Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাজশাহীতে বিস্ফোরকসহ আটকদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা খুঁজছে পুলিশ– বিস্তারিত....
  • বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বৃষ্টি বাঁধা– বিস্তারিত....
  • ৩১১ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা, তাসকিনের হ্যাটট্রিক– বিস্তারিত....
  • দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির মানববন্ধন– বিস্তারিত....

চিঠি ফেলে শর্ত দিয়েছিল জঙ্গিরা

ডিসেম্বর ২৪, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনায় ‘সূর্য ভিলা’তে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিসিটিসি) জালে আটকা পড়া জঙ্গিরা বের হয়ে যাওয়ার জন্য আইনশৃংখলাবাহিনীকে কয়েকটি শর্ত দিয়েছিল। সিসিটিসি-এর কর্মকর্তারা মাইকে বার বার ঘোষণা দিয়ে সেসব শর্ত মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর ২ নারী জঙ্গি ও তাদের সঙ্গে ২ শিশু বেরিয়ে আসলেও শেষ পর্যন্ত কয়েকজন জঙ্গি বেরিয়ে আসেননি।

‘সূর্য ভিলা’ অভিযান শেষে সিসিটিসি-র ডিসি মহিবুল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ভোররাতে জঙ্গিরা যখন বুঝতে পারে যে তারা চারদিক থেকে ঘেরাও হয়ে গেছে এবং তাদের আর পালানোর পথ নেই- তখন তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি হাতে লেখা চিঠি ছুঁড়ে দেয়। চিঠিতে তারা বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেয়।

শর্তগুলোর মধ্যে ছিল, জঙ্গিদের উপর কোনও রকম আক্রমণ চালানো যাবে না, তাহলে তারাও কোনও আক্রমণ করবে না। বের হবার সময় তাদেরকে গ্রেফতার বা আটক করে জেলে নেয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে জঙ্গিরা নিজেদের মতো করে চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

মহিবুল ইসলাম বলেন, তারা এইসব শর্ত মেনে নেওয়ার আশ্বাস জঙ্গিদের জানায়। কিন্তু জঙ্গিরা তারপরও বের হয়নি। জঙ্গিদেরকে উদ্দেশ্য করে মাইকে শর্ত মেনে নেওয়ার কথা বারবার জানায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা।

অভিযানের এক পর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে ওই বাড়িটি থেকে আসা দুই নারী জঙ্গি ও দুই শিশু বেরিয়ে এসে আত্মসমর্পণ করে। এরপরও বাড়ির ভেতরে থাকা কয়েকজন জঙ্গি আত্মসমর্পণ না করলে চূড়ান্ত অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. ছানোয়ার হোসেন জানান, জঙ্গি জাহিদের স্ত্রী ও মেয়ে আত্মসমর্পণ করেছে। তাদের সঙ্গে আত্মসমর্পণ করে নব‌্য জেএমবির এখনকার অন‌্যতম প্রভাবশালী নেতা মুসার স্ত্রী ও মেয়ে।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই বাড়িটির নিচতলায় আত্মঘাতী গ্রেনেড হামলায় নিহত হন জঙ্গি সুমনের স্ত্রী ও জঙ্গি তানভীর কাদরীর ছেলে আফিফ কাদরী ওরফে আদর। গুরুতর আহত হয় জঙ্গি ইকবালের মেয়েশিশু।