Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • চার মাসেও শনাক্ত হয়নি লিপুর ঘাতকরা– বিস্তারিত....
  • মশার প্রকোপে অতিষ্ঠ রাবি শিক্ষার্থীরা– বিস্তারিত....
  • শিশু মেঘলা ও মালিহার হত্যাকান্ডের বিচারের দাবীতে মানবন্ধন– বিস্তারিত....
  • উপজেলা চেয়ারম্যানদের মূল্যায়নের অঙ্গীকার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের– বিস্তারিত....
  • নাটোরে হয়রানীমূলক মামলা থেকে কলেজ ছাত্র জামিনে মুক্ত– বিস্তারিত....

গ্রেফতার এড়াতে আধঘণ্টা নামাজে দাঁড়িয়ে ২৮ নারী

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৭

সাহেব-বাজার ডেস্ক : রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে জামায়াতের ২৮ নারীকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের আগে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নারীরা একসঙ্গে নামাজে দাঁড়িয়ে পড়েন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার এ দাবি করেন।

বিপ্লব কুমার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাজমহল রোডে ১১/৭ নম্বর বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে দরজায় কড়া নাড়ে। পরে পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। সে সময় হঠাৎ দরজা খুলে দিয়ে নারীদের সবাই নামাজে দাঁড়িয়ে যায়। তাদের নামাজ শেষ হতে আধঘণ্টা সময় লাগে।

উপকমিশনার আরো জানান, ওই বাসা তল্লাশি করে জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের উদ্দেশে লেখা ৫০টি লিফলেট, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের জনকল্যাণমুখী আদর্শ সরকার গঠনে নিয়মতান্ত্রিক অন্দোলনের’ ৬৫টি লিফলেট ও পাঁচটি লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া জামায়াতের বিভিন্ন সংগঠনের মাসিক রিপোর্টের পূরণকৃত ৩০টি ও অপূরণকৃত ১৫টি ফরম, বায়তুল মালের একটি রসিদ বইসহ আরো মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতার হওয়া নারীদের সবাই উচ্চশিক্ষিত। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ডাক্তারসহ বিভিন্ন পেশার সঙ্গে জড়িত। তারা নাশকতার মাধ্যমে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করছিলেন। তাদের মধ্যে অনেক নারী দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

বিপ্লব কুমার জানান, গ্রেফতারকৃত ওই নারীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন, তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ওই বাসায় গোপন বৈঠক করেন। এর মধ্য দিয়ে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন তারা। মূলত গোপন বৈঠকের জন্যই তারা বিভিন্ন স্থান থেকে ওই বাসায় জমায়েত হয়েছিলেন। যড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ১৯৭৬ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(১)(প)/১৫(৩) ধারায় ওই ২৮ নারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।