সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭ ৭:২৬ অপরাহ্ণ

Home / slide / টাকা-পয়সা বড় কথা না, স্বীকৃতিটাই মূল : আলাউদ্দীন খান
টাকা-পয়সা বড় কথা না, স্বীকৃতিটাই মূল : আলাউদ্দীন খান
টাকা-পয়সা বড় কথা না, স্বীকৃতিটাই মূল : আলাউদ্দীন খান

টাকা-পয়সা বড় কথা না, স্বীকৃতিটাই মূল : আলাউদ্দীন খান

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের অনেকেই গেরিলা বাহিনী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। ২০১৩ সালের ২২ জুলাই তাদের ২৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন বাতিল করে দেয়। পরে তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ডিসেম্বরে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন গেরিলা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার ও ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য্য। এর ফলে হাই কোর্টের রায়ের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের গেজেট অবৈধ হয়ে যায়। এর বিরুদ্ধে সরকার পক্ষ আপিল করলেও আপিল বিভাগ গত ৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে। ফলে, গেরিলাদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির পথে আর কোনো বাধা রইলো না।
মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা বাহিনীর সদস্যদের একজন লালবাগের ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন খান। আদালতের রায়, যুদ্ধকালীন সময়সহ নানা বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন লুৎফর রহমান সোহাগের সঙ্গে।

লুৎফর রহমান সোহাগ : আপিল বিভাগের রায়ের পর কেমন লাগছে?
আলাউদ্দীন খান : গেজেট বাতিলের পর মন্ত্রী সাহেব আমাদের বলেছিলেন অনলাইনে আবেদন করতে। আমরা আবেদন করার পর তিনি টালবাহানা শুরু করেন। আওয়ামী লীগের কিছু লোকও আমাদের বিপক্ষে ছিল। এরপর পঙ্কজ ভট্টাচার্য্য মামলা করলেন। হাইকোর্টে রায় হল, কিন্তু মন্ত্রী মহোদয় মানলেন না; আপিল করলেন তিনি।
মন্ত্রী সাহেব হয়তো অতোকিছু বুঝে নাই। ফলে, আমরা সময় মতো টাকা-পয়সা (ভাতা) পাই নাই। এখন রায় হইছে, আজকে হোক আর একমাস পরে হোক- এসব পাব কিন্তু হয়রানি করার কোন মানে হয় না। আমরা যে কষ্টটা করছি, তা কি কখনও কোনোকিছুতে পুরণ করা যাবে?
আমরা ২০ হাজার গেরিলা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ করেছি। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত তাজউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম। আমাদের গেরিলা বন্ধুদের অনেকেই যুদ্ধের সময় মারা গেছেন, বেতিয়ারায় মারা গেছে অনেকে। কিন্তু বর্তমান মু্ক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মহোদয় গেরিলাদের পছন্দ করেন না। তিনি বলেন, ‘গেরিলা বাহিনী কি আবার’! কিন্তু আদালতের রায়ের পর তিনি এখন মানতে বাধ্য হলেন যে, এরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এদের পূর্ণ অধিকার দিতে হবে। যখন থেকে মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হয়েছে, তখন থেকে ভাতাসহ যা কিছু ছিল সম্পূর্ণটাই আমাদের দিতে বাধ্য এখন। এটি ভাল লাগছে, আনন্দ লাগছে আমাদের সবার।
আমাদের অনেকে মারা গেছে। আমরা অনেকে আছি। আমাদের নাতি-নাতনি, উত্তরসূরি সবাই বলতে পারবে যে, তাদের দাদা মুক্তিযোদ্ধা ছিল। টাকা-পয়সা বড় কথা না, স্বীকৃতিটাই মূল।

