Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • প্রশাসনিক দায়িত্ব হারাচ্ছেন বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান– বিস্তারিত....
  • দায়িত্ব অবহেলায় বরিশাল ও বরগুনার ডিসি প্রত্যাহার– বিস্তারিত....
  • নাটোরে অস্ত্রসহ দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ– বিস্তারিত....
  • তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার ক্ষমতা সরকারের নেই : নজরুল ইসলাম খান– বিস্তারিত....
  • উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ করল জেলা পরিষদ– বিস্তারিত....

চারঘাট হাসপাতালে নয় বছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ

জানুয়ারি ৪, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট :  নিরাপদ মাতৃত্ব সেবায় তিনবার পুরুস্কার প্রাপ্ত রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ বছর যাবত সিজারিয়ান অপরাশেন বন্ধ। ফলে গরীব অসহায় রোগীর অভিভাবকরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। বিভিন্ন ক্লিনিকে অপরাশেন করাতে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেকেই। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবী আগামী মার্চ মাসে মধ্যে চালু হতে পারে সিজারিয়ান অপারেশন।

সংশিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ শিপ্রা চৌধুরী চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলী হয়ে যাওয়ার পর থেকে সিজার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় । আর এ কারণে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা প্রসুতি রোগীদের  আশ্রয় নিতে হয় স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে। আর এতে করে গুনতে হয় বিপুল পরিমানের অর্থের। অনেকেই আবার অর্থের অভাবে ঋনের জালে বন্দী হতে হয়।

পার্শ্ববর্তী বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা নাসির উদ্দিন জানান, কিছুদিন পূর্বে আমার স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে নিয়ে যাওয়া হয় চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রত সিজার করার পরামর্শ দেন। কিন্তু হাসপাতালে সিজারিয়ান বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিরকের সিজার করাতে হয়েছে। এতে আমার প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে চারঘাট হাসপাতালে সিজারিয়ান করাতে খরচ হতো ১৫শ টাকা থেকে ২ হাজার। সেখানে এতো টাকা খরচ করতে আমাকে অন্যের নিকট ধার নিতে হয়েছে। এমন কথা জানালেন অনেকই।

এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা: সাইফুল ফেরদৌস জানান, হাসপাতালে সিজার করতে মাত্র ১৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা খরচ হয়। কিন্তু বিভিন্ন ক্লিনিকে খরচ একটু বেশী। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালে সিজারিয়ান চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।