Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাজশাহীতে বিস্ফোরকসহ আটকদের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা খুঁজছে পুলিশ– বিস্তারিত....
  • বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বৃষ্টি বাঁধা– বিস্তারিত....
  • ৩১১ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা, তাসকিনের হ্যাটট্রিক– বিস্তারিত....
  • দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও জনতা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির মানববন্ধন– বিস্তারিত....

লিপু হত্যা : কারণ উদঘাটন হয়নি দুই মাসেও

ডিসেম্বর ২০, ২০১৬

রাবি প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মোতালেব হোসেন লিপু হত্যা মামলার দুই মাসেও কারণ উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আরো সময় নিতে চান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মাহবুব।

ইন্সপেক্টর মাহবুব বলেন, ‘আমি এই মামলাটির দায়িত্ব পেয়েছি এক সপ্তাহ হলো। তবে আমি অন্যদের চেয়ে আলাদা। আমি বিষয়টি আরো গভীরভাবে দেখতে চাই। এর জন্য আমাকে সময় দিতে হবে।’ তদন্ত প্রস্তুতি নিয়ে বলেন, ‘আমি সবসময় প্রস্তুত আছি। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি এর ফল দেখতে পাবো’।

ইন্সপেক্টর মাহবুবের আগে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন মতিহার থানার ওসি (তদন্ত) অশোক চৌহান। অশোক চৌহানের বদলি হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় দায়িত্ব পান ইন্সপেক্টর মাহবুব।

গত ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলের ড্রেন থেকে লিপুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে লিপুকে হত্যা করা হয়েছিলো বলে পুলিশ ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ওইদিন বিকেলে লিপুর চাচা মো. বশীর বাদী হয়ে নগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় লিপুর রুমমেট মনিরুলকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। গত ৮ নভেম্বর জজ কোর্ট থেকে মনিরুল জামিন পায়। জামিনের আগে মনিরুলকে চারদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। লিপুর রুমমেট মনিরুল রিমান্ডে মনিরুলের দেওয়া তথ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটন সম্ভব বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো। কিন্তু তারপরও হত্যার কারণ উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে তদন্তে ধীরগতি অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে লিপুর পরিবার ও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

লিপুর সহপাঠী হুসাইন মিঠু বলেন, ‘আমরা লিপু হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু এখনো পুলিশ আমাদেরকে শান্ত করতে পারেনি। অতি দ্রুত তদন্তে অগ্রগতি চাই, হত্যাকারীদের দেখতে চাই।’

মামলার বাদী লিপুর চাচা মো. বশীর বলেন, ‘আমাদের ছেলেকে লেখাপড়া করতে পাঠিয়ে একটা মৃত বডি ফেরত পেলাম। আজ দুই মাসেও নাকি পুলিশ কিছুই করতে পারেনি। কোন সাহসে আমি আমার ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পাঠাবো, যেখানে ছেলেরা খুন হয়!’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে সভাপতি ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে বলেন, ‘পুলিশ আামদের বারবার আশস্ত করছেন এবং তারা সময় চাচ্ছেন। কিন্তু এই সময় নেওয়াটা বোধহয় বেশি হয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই এই হত্যার তদন্ত খুব তাড়াতাড়ি হোক।’