লুৎফর রহমান সোহাগ : স্বীকৃতি না থাকার সময়…
আলাউদ্দীন খান : আমরা ২০ হাজার গেরিলা ছিলাম। এখন বেঁচে আছি ৫৭০০ গেরিলা। এদের অনেকের নামই গেজেট হয়নি। তারা এখনো স্বীকৃতি পায়নি। সরকারি খাতায় নাম না গেলে তো আর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যাবে না! তারা অনলাইনে আবেদন করেছে, এখন মন্ত্রণালয় সত্য-মিথ্যা যাচাই-বাছাই করবে। মুক্তিযোদ্ধা হলে হবে, না হলে হবে না।
কিন্তু আমরা ২৩৬৭ জন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। ২০১৪ সালে গেজেট বাতিল করে আমাদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমার হয়তো তেমন সমস্যা হয় নাই, কিন্তু অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে ব্যাপক কষ্ট করতে হয়েছে। এখন তো ২০১৭ চলে আসলো, রায় কার্যকর হলে আবার পাবো নিশ্চয়।

লুৎফর রহমান সোহাগ : এসব দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আপনাদের কোন পৃথক সংগঠন নেই?
আলাউদ্দীন খান : না, আমরা যদিও কোনোকিছুর ব্যানারে সেভাবে সংগঠিত না, তবে মিটিং-মিছিল হলে আমরা আবার একত্রিত হয়ে যাই।
আওয়ামী লীগ আমাদের এখন আগের মতো দেখতে পারে না। ন্যাপ-কমিউনিস্টদের দেখতে পারে না; বামদের দেখতে পারে না। অথচ স্বাধীনতার পর ৭৩ এ বামরাই নির্বাচন করেছে বঙ্গবন্ধুর সাথে। এখন কিছু সংখ্যক আওয়ামী লীগ আমাদের হিংসা করে। ভাবে, বামদের জায়গা দিলে পায়ের মধ্যে আঘাত পড়বে। তবে আমরা গেরিলারা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। পঙ্কজদা’র সাথে আলোচনা করে এসব করবো আমরা। ইতোমধ্যে সংগঠন করার জন্য আমরা গেরিলারা আলোচনা করেছি, আরও আলোচনা হবে। একটা সমাবেশ করে আমরা পূর্ণভাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারব বলে আশা রাখি।

স্বাধীনতার পর জামায়াতে ইসলামী, নেজামী ইসলামী মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। জিয়াউর রহমান গোলাম আযমকে এনে নাগরিকত্ব দিলেন, অথচ তার দেশে আসা নিষেধ ছিল। ফলে দীর্ঘ সময় আমাদের মন খারাপ ছিল। জিয়াউর রহমান ইচ্ছে করলে স্বাধীনতার বিরোধিতা যারা করছে তাদের বিচার করতে পারতেন। কিন্তু তিনি করেননি। তিনি তার লাভ দেখেছেন।

লুৎফর রহমান সোহাগ : যুদ্ধে অংশগ্রহণের সময়গুলো…
আলাউদ্দীন খান : আমি ৬২ সাল থেকেই মিছিল-মিটিং করি। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, মতিয়া চৌধুরী, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, পঙ্কজ ভট্টাচার্য্যরা ছিলেন। আমার বয়স তখন হয়তো ১০ পেরিয়েছে।
যুদ্ধের সময় আমার বয়স ১৭-১৮’র মতো হবে। আমি তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি মাহুতটুলী ফিলিপ প্রাইমারি স্কুলে। বাবার হোটেলে খাই, বাবার সাবানের বড় ব্যবসা। কোনো অভাব ছিল না। এখন যেমন ভাতার জন্য ব্যস্ত, তখন তো তেমন না।
২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর ডাকের পর আমরা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ি। আমাদের বাড়িতে ভাড়াটিয়া ছিলেন হাশেম নামের একজন। তিনি বললেন, ‘দেশ বাঁচাও’। কিন্তু কেমনে দেশ বাঁচাবো? একা তো পারব না। পরামর্শ করে একসাথে তার গ্রামের বাড়ি আখাউড়া চলে যাই ৩ এপ্রিল।
এর আগেই এলাকার অনেকেই চলে গেছিল। বাবা-মাও চলে গেছিল। এখানে (আজিমপুর) অনেক গোলাগুলি হয়েছিল, রাজাকাররা গুলি করতো। তো আখাউড়ায় অন্যান্য এলাকার অনেকেই ছিল। আমরা একটি খালে করে নৌকায় আগরতলায় চলে যাই। গিয়ে ট্রাফস্ট হোটেলে ছিলাম। গিয়ে দেখি মতিয়া চৌধুরী আটা গুলছেন, রুটি বানাবেন।
সাড়ে ৩ মাস ওখানে থাকার পর আমাদের সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ পাঠালেন হবিগঞ্জের তেইশপুরে। ১৮ দিন ওখানে থাকার পর তিনি বললেন, যার যার এলাকায় গিয়ে যুদ্ধ করতে। এরপর এলাকায় আসি, কিছুদিন পর দেশ স্বাধীন হয়।

