Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাবিতে দুর্বৃত্তদের হাতে ছিনতাইয়ের শিকার জবি শিক্ষার্থী– বিস্তারিত....
  • তানোরে তালন্দ কলেজ হোস্টেলে স্থানীয় বখাটেদের হামলা, আহত ৩– বিস্তারিত....
  • দুর্গাপুরে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু– বিস্তারিত....
  • তানোরে এক গাঁজা ব্যবসায়ীসহ মাদক সেবী গ্রেফতার– বিস্তারিত....
  • এবার নিষিদ্ধ হলেন পরিচালক রনি– বিস্তারিত....

মৃত্যু পরোয়ানা শুনলেন মুফতি হান্নান

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৭

সাহেব-বাজার ডেস্ক : বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নানের মৃত্যু পরোয়ানা সোমবার রাত ১০টার পর কাসিমপুর কারাগারে পৌঁছেছে বলে জানান জেল সুপার নেছার আহমেদ ।

গত ১৮ জানুয়ারি মুফতি হান্নানসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুজন হলেন শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার ওরফে রিপন। এছাড়া হাইকোর্টে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল আপিল না করায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহালই থাকছে।

এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের করা আপিল খারিজ করে দেন। ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালানো হলে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। আনোয়ার চৌধুরী ও সিলেট জেলা প্রশাসকসহ

অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। ঘটনার দিন অজ্ঞাতপরিচয় আসামির বিরুদ্ধে মামলা করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই মুফতি হান্নানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। অন্যদিকে মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ এবং মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।