Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জঙ্গি আটকের ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা– বিস্তারিত....
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবিরের ঝটিকা মিছিল থেকে আটক ৭– বিস্তারিত....
  • পবিত্র রমজান শুরু রোববার– বিস্তারিত....
  • শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সংঘর্ষ, উদ্বিগ্ন সাংসদ বাদশা– বিস্তারিত....
  • ভোটের ‘ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে’ ভাস্কর্য সরানোর ‘পক্ষে’ আ’লীগ-বিএনপি– বিস্তারিত....

স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় পুলিশ সদস্য কারাগারে

ডিসেম্বর ২১, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে স্ত্রীর দায়ের করা একটি যৌতুক মামলায় আহসান হাবিব (২৩) নামে এক পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-১ এর বিচারক শাহনাজ পারভীন এই আদেশ দেন।

পুলিশ সদস্য আহসান হাবিব (কন্সটেবল নং-১৯৩) বর্তমানে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) কর্মরত আছেন। তার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলার দুবইল গ্রামে। বাবার নাম আশরাফুল ইসলাম।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রইসুল ইসলাম জানান, গত বছরের ৭ জুন আহসান হাবিব জেলার মোহনপুর উপজেলার কালিগ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রাজিফা খাতুন ওরফে মনিকে (১৯) বিয়ে করেন। বিয়ের পর তিনি শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। এরই মধ্যে বিয়ের কথা গোপন করে তিনি পুলিশে যোগ দেন।

তারপর থেকে বাবার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা নিয়ে দেয়ার জন্য আহসান হাবিব তার স্ত্রী মনিকে চাপ দিতেন। কিন্তু মনির বাবা যৌতুক দিতে না পারায় আহসান তার বিয়ের কথায় অস্বীকার করে বসেন। এরপর সম্প্রতি মনি তার নামে প্রতারণা ও যৌতুকের আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেন। যৌতুকের মামলাটিতে পুলিশ সদস্য আহসানসহ তার বাবা আশরাফুলকেও আসামি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বুধবার যৌতুক মামলাটিতে আদালতে হাজিরা দিতে আসেন আহসান হাবিব। এ সময় আইনজীবী ইশতেকার আহমেদ শ্যামল আদালতে তার জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এ দিন আহসান হাবিবের বাবা আশরাফুল ইসলাম আদালতে হাজির হননি।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, গত ২৯ নভেম্বর দায়ের করা প্রতারণার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন আগামি ১২ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এদিকে রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়া বলেন, ‘কোনো পুলিশ সদস্য ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার হলে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বরখাস্ত হয়ে যান। তবে কিছু প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে চুড়ান্তভাবে তাকে বরখাস্ত করা হয়। আহসান হাবিবের ক্ষেত্রেও তাই হবে।’