Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাজশাহীতে বিস্ফোরকসহ আটকদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা খুঁজছে পুলিশ– বিস্তারিত....
  • বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বৃষ্টি বাঁধা– বিস্তারিত....
  • ৩১১ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা, তাসকিনের হ্যাটট্রিক– বিস্তারিত....
  • দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির মানববন্ধন– বিস্তারিত....

জমি দখলের চেষ্টায় শিক্ষক হত্যা মামলার আসামি

জানুয়ারি ৫, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক ড.একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলার আসামি আরিফুল ইসলাম মানিকের বিরুদ্ধে পবা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুসের প্রায় কোটি টাকা মূল্যের একটি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আবদুল কুদ্দুস রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলামের কাছে মানিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

আবদুল কুদ্দুসের অভিযোগ, নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালি বাজারের ওই জমিটি দখলে নিতে যুবদল নেতা মানিক তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। মানিকের ভয়ে তিনি এখন জমিতে নামতেই পারছেন না। অথচ ১৯৯৬ সালে তিনি ওই জমিটি কিনেছেন। তবে যুবদল নেতা মানিকও দাবি করছেন, সম্প্রতি তিনিও ওই জমি কিনেছেন।

আবদুল কুদ্দুসের দাবি, হরিয়ান এলাকার সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির ৮ ভাই-বোনের কাছ থেকে ৯ দশমিক ১০ শতকের ওই জমিটি তিনি কেনেন। কেনার পর সামনের অংশে তিনি দুটি দোকান ঘর নির্মাণ করেন। আর পেছনের অংশ ফাঁকা পড়ে থাকে। ওই জমির পাশেই রাবি শিক্ষক হত্যার আসামি আরিফুল ইসলাম মানিকের বাড়ি।

আবদুল কুদ্দুস জানান, গেল অক্টোবরে মানিক তার দলবল নিয়ে দোকান ঘরের পেছনের অংশ দখলের চেষ্টা চালান। এ সময় ওই জমি তার কেনা সম্পত্তি বলে ঘোষণা দেন। তারপর থেকে তিনি ওই জমিতে গেলেই তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনি জমিতে যেতেই পারছেন না। তবে দোকান দুটি এখনও তার নিজের দখলে আছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে জমিটির বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। এ জন্য ওই জমিতে নজর পড়েছে যুবদল নেতা মানিকের। জমি রক্ষায় তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছিলেন। সেখানে উভয়পক্ষকে ডাকা হলে তিনি জমির দলিল দেখিয়েছেন। এরপরও হত্যা মামলার আসামি মানিক জমিটি তার নিজের কেনা সম্পত্তি বলে দাবি করছেন। সন্ত্রাসী প্রকৃতির মানিকের হুমকিতে তিনি এখন অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আরিফুল ইসলাম মানিক দাবি করেন, ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালে আবদুল কুদ্দুস কৌশলে জমিটি দখল করে নেন। জমির মালিকেরা জানতেনই না-এই জমিটি তাদের। কয়েকমাস আগে তিনি ভূমি অফিস থেকে কাগজপত্র তুলে বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর স্বল্পমূল্যে ‘মালিকদের’ কাছ থেকে তিনি ওই জমিটি কিনেছেন। নিজের নামে জমির দলিলও তার কাছে আছে।