Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাবির আবাসিক হলে এইচএসসির অমুল্যায়িত খাতা!– বিস্তারিত....
  • জাতীয় পার্টি রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্টর : এরশাদ– বিস্তারিত....
  • নাটোরে বৈশাখী মেলায় প্রকাশ্যে জুয়া ও অশ্লীল নৃত্য– বিস্তারিত....
  • প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে নগরীতে প্রকৃতি বন্ধন– বিস্তারিত....
  • রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরকারী যুবলীগ নেতার শাস্তি দাবি– বিস্তারিত....

কাঁকনহাট পৌরসভার রেস্ট হাউজে কাউন্সিলরদের অসামাজিক কার্যকলাপ!

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোদাগাড়ী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভার চার কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এক নারী নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌরসভার অডিটরিয়ামের রেস্ট হাউসে তাদের আটক করা হয়। পরে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের ছাড়িয়ে নেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যার পর কাউন্সিলর গোলাম মোর্ত্তজা, আমিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও লুৎফর রহমান পৌরসভার রেস্ট হাউসে এক নারীকে নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের ওই কক্ষে নারীসহ আটক করেন। এ সময় তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের অবমুক্ত করেন।

এ সময় ওই নারীসহ কাউন্সিলররা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাঁধা দেন। এতে উত্তেজনা দেখা দিলে কাঁকনহাট তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পুলিশ তাদের জনগণের রেষানল থেকে উদ্ধার করে নিজ নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কাঁকনহাট তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমি ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেছি। এ ব্যাপারে তার কোনো অভিযোগ নেই। এ জন্য কাউকেই আটক করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতো।’

এ ব্যাপারে কথা বলতে মঙ্গলবার রাতে পৌরসভার মেয়র আবদুল মজিদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ছাড়া অভিযুক্ত কাউন্সিলর গোলাম মোর্ত্তজার মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। কাউন্সিলর লুৎফর রহমান ফোন ধরেননি। আর কাউন্সিলর আমিরুল ইসলাম বলেছেন, সম্প্রতি তিনি অস্ত্রপচার করেছেন। চিকিৎসক তাকে কথা কম বলতে বলেছেন। তাই তিনি কথা বলবেন না।

তবে কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বলেন, ‘বয়স্ক ভাতার জন্য আমাদের এক কাউন্সিলরের কাছে ওই নারী এসেছিলেন। আমরা চারজন কাউন্সিলর সেখানে ছিলাম। কিছুক্ষণ পর আমি চলে যাই। এরপর ওই নারীও বের হয়ে চলে যাচ্ছিলেন। তখন ১০-১০ জন লোক ওই নারীকে ধরে এনে কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলেন।’

মিজানুর রহমান দাবি করেন, পৌরসভার কাউন্সিলরদের মধ্যে গ্রুপিং আছে। তাদের বিরোধী পক্ষ এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

তবে স্থানীয়রা দাবি করছেন, পৌরসভার অডিটরিয়ামের ওই বিলাসবহুল রেস্ট হাউসে মদের আড্ডা বসে। রাত-বিরাতে সেখানে অচেনা নারীদেরও যাতায়াত আছে। রেস্ট হাউসটি রীতিমতো ‘জলসাঘরে’ পরিণত হয়েছে।