অক্টোবর ১৮, ২০১৭ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

Home / slide / কোজাগরীর কবিতাগুচ্ছ
কোজাগরীর কবিতাগুচ্ছ
কোজাগরীর কবিতাগুচ্ছ

কোজাগরীর কবিতাগুচ্ছ

গীতা-৪

যাবার দিন রজনীগন্ধায় ভরিয়ে দিও তোমরা। বড় প্রিয় ফুল আমার। আজ কোনো চিনচিনে ব্যথা নেই। খোলা চুলে নেমেছে পৃথিবীর নীরবতা শুধু। এবার সমুদ্রকে ছোঁবো। দেখছো সারথি কত ঘাসফুল ফুটেছে। মৃত্যুও কত রোমান্টিক! লিখে রাখলাম সাত্যকি এক কবি মৃত্যু…

অভিমান

তপ্ত সম্মোহনে জেগে থাকো মধ্যরাতের সঙ্গমে। নক্ষত্রেরা আকাশের পথে আলোর ব্যঞ্জনা দেয়। কষ্টগুলো শহরের অলিগলি দিয়ে সমুদ্রে ঘুমোয়। স্বপ্নের দ্বিতীয় প্রহর আর এলোমেলো আসা -যাওয়া জীবনটাকে এক ল্যাম্পপোস্টের তলায় দাঁড় করায়। জমকালো অন্ধকারে বিষন্নতার গভীর চুম্বন। বহুরূপী স্বপ্নেরা নিঃস্ব হয়… টেথিসে ভেসে ওঠে উদাসীন জলছবি। হৃদয়ে ক্ষত-বিক্ষত আলপিন ঠোঁট ছোঁয় তৃষ্ণার্ত নির্জনতায়। পড়ন্ত বিকেলে জেগে থাকে নীরব অভিমানের কফিন…

তবুও তোমার উপস্থিতি

রুক্ষতাও ভালোবাসা জাগাতে পারে কোনও একদিন! ঘুমপরীর হাতে সোনার কাঠি । রাত্রি মানব কথা বলে মধ্যরাতে… মহানন্দার জল অভিমান ছুঁয়ে যায় নীল নির্জন মোহনায়… হারানো উজানে ফিরে আসে অনুভূতির ঢেউ অহরহ কাল যমুনায়। তুমি ঘুমিয়ে অচেতনতায় গন্ধরাজ লেবুর সুগন্ধের মতো তবুও তোমার উজ্জ্বল উপস্থিতি…

মধুচন্দ্রিমা

হাইড্রেনের সামনে থেকে বড় পাথরটা সরিয়ে আবারো বসলাম সেই জায়গাটায়। তোমার চোখ বেয়ে নেমে এলো সতর্ক করে দেওয়া প্রহরী। আটপৌরে চাঁদ দাঁড়ালো শরীরের খুব কাছ ঘেঁষে। রাত্রির নিবিড় সর্বস্বতায় শঙ্খচিল মধুচন্দ্রিমা…. কাফেটেরিয়ার পাশ থেকে ধু ধু আলপথ…

জলসিঁড়ি

যখন তোমার হাতে হাত রাখলাম দেখি আগুন। চোখে চোখ রাখতে গিয়ে দেখি মহানন্দার চর। কানে কানে যখনি বলতে যাবো ভালোবাসি, জবাব পেলাম উঠতে হবে এবেলা। ঘড়িতে তখন আটটা চল্লিশ। একুশের ভোরে শহীদ বেদীর সামনে যখন এক-দুই-তিন করে সব কটি সিঁড়ি দেখি তখনো সেই আটটা চল্লিশ। ইলশাগুঁড়ি ঢেকে দিল সকাল-দুপুর। হঠাৎই পিছন ফিরে দেখি আমার চোখ ভেজা তোমার মুখ, চোখ, ছায়া শরীর তবু দেখা হলো না… সারা রাত আটটা চল্লিশ…

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

হিকমার প্রতিষ্ঠাতা কাওসারের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন শাহাদাত-ই আল-হিকমার প্রতিষ্ঠাতা কাওসার হুসাইন সিদ্দিকীকে (৪০) দুই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *