০১৩ সালে আসে ‘নাইন স্টার’ গ্রুপ। সম্প্রতি তাদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গ্রুপগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় গত ৬ জানুয়ারি ডিসকো বয়েজ ও বিগ বস গ্রুপের সদস্যরা নাইন স্টার গ্রুপের রাজুসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়। হামলার মূল লক্ষ্য রাজু হলেও তাতে আদনান মারা যায়। আদনানের সঙ্গে নাইন স্টার গ্রুপের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাহিদুল জানিয়েছেন, তিনি নিজের মুখে কাপড় বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আদনানের ওপর হামলা চালান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সংস্থার পরিচালক (গণমাধ্যম) মুফতি মাহমুদ খান বলেন, উত্তরা ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন গ্রুপের (গ্যাং) মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে আদনান প্রাণ হারায়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উত্তরা ও আশপাশের এলাকায় ৩০টির মতো ছোট-বড় গ্যাং রয়েছে। এসব গ্যাংয়ের বর্তমান সদস্যসংখ্যা শতাধিক। গ্যাংয়ের সদস্যরা উঠতি বয়সী তরুণ ও কিশোর। তারা উচ্চ, মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে। গ্যাংয়ের মূল্য লক্ষ্য এলাকাভিত্তিক প্রাধান্য বিস্তার। তারা এলাকার স্কুল-কলেজে র‍্যাগিং, ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, মাদকসেবন, ছিনতাই, উচ্চ শব্দে মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি, অশ্লীল ভিডিও শেয়ারের মতো কাজ করে। অনেক সময় এলাকার নিরীহ ও মেধাবী তরুণ-কিশোরদের জোর করে গ্যাংয়ে আসতে বাধ্য করা হয়। ফেসবুকে এক গ্রুপ অন্য গ্রুপকে হুমকি দেয়। আইডি হ্যাক করে।