আগস্ট ১৭, ২০১৭ ৭:২৯ অপরাহ্ণ
Home / slide / রাবির গেস্ট হাউজের জমি কেনা নিয়ে টানাপোড়নে প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি

রাবির গেস্ট হাউজের জমি কেনা নিয়ে টানাপোড়নে প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতি

রাবি প্রতিবেদক : ঢাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নিজস্ব গেস্ট হাউজের জন্য শুধু জমি, না জমিসহ ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য সিন্ডিকেটে ১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা অনুমোদন নেয়া হয়েছে তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতির মধ্যে টানাপোড়ন শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি তারা শুধু জমি নয়, জমিসহ ফ্ল্যাট ক্রয় করেছে। এদিকে শিক্ষক সমিতির দাবি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য বের করে আনা হোক।

এনিয়ে সোমবার সকাল ১১টায় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আজম শান্তনুর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষক সমিতির সদস্যবৃন্দ। উপাচার্যের নিকট তারা ঘটনার তদন্তের দাবি জানান। সেই সঙ্গে প্রশাসনকে নিজের অবস্থান পরিস্কার করারও দাবি তুলেন তারা।

শিক্ষক সমিতি দাবি করেন, জমি ক্রয়ে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে তবে তা কেন হয়েছে সে বিষয়টি খুঁজে বের করা হোক । জমি ক্রয়ে জালিয়াতির ঘটনাটি দেশব্যাপী নিন্দিত হচ্ছে। অথচ ঘটনার কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও প্রশাসন কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেনি।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আজম শান্তনু গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন দুনীর্তির সংবাদ এর আগে কখনো প্রকাশ হয়নি। প্রশাসন যদি এর সঠিক জবাব না দেয় তবে আমরা এই ঘটনা তদন্তের জন্য ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করবো। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে এর সঙ্গে সঙ্গে  জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।

এদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলাদা কোনো জমি ক্রয় করেনি। বরং জমিসহ ফ্ল্যাট ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জমি ক্রয় সংক্রান্ত যে ১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকার কথা বলা হয়েছে তা জমি নয়, বরং বর্গফুট অনুযায়ী ১২, ৮৯৬ বর্গফুট জমিসহ ফ্ল্যাটের মুল্য।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাবি উপ-উপাচার্য ও ঢাকায় জমিসহ ফ্ল্যাট ক্রয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক চৌধুরি সারওয়ার জাহান জানান, ‘ঢাকায় জমিসহ ফ্ল্যাট ক্রয় কমিটি’ গত বছরের ৩১ আগষ্ট সভা করে জমিসহ ফ্ল্যাটের মুল্য ১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুটের মুল্য ৭৯০০ টাকা করে ফ্ল্যাটসহ পুরো জমির মুল্য ১০,১৮,৭৮,৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।  এর সঙ্গে ৯টি পাকিং স্পেস ৪ লাখ করে ৩৬ লাখ, ১৩ টি ইউটিলিটি ২ লাখ ২৫ হাজার করে ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। সেই সঙ্গে ভবনটির নিবন্ধন, ট্রান্সফার ফি, বাউন্ডারি-ওয়াল নির্মাণসহ আরো ২,৩৭,৭১,৬০০ টাকা অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে। যা সিন্ডিকেটের ৫১২তম সভায় পাস হয়।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

বার্সাকে বিধ্বস্ত করে স্প্যানিশ সুপার কাপ রিয়ালের

সাহেব-বাজার ডেস্ক : চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সাকে বিধ্বস্ত করে স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *