Ad Space

তাৎক্ষণিক

ব্লগার রাজীব হত্যা : বিচারিক আদালতের রায় বহালের আবেদন রাষ্ট্রপক্ষের

জানুয়ারি ৯, ২০১৭

সাহেব-বাজার ডেস্ক : ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার শোভন হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় বহালের আবেদন জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানিতে এ আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমান রেখেছেন।

গত ৭ নভেম্বর হাইকোর্টে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ও ব্লগার রাজীব হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। ২২ কার্যদিবসব্যাপী এই শুনানি চলে। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির বলেন, এই মামলার আট আসামির মধ্যে সাতজন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের দেয়া এই জবানবন্দি বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা বহাল রাখার জন্য যথেষ্ট। তিনি বলেন, এই মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই। তবে আনুষাঙ্গিক যে সাক্ষ্য-প্রমাণাদি রয়েছে তা দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এই মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই। এছাড়া স্বীকারোক্তিমূলক যে জবানবন্দি নেয়া হয়েছে তা রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে। এই জবানবন্দি আসামিদের স্বত:প্রণেদিত ছিলো না। এই কারণে তারা খালাস পাওয়ার যোগ্য। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রায়ের জন্য সুনিদ্দিষ্ট দিন ধার্য না করে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষ মান রাখেন। আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন আবদুর রেজ্জাক খান, মোশাররফ হোসেন কাজল, আহসানউল্লাহ প্রমুখ।

গত ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ ব্লগার রাজীব হত্যার দায়ে মূল পরিকল্পনাকারী রেদোয়ানুল আজাদ রানা ও ফয়সাল বিন নাইম ওরফে দ্বীপকের মৃত্যুদণ্ড দেয়। এছাড়া মাকসুদুল হাসান অনিককে যাবজ্জীবন এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানীসহ ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় আদালত। জসীমউদ্দিন রাহমানী ছাড়া বাকি ৭ আসামি বেসরকারি নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।