Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • মোহনপুরে দুই সহদোরের শয়নকক্ষে মিললো গোখরার ৫৬ বাচ্চা– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীর ২০০ শিক্ষার্থী পেল জেলা পরিষদের বৃত্তি– বিস্তারিত....
  • নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপোস নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে তিনদিন ব্যাপি ফলদ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন– বিস্তারিত....
  • মানবপাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় থাই জেনারেলের কারাদণ্ড– বিস্তারিত....

অতিত অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে ভোট দিতে যাবেন

ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনারা জেলা পরিষদে নিজেদের অতিত অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করবেন। এরপর ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন। যে প্রার্থীকে যোগ্য মনে হবে, তাকেই ভোট দেবেন। জেলা পরিষদে গতি আনতে চাইলে যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

রোববার রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও পবা উপজেলার কাটাখালি পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিজের আনারস প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে তাদের এমন আহ্বান জানান মোহাম্মদ আলী সরকার।

তিনি বলেন, ‘আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সঙ্গে কথা বলেছি। অধিকাংশ জনপ্রতিনিধিই জেলা পরিষদ চেনেন না। যে দু’একজন জনপ্রতিনিধি জেলা পরিষদে দু’একবার গেছেন, তাদের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। আপনারা শহরের ভেতরে থাকায় হয়তো জেলা পরিষদ চেনেন। দু’একবার গেছেনও হয়তো। সেখানে আপনাদের অভিজ্ঞতা কেমন, তা বিশ্লেষণ করবেন। তারপর ২৮ তারিখ ভোট দিতে যাবেন।’

মোহাম্মদ আলী সরকার রোববার সকালেই কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীসহ সকল কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিনি রাসিকের কাউন্সিলরদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ সময় তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের সকল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের জন্য জেলা পরিষদ। কিন্তু সেখানে যদি জনপ্রতিনিধিদেরই ঘুষ দিতে হয়, তাহলে জনপ্রতিনিধিরা কোথায় যাবেন! এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। এ জন্যই তিনি নির্বাচন করছেন। তাই দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে আনারস প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি এ সময় মোহাম্মদ আলী সরকারকে বলেন, জেলা পরিষদে গেলে তাদের পাত্তাই দেওয়া হয়নি। যিনি পরিষদের দায়িত্বে ছিলেন, তিনি তার অফিসে থাকলেও বলা হয়েছে- ‘তিনি এখন অফিসে নেই।’ অধিকাংশ সময় বলা হয়েছে, ‘এখন কথা বলা যাবে না, পরে আসেন।’ এভাবে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার মতো তার সময় হয়নি। এতে তারা অনেক কষ্ট পেয়েছেন। তাই মোহাম্মদ আলী সরকার পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি যেন এই বিষয়টি খেয়াল রাখেন।

মোহাম্মদ আলী সরকার এ সময় তাদের বলেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের জন্য সব সময় জেলা পরিষদের দুয়ার খোলা থাকবে। যে কোনো সমস্যা নিয়ে তারা সেখানে যেতে পারবেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে না পারলেও তার বাসার দরজা সবার জন্য সময়ের জন্য খোলা থাকবে। মোহাম্মদ আলী সরকারের এমন প্রতিশ্রুতিতে জনপ্রতিনিধিরা তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার অঙ্গীকার করেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী সরকার রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’রও পরিচালক ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন সার্ক চেম্বারের পরিচালক হিসেবে। আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলু।

আগামি বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এ দিন জেলার ১৫টি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ জেলার সবগুলো পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা এই নির্বাচনের ভোটার। মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ১৭১ জন। নির্বাচন উপলক্ষে শেষ মুহুর্তের প্রচারণা চলছে এখন।