Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সংঘর্ষ, উদ্বিগ্ন সাংসদ বাদশা– বিস্তারিত....
  • ভোটের ‘ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে’ ভাস্কর্য সরানোর ‘পক্ষে’ আ’লীগ-বিএনপি– বিস্তারিত....
  • আমরা আজ হেরে গেলাম : ভাস্কর মৃণাল হক– বিস্তারিত....
  • নতুনদের জন্য ভিডিও এডিটিং কোর্স নিয়ে এলো বিআইটিএম– বিস্তারিত....
  • সৌদিতে রোজা শুরু শনিবার, বাংলাদেশে রবিবার– বিস্তারিত....

নির্বাচিত হলে সুষম উন্নয়ন করতে চান মোহাম্মদ আলী

ডিসেম্বর ২২, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে সুষম উন্নয়ন করতে চান মোহাম্মদ আলী সরকার। তিনি বলেছেন, এতোদিন জেলা পরিষদকে জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে ‘লুকিয়ে’ রাখা হয়েছিল। তিনি নির্বাচিত হলে এ অবস্থার পরিবর্তন করবেন।

বৃহস্পতিবার রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গিয়ে ভোটারদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন মোহাম্মদ আলী সরকার। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদকে জনবিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল। রাজশাহীর উন্নয়নে কী বরাদ্দ আসে না আসে কেউ জানতেন না। আমি নির্বাচিত হলে সব এলাকায় সরকারি বরাদ্দ সুষমভাবে বন্টন করব। প্রয়োজনে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাদের প্রাপ্য বরাদ্দ বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘ভোট করতে নেমে জানতে পারছি, জেলা পরিষদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের। তারা এর কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্টভাবে কিছু জানতেও পারেননি। জেলা পরিষদে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা শুধু ফায়দা লুটতে জনপ্রতিনিধিদের এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করেননি। আমি নির্বাচিত হলে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের নিয়েই জেলা পরিষদ চালানো হবে। তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে একটি কাজও করা হবে না।’

মোহাম্মদ আলী সরকার রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি। এছাড়াও তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও সার্ক চেম্বারের পরিচালক ছিলেন। আগামী ২৮ ডিসেম্বরের রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি সাবেক প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ জেলার সবগুলো পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের এক হাজার ১৭১ জন জনপ্রতিনিধি এই নির্বাচনের ভোটার। নির্বাচনে তাদের সমর্থন পেতে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই মোহাম্মদ আলী সরকার নির্বাচনি প্রচারণায় পুরো জেলা চষে বেড়াচ্ছেন।

মোহাম্মদ আলী সরকার বৃহস্পতিবার সারাদিন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাগমারা উপজেলায় প্রচারণা চালান। এ দিন সকালেই তিনি উপজেলার আউচপাড়া ইউপিতে গিয়ে সেখানকার চেয়ারম্যান জান মোহাম্মদ সরকারসহ তার পরিষদের সকল সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করে নিজের আনারস প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় ওই ইউপির ভোটাররা মোহাম্মদ আলী সরকারকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

পরে তিনি উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউপিতে গিয়ে সেখানকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিনি সোনাডাঙ্গা, নরদাশ, দ্বীপপুর, বাসুপাড়া ও শুভডাঙা ইউপিতে গিয়ে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করে নিজের আনারস প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।