Ad Space

তাৎক্ষণিক

গণ আদালতে বিচার হবে : প্রধানমন্ত্রী

জানুয়ারি ১০, ২০১৭

সাহেব-বাজার ডেস্ক : শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করে। আমরা যা ওয়াদা, করি তা পালন করি। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা মানুষ হত্যা করে, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানান তাদের হাতে গণতন্ত্র ও মুখে গণতন্ত্র সুরক্ষার কথা মানায় না। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জঙ্গিদের উস্কানি দিচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণই একদিন এর বিচার করবে। গণ আদালতে এসব অপরাধের বিচার হবে একদিন।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে ২৫ বছর আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশ হতো। দেশে ফিরে এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন জাতির পিতা। কিন্তু ১৫ আগস্টে তাকে হত্যার পর যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করে দেয় জিয়াউর রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০ জানুয়ারি বাঙালির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা। তার  আহ্বানে সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে যে নির্দেশ জাতির পিতা দিতেন বাঙালিরা সেই নির্দেশ মেনে নিতেন।

তিনি বলেন, ‘ইয়াহিয়া খান ফাঁসি দিয়ে জাতির পিতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। বিশ্বজনমতের চাপে শাসকরা তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ১০ জানুয়ারি তিনি ফিরে এসে সর্বপ্রথম এসেছিলেন এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। দেশে ফিরে এসে একটি বিধ্বস্ত দেশকে জাতির পিতা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। যুদ্ধের ভয়াবহতা কাটিয়ে উঠে যখন মানুষ জাতির পিতার নেতৃত্বে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তখন জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যানেই বঙ্গবন্ধু কীভাবে একটি স্বাধীন দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা যায়, তার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি ভাষণে বলেছিলেন,  ‘আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য, আশ্রয় পাবেন, উন্নত জীবন পাবেন, এই আমার স্বপ্ন।’ তিনি বলেন, এদেশের মানুষ উন্নত জীবন পাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল, সেইভাবে সম্মানিত জাতি হিসেবে বিশ্বসভায় আমরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছি, সে লক্ষ্যে কাজ  করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি মানুষের মুখে আল্লার রহমতে খাদ্য তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি। আজকে আর ক্ষুধায় কাতর হতে হয় না। বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহারা  থাকবে না। যারা বাকি, তাদের সবাইকে ঘর বানিয়ে দেবো। এছাড়া চিকিৎসা সেবা পাবে প্রতিটি মানুষ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে ঠাট্টা করেছিল, তারা বিশ্বাস করতে পারেননি। কিন্তু আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দেখিয়েছি। পৃথিবীর কোনো দেশ শিক্ষার্থীদের এতো বই বিতরণ করতে পারেনি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিনামূল্যে এতো বই দিয়েছি, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বই দিয়েছি। কেবল আমরাই এটা পেরেছি।