Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউপি ফোরাম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়– বিস্তারিত....
  • জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অভয়াশ্রমের গুরুত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ– বিস্তারিত....
  • প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে তিন অস্ত্র কারবারি আটক– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে মাদক, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা– বিস্তারিত....

রাবিতে কথাশিল্পী শওকত ওসমান স্মারক বক্তৃতা মার্চে

জানুয়ারি ১, ২০১৭

রাবি প্রতিবেদক : কথাশিল্পী শওকত ওসমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে আগামী মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করেছে বাংলা গবেষণা সংসদ। স্মারক বক্তৃতাটি পাঠ করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক।

রবিবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী  বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলা গবেষণা সংসদের বাংলা গবেষণা সংসদের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান এই তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান লিখিত বক্তব্যে জানান,। গত ২০১৪ সালে কথাশিল্পীর পরিবারের সদস্যবৃন্দ শওকত ওসমান স্মারক বক্তৃতা ও সাহিত্য পুরুষ্কার প্রদানের জন্য বাংলা গবেষণা সংসদকে এককালীন দুই লাখ টাকা প্রদান করে। বাংলা গবেষণা সংসদ এই অর্থ অগ্রণী ব্যাংক রাবি শাখায় ফিক্সড ডিপোজিটে জমা রাখে। ২০১৭ সাল কথাশিল্পী শওকত ওসমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে তারা এই স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করছে।

তিনি আরো জানান, এ বছরেই বাংলা গবেষণা সংসদ জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের একজন খ্যাতিমান সাহিত্যিককে  শওকত ওসমান সাহিত্য পুরুষ্কার প্রদান করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলা গবেষণা সংসদের  সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার ফরহাদ হোসেন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. পি এম সফিকুল ইসলাম, ড. এ কে এম মাসুম রাজা, সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসাইন, ড. সুমাইয়া খানম, প্রভাষক তানিয়া তহমিন সরকার, সুজা উদ-দৌলা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, কথাশিল্পী শওকত ওসমান জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৭ সালের ২রা জানুয়ারি। তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে ফুটে উঠেছে বাঙালী মুসলিম সমাজের আত্মজাগরণ, প্রগতিশীল এবং বাঙালির মহান মুক্তিযুদ্ধের আন্তরিক চেতনা। তিনি বিভিন্ন উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ, প্রবন্ধ গ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ, নাটক, শিশু সাহিত্য, আত্ম জৈবনিক গ্রন্থ, সামৃতিখন্ড ও অনূদিত গ্রন্থ রচনা করেন। এসব রচনার জন্য ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরুষ্কার ও ১৯৮৩ সালে একুশে পদকসহ অসংখ্যা পুরুষ্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন।  অনন্য প্রতিভাবান এই লেখক ১৯৯৮ সালের ১৪ ই মে পরলোক গমন করেন।