লুৎফর রহমান সোহাগ : এলাকায় এসে যুদ্ধে কি ধরনের ভূমিকা রেখেছিলেন?
আলাউদ্দীন খান : ঢাকাতে আমরা গ্রেনেড আর পত্রিকা সাপ্লাই করতাম। নতুন বাংলা আর একতা পত্রিকা সাপ্লাই করতাম। আর এখান থেকে ওখানে মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রেনেড সাপ্লাই করতাম। আমাদের কাজটা ছিল গোপনীয়, গোয়েন্দাদের মত।

লুৎফর রহমান সোহাগ : যুদ্ধের কোন স্মৃতিটা বেশি নাড়া দেয়?
আলাউদ্দীন খান : যুদ্ধের কথা মনে পড়লে তো চোখ দিয়ে জল আসে। আজকের ছেলেমেয়েদের জিজ্ঞেস করলে তারা কিছুই বলতে পারবে না। কিভাবে বলবে তারা তো কিছু জানেও না।
যেদিন মহল্লার মধ্যে হামলা হয়েছিল, সেই মার্চে। ঘরে ঘরে এমন কোন জায়গা ছিল না যে বোমা, গুলি মেরে অন্ধকার করে দেয় নাই তারা। যারে পেয়েছে তারেই মারছে। এটাই সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে।
আর তাজউদ্দীন সরকার যখন গঠন হল, খবরটা রেডিওতে পাই যে নতুন অস্থায়ী সরকার গঠন হয়েছে। তখন আনন্দ হয়েছিল, উৎসাহ বোধ করেছিলাম খুব। ইয়ং ছিলাম, রক্ত গরম ছিল। মনে হত- সবকয়টারে গিয়ে ব্রাশ করে দিব।

লুৎফর রহমান সোহাগ : তাহলে সরাসরি যুদ্ধ করার ইচ্ছে হয়নি?
আলাউদ্দীন খান : আমাকে সরাসরি যুদ্ধ করতে দিলে করতাম। কিন্তু আমি কমান্ড মেনেছি। কিন্তু সরাসরি যুদ্ধ করতে বললে গায়ের রক্ত যতক্ষণ থাকতো ততক্ষণ যুদ্ধ করতাম।

লুৎফর রহমান সোহাগ : কমান্ডার হিসেবে খালেদ মোশাররফকে কেমন দেখেছেন?
আলাউদ্দীন খান : তখন পঙ্কজ দা, মতিয়া চৌধুরীর নেতৃত্বে কাজ করেছি আমি। আমাদের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনি। আমি চিনতে পারিনি প্রথম। অন্য একজন চিনাইছে আগরতলায়। তার কমান্ডগুলো খুব ভাল ছিল। তিনি বলতেন- ‘দেশ বাঁচাও, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। আমাদের মা-বোনকে বাঁচাও, ছেলেমেয়েদের বাঁচাতে হবে’। এমন কমান্ড জিয়াও করতে পারেনি। এসব হৃদয় ছুঁয়ে যেত তখন।

লুৎফর রহমান সোহাগ : মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যেভাবে স্বীকৃতি পেলেন…
আলাউদ্দীন খান : মোজাফফর ন্যাপ করতাম আমি। মোজাফফর আহমেদ আমাকে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। কর্নেল ওসমানীর সাথে মুক্তিযুদ্ধের সময় দশদিন মতো সাক্ষাৎ হয়েছিল। তার হাতের লেখা চিঠি আছে আমার কাছে। এসব যাচাই বাছাই করেই আমাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

