Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ভিডিও কনফারেন্স– বিস্তারিত....
  • তানোরের আলু বিদেশে রপ্তানী, কৃষকের মুখে খুশির ঝিলিক– বিস্তারিত....
  • নাটোরে টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন– বিস্তারিত....
  • কলেজে ছাত্রীকে বখাটে সহপাঠির প্রকাশ্যে চড়– বিস্তারিত....
  • চারঘাটে বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ন্ত্রন করে ৩০ চোরাকারবারী গডফাদার– বিস্তারিত....

বাংলাদেশে ক্যান্সারে প্রতি ঘণ্টায় মৃত্যু ১৭ জনের

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রতি ঘণ্টায় মারা যাচ্ছে ১৭ জনের বেশি রোগি। বছরে মারা যাচ্ছে দেড় লাখ মানুষ। প্রতি বছর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন দুই লাখ মানুষ। আজ বিশ্বক্যান্সার দিবস। দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত জনসচেতনতামুলক ক্যাম্পেইনে বক্তারা এসব তথ্য তুলে ধরেন।

বক্তারা জানান, দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসক ও অষুধ আছে। তবে, রেডিওলজির মেশিনসহ অন্য যন্ত্রপাতির অভাবে রোগিদের শতভাগ চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) সাবেক উপাধ্যক্ষ ও রেডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. দায়েম উদ্দিন, রেডিওলজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার ঘোষ ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ রওশন আরা।

প্রধান অতিথি ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. দায়ের উদ্দিন জানান, ক্যান্সারের চিকিৎসার করার মতো অনেক চিকিৎসক এখন দেশে আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের অনেক অভাব রয়েছে দেশে। রেডিওলজি মেশিন দেশে মাত্র দুই থেকে তিনটি জায়গায় আছে। রামেক হাসপাতালে যে মেশিনটি আছে তা দুই বছর ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। সে কারণে ক্যান্সার রোগিদের নানান ভোগান্তি পোহাতে হয়।

তিনি আরো বলেন, বেসরকারি পর্যায়ে রেডিওলজি মেশিনে চিকিৎসা নিতে আড়াই লাখ টাকা মতো খরচ পড়ে। অথচ সরকারিভাবে সেই থ্যারাপি নিতে এক জন রোগির খরচ হয় মাত্র ৮ হাজার টাকা। যদি কেউ বেসরকারিভাবে একটি রেজিওলজি মেশিন স্থপনের উদ্যোগ নেন তাহলে তার খরচ পড়বে প্রায় ২০ কোটি টাকা। এছাড়াও অন্য খরচ তো আছেন। কেউ ২০ কোটি টাকা বিনিযোগ করে লাভের আশা তো সে করবেই। সে কারণে বেসরকারিভারে এ থ্যারাপি নিতে গেলে রোগির খরচ অনেক বেশি বেড়ে যায়।

এ থেকে মুক্তির জন্য সরকারি পলিসির প্রয়োজন আছে। দেশের প্রতিটি জেলায় যদি একটি করে ক্যান্সার সেন্টার স্থাপন করে তাহলে রোগির চিকিৎসা শতভাগ করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো জানান, দেশের সরকারি বড় বড় হাসপাতালগুলোতে যদি ক্যান্সারের অষুধে বিনামুল্যে দেয়া যেতো তাহলেও অনেক মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হতো। ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে অনেকেই বেশি দামে অষুধ কিনতে পারে না বলে অকালে ঝরে পড়ে। তারা সরকারের কাছে বিষয়গুলো বিবেচনার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ক্যান্সার বিজয়ী কয়েকজন উপস্থিত থেকে নিজেদের জীবন সংগ্রামের কথা উপস্থিতদের সামনে তুলে ধরেন। এদের মধ্যে ছিলেন, ক্যান্সার জয়ি সুলতানা ফৌরদৌসী, জীবন নাহার, ক্যান্সার জয়ি রুবিয়ার স্বামী আবদুর রউফ ও ক্যান্সার আক্রান্ত পিতার ছেলে সাংবাদিক কাজী নাজমুল হোসেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, ডা. রেজওয়ানুল কাদের, সেবিকা রোকেয়া বেগম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বিনামুল্যে অষুধ ও রেডিওলজি সরবরাহের দাবি জানান ক্যান্সার বিজয়ী রোগি ও তাদের স্বজনরা।