Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জঙ্গি আটকের ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা– বিস্তারিত....
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবিরের ঝটিকা মিছিল থেকে আটক ৭– বিস্তারিত....
  • পবিত্র রমজান শুরু রোববার– বিস্তারিত....
  • শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সংঘর্ষ, উদ্বিগ্ন সাংসদ বাদশা– বিস্তারিত....
  • ভোটের ‘ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে’ ভাস্কর্য সরানোর ‘পক্ষে’ আ’লীগ-বিএনপি– বিস্তারিত....

রাজশাহীতে তিন বছরে এলজিইডির ১০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন

জানুয়ারি ১৪, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগে গত তিন বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী। তিনি বলেন, গত তিন বছরেই রাজশাহী বিভাগে ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ হয়েছে। বর্তমানে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে। ২৫টি প্রকল্প এবং একটি কর্মসূচির মাধ্যমে এই উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে, যা সর্বকালের রেকর্ড উন্নয়ন।

শনিবার সকালে রাজশাহীতে এলজিইডির রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের চলমান উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্যামা প্রসাদ অধিকারী বলেন, বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং বগুড়া অঞ্চলে এক হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে। বর্তমান সরকারের তিন বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলী আহমেদ, ঢাকা সদর দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (নগর ব্যবস্থাপনা) আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালক, উপ-পরিচালক, রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের জেলা, উপজেলা পর্যায়ের প্রায় সাড়ে পাঁচশ প্রকৌশলী অংশ নেন।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রকৌশলীদের উদ্দেশে প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এলজিইডির প্রকৌশলীদের সবচেয়ে বেশি জনগণের কাছে থেকে কাজ করতে হয়। তাই দেশকে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রকৌশলীদের।

তিনি বলেন, ‘কাজে গাফিলতির খবর মাঝেমধ্যে আমার কাছে আসে। যারা অন্যায় করবেন তাদের দুর্নীতি দমনের খুঁজে বের করতে হবে না। আমিই দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে রেফার করবো। যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান থাকবে। প্রয়োজনে বিভাগীয় মামলা দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কর্মশালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে স্থানীয় পর্যায়ের প্রকৌশলীরা আছেন, বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালক, উপ-পরিচালক ও প্রধান কার্যালয়ের প্রকৌশলীরা আছেন। এই দুই পক্ষের মধ্যে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা দূর করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি করার জন্য এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে।