Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • চার মাসেও শনাক্ত হয়নি লিপুর ঘাতকরা– বিস্তারিত....
  • মশার প্রকোপে অতিষ্ঠ রাবি শিক্ষার্থীরা– বিস্তারিত....
  • শিশু মেঘলা ও মালিহার হত্যাকান্ডের বিচারের দাবীতে মানবন্ধন– বিস্তারিত....
  • উপজেলা চেয়ারম্যানদের মূল্যায়নের অঙ্গীকার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের– বিস্তারিত....
  • নাটোরে হয়রানীমূলক মামলা থেকে কলেজ ছাত্র জামিনে মুক্ত– বিস্তারিত....

‘শিক্ষকদের পেশাগত মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন’

ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৭

সাহেব-বাজার ডেস্ক : শিক্ষকদের পেশাগত মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকার হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে তিন দিনব্যাপী ই-নাইন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রোববার সকালে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশে এবারই প্রথম এ সম্মেলন হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করতে নীতিগত উপায় উদ্ভাবন এবং বিশেষ প্রণোদনার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। এই পেশার জন্য একটি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শিক্ষা বিষয়ক ‘এসডিজি-৪’ লক্ষ্য অর্জনের কার্যকর কৌশল নির্ধারণে ই-নাইন মন্ত্রী পর্যায়ের একাদশ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ, সহিংস উগ্রবাদ এবং সশস্ত্র সংঘাত বিশ্বে মানবাধিকার, শান্তি এবং স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। উদ্ভাবন, সমঝোতা ও দূরদর্শী নীতির মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। আর এ বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার শিক্ষাক্রম ও শিক্ষা উপকরণের সংস্কার করছে।

এই অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে হাতে দুই বছরের জন্য এই ফোরামের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাকিস্তানের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মদ বালিঘ-উর-রহমান গত দুই বছর ই-নাইনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

ই-নাইনের এই বৈঠক ‘মাইলফলক হিসেবে’ চিহ্নিত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি আরো বিশ্বাস করি, আমাদের এই বিশ্বের জন্য একটি টেকসই সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত ভবিষ্যত নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বৈঠক প্রয়োজনীয় সুযোগ চিহ্নিত এবং কাজে লাগাতে সহায়তা করবে।’

বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়াও ব্রাজিল, চীন, মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো ও নাইজেরিয়া এ ফোরামের সদস্য। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলো এক বা একাধিকবার এই ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে।

এসডিজি বাস্তবায়নে ই-নাইন বৈঠক থেকে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী সুপারিশমালা আসবে- এমন আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার প্রত্যাশা, আমাদের সর্বোত্তম কর্মোদ্যোগগুলোর বিনিময়, কর্মপরিকল্পনা এবং কর্মসূচি প্রণয়ন, অংশীদারিত্বের নতুন উপায় উদ্ভাবন এবং শিক্ষার ওপর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংলাপ আহ্বান এই বৈঠক থেকেই শুরু হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ ফোরামের সভাপতি হওয়ায় বক্তব্যের শুরুতেই তাকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা। তার আগে ই-নাইনের নতুন সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ বক্তব্য দেন।

পারস্পরিক যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে ইউনেস্কোর সবার জন্য শিক্ষা কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া এবং দ্রুততার সঙ্গে সামষ্টিক সাফল্য অর্জনের লক্ষ্য দিয়ে ১৯৯৩ সালে ভারতের নয়া দিল্লিতে ই-নাইন গঠিত হয়। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা অধ্যুষিত নয়টি উন্নয়নশীল দেশের সাধারণ শিক্ষা বিষয়ক লক্ষ্যগুলোকে নিয়ে এই সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।