সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

Home / slide / ছেলেরা পিছিয়ে পড়ছে কেন : প্রধানমন্ত্রী

ছেলেরা পিছিয়ে পড়ছে কেন : প্রধানমন্ত্রী

সাহেব-বাাজার ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেএসসি, জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের ক্ষেত্রে মেয়েদের হার বেশি থাকায় অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা আমাদের মূল ভিত্তি। ভিত্তিটা মজবুত করতে হবে। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ একই সঙ্গে ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে সে বিষয়ে নজর দিতে বলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে গণভবনে জেএসসি, জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। একই সময়ে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে বেছে বেছে কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে আলাদাভাবে পড়ানো হতো। কিছু বেছে নিয়ে পড়ানোর চেয়ে সব ছেলেমেয়ে পরীক্ষা দেবে- এটা ভালো। এতে করে সবাই সুযোগ পাবে। কারণ যাদের বাদ দেওয়া হয় তাদের মধ্যেও কেউ ভালো থাকতে পারে।

পিইসি পরীক্ষায় অভিভাবকদের অনীহার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বোর্ডে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ভয় পায়, নার্ভাস হয়ে যায়। বোর্ডের পরীক্ষা দেওয়ার যে ভীতি সেটা এখানে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া ছোট ছোট বাচ্চা সার্টিফিকেট পেলে মনে করে তাকে একটা স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে তাদের আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। এতে করে তাদের ভিত্তি গড়ে উঠছে অত্যন্ত শক্তিশালী মজবুত হয়ে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবচেয়ে বেশি দরকার শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। একমাত্র শিক্ষিত জাতিই পারে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে।

শেখ হাসিনা বলেন, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়ভাবে মেয়েদের সংখ্যা বেড়েছে। এ কারণে মেয়েদের অভিনন্দন জানাই। তবে ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে, সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। কারণ জেন্ডার সমতা আনতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা তো উল্টো হয়ে যাচ্ছে। এখানে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মেয়েরাই বেশি আবার পাসের ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সাংবাদিক ইমরান

তানোর প্রতিনিধি : মানসিক ভারসাম্যহীন ছোট ভাইয়ের হাতুড়ির আঘাতে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন রাজশাহীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *