Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউপি ফোরাম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়– বিস্তারিত....
  • জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অভয়াশ্রমের গুরুত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ– বিস্তারিত....
  • প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে তিন অস্ত্র কারবারি আটক– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে মাদক, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা– বিস্তারিত....

পৌষের বৃষ্টিতে শীতের তীব্রতা

জানুয়ারি ১০, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : পৌষের শেষের দিকে এসে রাজশাহী অঞ্চলে এখন চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। আর তাই প্রচণ্ড শীতে এমনিতেই কাবু এ অঞ্চলের মানুষ। এরই মধ্যে মঙ্গলবার ভোর থেকে আকাশ থেকে ঝরছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ফলে শীত বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বেলা ১২টা পর্যন্ত ১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আর এ দিন সকালে সর্বনিম্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত রোববার মৌসুমের সর্বনিম্ব তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, ‘পৌষ-মাঘের মাঝামাঝিতে স্বাভাবিক বৃষ্টি হয়। এই বৃষ্টিও স্বাভাবিক। বৃষ্টিটা আরও কয়েকদিন আগেই হওয়ার কথা ছিল। গত বছর থেকে এই বৃষ্টিটা একটু পিছিয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে ঠাণ্ডাও কিছুটা বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক।’

মঙ্গলবার দুপুরে এ খবর লেখা পর্যন্ত রাজশাহীর আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। পরিমাণে কম হলেও বৃষ্টির কারণে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। তাই হঠাৎই বেড়ে গেছে শীতের তীব্রতা, বইছে হিমেল হাওয়াও। কনকনে শীতে খেটে খাওয়া মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর রেলগেটে কোদাল আর ডালি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিছু মানুষ। তারা বলছিলেন, প্রতিদিন তারা এখানে এসে দাঁড়ান। শহরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য তাদের নিয়ে যান। প্রতিদিন সকাল ৮টার মধ্যেই তারা কাজে লেগে পড়েন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে এ দিন সকাল ১০টা গড়িয়ে গেলেও কেউ তাদের নিতে আসেনি।

উপশহর নিউমার্কেট এলাকায় রিকশাচালক জিয়ারত আলী বলেন, খুব যখন তিনি রিকশা নিয়ে বের হন, তখন কুয়াশার মধ্যে ফোটা ফোটা পানি পড়ছিল। তিনি ভেবেছিলেন, শিশির পড়ছে। তাই বৃষ্টির কোনো প্রস্তুতি নেননি। খানিক বাদেই যখন বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ে, তখন তিনি বুঝতে পারেন-এ কোনো শিশিরবিন্দু নয়, গা হিম করা পৌষের বৃষ্টি! এখন পেটের দায়ে বৃষ্টিতে ভিজেই রিকশা চালাতে হচ্ছে তাকে।