Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • পুনর্জন্ম হল ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া নকিয়া ৩৩১০– বিস্তারিত....
  • গোদাগাড়ী সদর ইউপি চেয়ারম্যানের আ’লীগে যোগদান– বিস্তারিত....
  • গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় গরু ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৫– বিস্তারিত....
  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিডিও কনফারেন্স– বিস্তারিত....
  • তানোরের আলু বিদেশে রপ্তানী, কৃষকের মুখে খুশির ঝিলিক– বিস্তারিত....

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক লাঞ্ছিত, আটক ২

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোগি মৃত্যুর জের ধরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রোগির স্বজনদের হাতে মাহফুজুর রহমান (২৭) নামে এক ইন্টার্ন চিকিৎসক লাঞ্ছিত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোগির দুই স্বজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটকরা হলেন, রাজশাহী মহানগরীর রানীনগর সাধুরমোড় এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে সিথিল রহমান (২৫) ও একই এলাকার আহমেদ আলীর ছেলে আবু বকর সিদ্দিক (৫০)। আর লাঞ্ছিত ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান রামেকের এমবিবিএস ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার হাসপাতালের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নগরীর রানীনগর সাধুরমোড় এলাকার চান সরকারের ছেলে শাহিন আলীকে (৩৫) ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি প্যারালাইজড রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে তিনি মারা যান। এসময় তার মৃত্যুর জন্য স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলেন। তখন ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে রোগির স্বজনদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হাসপাতাল পুলিশ বক্সের সদস্যরা ওই দুইজনকে আটক করে। পরে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিচালক জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে আটকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ব্যক্তি আবু বকর সিদ্দিকের খালু। আর শিথিল রহমান সম্পর্কে ওই ব্যক্তির ভাগ্নি জামাই। তাদেরকে এখন থানায় রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, রামেক হাসপাতালে মাঝে মাঝেই চিকিৎসকের অবহেলায় রোগি মৃত্যুর অভিযোগ উঠছে। এ নিয়ে রোগির স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে। কখনও কখনও ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই রোগির স্বজনদের পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।