লুৎফর রহমান সোহাগ : দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশকে কিভাবে দেখেন?
আলাউদ্দীন খান : বর্তমানে গরিবেরা খেয়ে-পরে কোনোরকমে বেঁচে আছে। সরকারের লোকজন, সরকার পক্ষের লোকজনরাই নিজেদের আখেরাত গোছাচ্ছে। কারও কোনো দায় নাই। কোনো বিষয়ে কোনোপ্রকার স্বচ্ছতা নেই। আপনার-আমার মূল্য নাই। ভাতা ১০ হাজার দিবে, কিন্তু আমার খরচ ২০ হাজার টাকা। বাকি টাকা তো দিবে না, সেটা আসবে কোত্থেকে?
শুনুন, আমরা একসময় বলতাম, ‘তোমার-আমার ঠিকানা, ক্ষেত-খামার আর কারখানা’। এখন এসব কই? সব তো র্ইু—কাতলা।

লুৎফর রহমান সোহাগ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিষয়টি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
আলাউদ্দীন খান : স্বাধীনতার পর জামায়াতে ইসলামী, নেজামী ইসলামী মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। জিয়াউর রহমান গোলাম আযমকে এনে নাগরিকত্ব দিলেন, অথচ তার দেশে আসা নিষেধ ছিল। ফলে দীর্ঘ সময় আমাদের মন খারাপ ছিল। জিয়াউর রহমান ইচ্ছে করলে স্বাধীনতার বিরোধিতা যারা করছে তাদের বিচার করতে পারতেন। কিন্তু তিনি করেননি। তিনি তার লাভ দেখেছেন।
বর্তমান সরকার এ বিচার করেছে, এটি খুব ভাল হয়েছে। আমরা যারা যুদ্ধ করেছি, আমাদের ভাই-বোন, সন্তান, নাতি-নাতনিরা এজন্য সবাই হাত ওঠাইয়া দোয়া করেছে।

লুৎফর রহমান সোহাগ : নতুন প্রজন্মের কাছে প্রত্যাশা।
আলাউদ্দীন খান : এখন তো বাচ্চারা যুদ্ধই বিশ্বাস করে না, এটাই বাস্তব। তাদের দেখলে হতাশ হই, কোন প্রত্যাশা জাগে না। আর তারাই বা ইতিহাস জানবে কিভাবে? বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে ইতিহাসকে তো চাপা দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতীয় নেতা, তার জন্যই, তার নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। তার উপরে আর কোন জাতীয় নেতা হতে পারে না। কিন্তু তাকে হত্যার পর যে ইতিহাস চাপা দেওয়া হয়েছে, তাকে আস্তে আস্তে দিনের আলোয় আনতে হবে। ৯ মাস যে কঠিন পরিশ্রম করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে, মা-বোন ভাইদের যে দোয়া ছিল; সেভাবেই ইতিহাসটাকে জাগাতে হবে। আর জালিম একটা সরকার ছিল মোশতাক, আরেকটা ছিল জিয়া; এটুকুর বেশি আর বলতে পারি না, কষ্ট হয়। কখন আবার কে শত্রু হয়ে যায়। এই ইতিহাসকে জাগাতে হলে নতুনদের দায়িত্ব নিতে হবে দেশপ্রেমের জায়গা থেকে। আর বাম দল কখনো ক্ষমতায় আসলে দেশের বেশ ভাল হতো।

লুৎফর রহমান সোহাগ : বাম রাজনীতিবিদদের অনেকে তো অন্য দলে ভিড়েছেন।
আলাউদ্দীন খান : স্বার্থের জন্য, মোহে পড়ে চলে গেছে তারা। এজন্য ঘাড় মোটা হয়েছে তাদের। রিকশায় উঠতে পারে না এখন তাদের গাড়ি হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বলতেন, এক নেতার এক দেশ। আমার মতে, এখন নেতা থাকলে সেটা হল পঙ্কজ দা, তার ঘাড় মোট হয়নি; তাকে বলে নেতা।

লুৎফর রহমান সোহাগ : আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আলাউদ্দীন খান : আপনাকেও ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

চারঘাটে শুরু হয়নি ওএমএস এর মাধ্যমে চাল বিক্রয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট : চাল নিয়ে সারা দেশেই চলছে অস্থিরতা। আর অস্থিরতা দুর করতে বর্তমান সরকারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *