Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউপি ফোরাম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়– বিস্তারিত....
  • জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অভয়াশ্রমের গুরুত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ– বিস্তারিত....
  • প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে তিন অস্ত্র কারবারি আটক– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে মাদক, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা– বিস্তারিত....

রাজশাহীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব জামান ভুলুর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে। সোমবার দুপুরে নির্বাচনের আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেছেন।

মোহাম্মদ আলী সরকার নিজেই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি তার অভিযোগে বলেছেন, গত রোববার তানোর উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের নিয়ে নির্বাচনি সভা করেন মাহবুব জামান ভুলু। এ সময় তিনি তার পক্ষে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। এরপর তিনি তাদের ভূরিভোজ করান। পরে তিনি শুধু চেয়ারম্যানদের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

অভিযোগপত্রে মোহাম্মদ আলী সরকার বলেছেন, সরকারি অডিটরিয়াম ও ইউএনও’র কার্যালয় ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোয় নির্বাচনি আচরণবিধি ৬ এর (খ) ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে। এ ছাড়া ভোটারদের ভূরিভোজ করিয়ে ভুলু নির্বাচনি আচরণবিধির ১৭ এর (খ) ধারা লঙ্ঘন করেছেন। এ ধরণের বিধি বহির্ভুত প্রচারণায় তার সমূহ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য ভুলুর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

জানতে চাইলে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দীন বলেন, তিনি অভিযোগের কপিটি এখনও হাতে পাননি। সেটি দেখে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

প্রসঙ্গত, জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হলে তালগাছ প্রতীকের প্রার্থী জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলুর বিরুদ্ধে একের পর এক নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভুলুর পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে রাজশাহী-১ আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন ও রাজশাহী-৫ আসনের এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারার বিরুদ্ধেও লিখিত অভিযোগ হয়েছে রিটার্নিং অফিসারের কাছে।

এসব অভিযোগের পর নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার শহিদুল ইসলাম প্রামানিক এই তিন এমপিকে শোকজ করেন। এ বিষয়ে লিখিতভাবে জবাব দেয়ার জন্য তাদের নির্দিষ্ট করে সময়ও বেধে দেওয়া হয়। তবে এমপিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিয়েছেন কী না তা জানাতে পারেননি শহিদুল ইসলাম প্রামানিক।

তিনি বলেন, ‘শোকজের জবাব রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেওয়ার কথা। জবাব এসেছে কী না তা জানি না। তবে জবাব দেওয়ার সময় পেরিয়েছে।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং অফিসার কাজী আশরাফ উদ্দীন কোনো বক্তব্য দেননি।